বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছালাত পরিত্যাগকারীর যাকাত, ছিয়াম, হজ্জ কোন আমলই কবুল হবে না। বরং সব আমল বাতিল হবে (ত্বাবারাণী, আল-আওসাত্ব হা/১৮৫৯, সনদ ছহীহ)। বুরাইদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,  مَنْ تَرَكَ صَلاَةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ ‘যে ব্যক্তি আছরের ছালাত পরিত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৫৩; মিশকাত, হা/৫৯৫)। ‘তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়’-এর অর্থ হল, তা বাতিল হয়ে যায় এবং তা তার কোন কাজে আসবে না। এ হাদীছ প্রমাণ করে যে, ছালাত পরিত্যাগকারীর কোন আমল আল্লাহ কবুল করেন না এবং ছালাত ত্যাগকারী তার আমল দ্বারা কোনভাবে উপকৃত হবে না। তার কোন আমল আল্লাহর কাছে উত্তোলন করা হবে না (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৯৬৯৮)।

শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে ছালাত পরিত্যাগকারীর ছিয়াম রাখার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ছালাত পরিত্যাগকারীরা শুদ্ধ নয় এবং তা কবুলযোগ্য নয়। কারণ ছালাত ত্যাগকারী কাফের ও মুরতাদ। তিনি দলীল হিসাবে নিম্নোক্ত আয়াত ও হাদীছগুলো পেশ করেছেন। আল্লাহ‌ তা‘আলা বলেন,

فَاِنۡ تَابُوۡا وَ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ  فَاِخۡوَانُکُمۡ فِی الدِّیۡنِ

‘আর যদি তারা তওবা করে, ছালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই’ (সূরা আত-তওবাহ  : ১১)। নবী বলেছেন, بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاةِ ‘কোন ব্যক্তির মাঝে এবং শি‌রক ও কুফরের মাঝে সংযোগ হচ্ছে ছালাত বর্জন করা’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরো বলেন, ‘আমাদের ও তাদের মধ্যে চুক্তি হলো ছালাতের। সুতরাং যে ব্যক্তি ছালাত ত্যাগ করল, সে কুফরি করল’ (তিরমিযী, হা/২৬২১, সনদ ছহীহ)। ছাহাবীগণও এই অভিমত পোষণ করতেন। প্রসিদ্ধ তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনে শাক্বিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, كَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ ﷺ لَا يَرَوْنَ شَيْئًا مِنَ الْأَعْمَالِ تَرْكَهُ كُفْرٌ غَيْرَ الصَّلَاةِ.  ‘নবী করীম (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ ছালাত ছাড়া অন্য কোন আমল ত্যাগ করাকে কুফরি মনে করতেন না’ (তিরমিযী, হা/২৬২২; মিশকাত, হা/৫৭৯, সনদ ছহীহ)। উক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি ছিয়াম রাখে কিন্তু ছালাত না পড়ে তবে তার ছিয়াম প্রত্যাখ্যাত, গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে কোন উপকারে আসবে না (ফাতাওয়াছ ছিয়াম, পৃ. ৮৭)।


প্রশ্নকারী : জাহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (৩) : ছালাতের শেষ বৈঠকে ভুল করে তাশাহহুদ পাঠ করার পর দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মৃত ব্যক্তিকে ক্ববর দেয়ার কয়েক মাস পর ধসে নিচু হয়ে গেছে। তাতে বিভিন্ন ধরনের জীবজন্তু বসবাস করে। প্রশ্ন হল, এখন সেই নিচু ক্ববরগুলোকে ভরাট করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : জনৈক বক্তা বলেছেন, হজ্জ করার পূর্বে কোন অবস্থাতেই ওমরাহ পালন করা যাবে না? উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : এক জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু জমির দলীল হয়নি। উক্ত জায়গায় ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ইমাম ক্বিরায়াত উচ্চৈঃস্বরে পড়বে এবং মুক্তাদিরা আস্তে পড়বে তার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আমি ৩ মাসের গর্ভবতী। রাতে আমার শরীর ঝিম ঝিম করে এবং ভয় পায়, কিছু খেলে পেট ব্যথা করে। এই কারণে আমি একজন হুজুর দ্বারা ঝাড়ফুঁক করিয়ে নিয়েছি। প্রশ্ন হল- এই ঝাড়ফুঁক করার কারণে আমার গর্ভের সন্তানের কোন ক্ষতি হবে কি? আর যদি ক্ষতি হয় তাহলে এই ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কথিত রয়েছে যে, সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগে আল্লাহ জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে আমাদের প্রশ্ন করেছিল। আল্লাহ নাকি আমাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তোমরা কেমন জীবনসঙ্গী চাও? তখন আমরা বললাম, আমরা কেমন চাই। তারপর আল্লাহ বললেন যে তোমরা যেমন চেয়েছো তেমনই তোমাদের দেয়া হবে। এ কথাটা কতুটু সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আমাদের এলাকায় অনেকেই ফজর ছালাতের পর ১৯ বার ‘বিসমিল্লা-হ’ পাঠ করে থাকে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : তিলাওয়াতে সিজদাহর নিয়ম কী এবং এ জন্য কোন নির্দিষ্ট কোন দু‘আ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : টাখনুর নীচে কাপড় পরিধান করা অহংকারের লক্ষণ। প্রশ্ন হল- কেউ অহংকার না করে টাখনুর নীচে কাপড় ঝুলিয়ে পরতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ডাক্তাররা বলে থাকে চিপস, জুস, চকলেট, সাদা চিনি শরীর এর জন্য ক্ষতিকর। এখন প্রশ্ন হলো এই গুলা বিক্রি করা জায়েয কিনা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : দীর্ঘ মেয়াদী ঋণী ব্যক্তি কি হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ