বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : নেক সন্তান পাওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে বিরাট বড় অনুগ্রহ। মহান আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা‘আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল’ (সূরা আশ-শু‘আরা: ৪৯ ও ৫০)। তাই সুসন্তান লাভের জন্য কয়েকটি আমল করা যায়-
(১) বেশি বেশি দু‘আ করা: (ক) ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর দু‘আ। যেমন رَبِّ ہَبۡ  لِیۡ  مِنَ  الصّٰلِحِیۡنَ ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি আমাকে সুসন্তান দান করুন’ (সূরা আছ-ছাফ্ফাত: ১০০)। এই দু‘আর ফলে মহান আল্লাহ তাঁকে ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-কে দান করেন। (খ) যাকারিয়া (আলাইহিস সালাম)-এর দু‘আ। যেমন قَالَ رَبِّ ہَبۡ لِیۡ مِنۡ لَّدُنۡکَ ذُرِّیَّۃً طَیِّبَۃً ۚ اِنَّکَ سَمِیۡعُ  الدُّعَآءِ ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে আপনি আপনার নিকট থেকে উত্তম সন্তান দান করুন। নিশ্চয় আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী’ (সূরা আলে ইমরান: ৩৮)। (গ) رَبَّنَا ہَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا ‘হে আমাদের রব! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন যারা হবে আমাদের জন্য চোখজুড়ানো। আর আপনি আমাদেরকে করুন মুত্তাক্বীদের জন্য অনুসরণযোগ্য’ (সূরা আল-ফুরক্বান: ৭৪)।

(২) বেশি বেশি তাওবাহ-ইস্তিগফার করা: ইস্তিগফার করলে আল্লাহ সন্তান ও প্রাচুর্য দান করেন। যেমন নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘সুতরাং বলেছি, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয় তিনি মহা ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন। এবং তিনি তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সমৃদ্ধ করবেন এবং তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন বহু বাগান ও প্রবাহিত করবেন নদী-নালা’ (সূরা আন-নূহ: ১০-১২)। (৩) সহবাসের সময় দু‘আ পড়াও সন্তান লাভের একটি সুন্দর আমল। আল্লাহ চাইলে সহবাসের সময় দু‘আ করার কারণে আপনার মনোবাসনা পূরণ হতে পারে। ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী (ﷺ) বলেন, ‘তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গত হতে চাইলে সে বলবে,

بِاسْمِ اللهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا

‘আল্লাহর নামে শুরু করছি, হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে সহবাসের ফলে যে সন্তান দান করবেন তা থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন’। তারপর তাদের এ মিলনের মাঝে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কক্ষনো ক্ষতি করতে পারবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৩৮৮)।


প্রশ্নকারী : এ কে এম সাইফুল্লাহ সাইফ, মীরপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৩) : ‘আবূ বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর ঈমানের সাথে সমস্ত মানুষের ঈমান ওযন করলে তাঁর ঈমানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে’-এই হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মুক্তিপ্রাপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য কী? কোন ব্যক্তির মাঝে যদি উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহের কোন একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে সে কি মুক্তিপ্রাপ্ত দল হতে বের হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ইসলামে শ্রমের মর্যাদা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ছাদাক্বাহ ও হাদিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : সকাল-সন্ধ্যায় সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস পাঠের সময় আঊযুবিল্লাহ-সহ বিসমিল্লাহ বলে পাঠ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, বান্দা যখন ছাদাক্বাহ প্রদান করে, তখন যেন সে তার চোয়াল থেকে সত্তর জন শয়তানকে বিতাড়িত করল। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ক্বাযা ছালাতের সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রিযিক বৃদ্ধির কোন আমল আছে কি? কী কী উপায়ে রিযিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : খিযির (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ইউনুছ ১ একর ৫৯ শতাংশ জমির মালিক। অবিবাহিত অবস্থায় মারা যায়। ওয়ারিছ রেখে যায় ১ মা ১ বোন ও ২ বৈমাত্রিয় চাচাতো ভাই। এখন ফারায়েজ মতে কে কত অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : কুরআনের আয়াত বাংলা ভাষায় উচ্চারণ করে পড়া বা লিখা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : কারো সাথে আলাপ করার পর বিদায়ের সময় ‘আল্লাহ হাফেয’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ