রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছালাত পরিত্যাগকারীর যাকাত, ছিয়াম, হজ্জ কোন আমলই কবুল হবে না। বরং সব আমল বাতিল হবে (ত্বাবারাণী, আল-আওসাত্ব হা/১৮৫৯, সনদ ছহীহ)। বুরাইদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,  مَنْ تَرَكَ صَلاَةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ ‘যে ব্যক্তি আছরের ছালাত পরিত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৫৩; মিশকাত, হা/৫৯৫)। ‘তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়’-এর অর্থ হল, তা বাতিল হয়ে যায় এবং তা তার কোন কাজে আসবে না। এ হাদীছ প্রমাণ করে যে, ছালাত পরিত্যাগকারীর কোন আমল আল্লাহ কবুল করেন না এবং ছালাত ত্যাগকারী তার আমল দ্বারা কোনভাবে উপকৃত হবে না। তার কোন আমল আল্লাহর কাছে উত্তোলন করা হবে না (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৪৯৬৯৮)।

শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে ছালাত পরিত্যাগকারীর ছিয়াম রাখার হুকুম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ছালাত পরিত্যাগকারীরা শুদ্ধ নয় এবং তা কবুলযোগ্য নয়। কারণ ছালাত ত্যাগকারী কাফের ও মুরতাদ। তিনি দলীল হিসাবে নিম্নোক্ত আয়াত ও হাদীছগুলো পেশ করেছেন। আল্লাহ‌ তা‘আলা বলেন,

فَاِنۡ تَابُوۡا وَ اَقَامُوا الصَّلٰوۃَ وَ اٰتَوُا الزَّکٰوۃَ  فَاِخۡوَانُکُمۡ فِی الدِّیۡنِ

‘আর যদি তারা তওবা করে, ছালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই’ (সূরা আত-তওবাহ  : ১১)। নবী বলেছেন, بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاةِ ‘কোন ব্যক্তির মাঝে এবং শি‌রক ও কুফরের মাঝে সংযোগ হচ্ছে ছালাত বর্জন করা’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৮২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরো বলেন, ‘আমাদের ও তাদের মধ্যে চুক্তি হলো ছালাতের। সুতরাং যে ব্যক্তি ছালাত ত্যাগ করল, সে কুফরি করল’ (তিরমিযী, হা/২৬২১, সনদ ছহীহ)। ছাহাবীগণও এই অভিমত পোষণ করতেন। প্রসিদ্ধ তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনে শাক্বিক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, كَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ ﷺ لَا يَرَوْنَ شَيْئًا مِنَ الْأَعْمَالِ تَرْكَهُ كُفْرٌ غَيْرَ الصَّلَاةِ.  ‘নবী করীম (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ ছালাত ছাড়া অন্য কোন আমল ত্যাগ করাকে কুফরি মনে করতেন না’ (তিরমিযী, হা/২৬২২; মিশকাত, হা/৫৭৯, সনদ ছহীহ)। উক্ত আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি ছিয়াম রাখে কিন্তু ছালাত না পড়ে তবে তার ছিয়াম প্রত্যাখ্যাত, গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ্র কাছে কোন উপকারে আসবে না (ফাতাওয়াছ ছিয়াম, পৃ. ৮৭)।


প্রশ্নকারী : জাহিদুল ইসলাম, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (১৬) : ঘুষের বিনিময়ে চাকরি নিলে সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : যারা সরকারী এবং বেসরকারী ভাবে বিদেশে (অমুসলিম দেশে) চাকরীর উদ্দেশ্যে যেতে চায়, তাদেরকে সেই দেশের ভাষা শেখানো এবং কাগজপত্র প্রস্তুতির বিনিময়ে টাকা নেয়া জায়েয হবে কি? উল্লেখ্য, আমরা কাউকে উৎসাহিত করছি না। শুধু যারা আগ্রহী তাদেরকে সহযোগিতা করতে চাচ্ছি। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘খাবার খেয়ে শুকরিয়া আদায়কারী ধৈর্যশীল ছওমপালনকারীর ন্যায়’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : এক সাথে তিন ত্বালাক্ব দিলে বিবাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘ছালাতের প্রথম ওয়াক্ত আল্লাহ সন্তুষ্টি আর শেষ ওয়াক্ত আল্লাহ ক্ষমা’ (তিরমিযী, হা/১৭২, ১/৪৩ পৃ.) মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ, না-কি জাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্লাব আছে যেমন ঢাকা, উত্তরা, গুলশান ক্লাব ইত্যাদি। এগুলোতে চাকুরী করলে বেতন বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রামাযানের শেষ দশকের বেজোড় কোন রাত যদি জুম‘আহ বারে পড়ে, তাহলে সে রাত্রি লাইলাতুল ক্বদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক’। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মৃত অবস্থায় যে বাচ্চা জন্ম নেয়, তার জানাজা পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের জন্য অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব বা যা ইসলামে হারাম করা হয়েছে সেসবের ডিজাইন করতে হয়। আবার কোন সময় গানের ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়। এক্ষেত্রে কেউ গান শুনলে ডিজাইনার কি গুনাহ পেতে থাকব? আবার বিদেশী নারী ক্লায়েন্টের জন্য বিদেশী নারীদের ছবি ডিজাইনের কাজ করতে হয়। প্রশ্ন হল- এরকম ডিজাইনের কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : গ্রাম অঞ্চলে অল্প শিক্ষিত মহিলারা রাগের মাথায় গালি দেয়, ‘আল্লার ঘরের আল্লা আমার কপালে শান্তি দিলা না’ (নাউজুবিল্লাহ)। এই কথা বললে সে কি মুসলিম থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ইমাম সাহেব, মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে জুমু‘আর বয়ানে বলেছিলেন যে, আপনারা হজ্জের জন্য আল্লাহর কাছে খাছ দিলে দু‘আ করুন, আল্লাহ অবশ্যই দু‘আ কবুল করবেন। কেননা পিপিলিকা এবং কবুতর আল্লাহর কাছে কা‘বা ঘর ত্বাওয়াফ করতে চেয়েছিল, আল্লাহ তাদের দু‘আ কবুল করে জিবরীলকে আদেশ দিলেন তাদেরকে কা‘বা ঘরে পৌঁছে দিতে। এ ঘটনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : যাকাতের অর্থ দ্বারা মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ