রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামী বই-পুস্তক একটির উপর অন্যটি রাখতে কোন অসুবিধা নেই। তবে মুছহাফ বা কুরআন গ্রন্থের উপরে ইসলামী বই-পুস্তক রাখা যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ذٰلِکَ ٭ وَ مَنۡ یُّعَظِّمۡ شَعَآئِرَ  اللّٰہِ فَاِنَّہَا مِنۡ  تَقۡوَی  الۡقُلُوۡبِ ‘আল্লাহর নিদর্শনকে যে সম্মান করে, এটা তার তাক্বওয়ার পরিচয়’ (সূরা আল-হজ্জ : ৩২)। আল-হাকীম আত-তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মুছহাফের মর্যাদা হচ্ছে- মুছহাফকে খোলা না রাখা। এবং তার উপর অন্য কোন বই না রাখা; যাতে করে মুছহাফ সবসময় অন্য সকল কিতাবের উপরে থাকে’ (নাওয়াদিরুল উছূল, ৩য় খণ্ড, পৃ. ২৫৪)।

ইসলামী বই-পুস্তকের উপর সাংস্কৃতিক বই-পুস্তক কিংবা অন্য বিষয়ের বই-পুস্তক রাখা বাঞ্ছনীয় নয়। অনুরূপভাবে ইসলামী বই-পুস্তকের উপর অন্য কোন জিনিস পত্র যেমন-পাত্র, পোশাক-আশাক, খাবার-দাবার ইত্যাদি রাখা ঠিক নয়। কারণ এ সব গ্রন্থে আল্লাহর যিকির আছে ও ইসলামী জ্ঞান রয়েছে, যা সম্মানজনক। আল-হাইছামী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘হালিমীর মত বায়হাক্বীও বলেছেন, উত্তম হচ্ছে মুছহাফের উপর মুছহাফ ছাড়া অন্য কোন কিতাব বা কাপড় না রাখা। হালিমী এর সাথে আরও যুক্ত করেছেন যে, হাদীছের গ্রন্থাবলীও। অর্থাৎ হাদীছের গ্রন্থাবলীও মুছহাফের উপর রাখা যাবে না’ (আল-ফাতাওয়া আল-হাদীছাহ, পৃ. ১৬৪)। তবে কখনো কখনো এর বিধান হারাম পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। যদি শারঈ গ্রন্থাবলীর প্রতি অবজ্ঞা ও অপমান স্বরূপ সেটা করা হয়। ইবনুল মুফলিহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ইবনু আব্দুল কাউয়্যি তাঁর লিখিত ‘মাজমাঊল বাহরাইন’ গ্রন্থে বলেন, ‘সর্বসম্মতিক্রমে মুছহাফের উপর, হাদীছের কিতাবের উপর কিংবা যে সব কিতাবে কিছু আয়াত আছে সে সব কিতাবের উপর ঠেক দেয়া হারাম’ (আল-আদাবুশ শারইয়্যাহ, ২য় খণ্ড, পৃ. ৩৯৩)।


প্রশ্নকারী : সামীউল ইসলাম, দারুশা, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২৩) : সুস্থ সক্ষম পিতা-মাতার জন্য বদলি ওমরাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঈদুল আযহার চাঁদ দেখা দিলে, আক্বীক্বার জন্য পশু যব্হ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : আল্লাহ তা‘আলার বাণী- ‘নিশ্চয় আপনি যাকে ভালোবাসেন ইচ্ছে করলেই তাকে হেদায়াত দিতে পারবেন না’ (সূরা আল-ক্বাছাছ : ৫৬) এবং তাঁর বাণী: ‘নিশ্চয় আপনি সরল পথের দিকে হেদায়াত করেন’ (সূরা আশ-শূরা : ৫২)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের মাঝে সমন্বয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক আলেম বলেন, ফজরের পর ঘুমানো যাবে না। কারণ এই সময় বরকত নাযিল হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : শাসক, লেখক অথবা সরদার না হয়ে মৃত্যুবরণ করলে সফলকাম হওয়া যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : আমরা সাধারণ জনগণ হয়ে কিভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : শুধু বেজোড় রাত্রিগুলোতে ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ইবনু মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, ‘কষ্ট যদি একটি গর্তেও প্রবেশ করে, স্বস্তি একে অনুসরণ করে এতে প্রবেশ করবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান) মর্মে বর্ণানটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক লেখক তার বইয়ে লিখেছেন যে, আশূরার দিনেই আদম (আলাইহিস সালাম)-এর তাওবা কবুল হয়েছে, নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর নৌকা যেদিন জূদী পাহাড়ে থেমেছিল, এই দিনেই ইউনুস (আলাইহিস সালাম)-এর দু‘আ কবুল হয়েছিল। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সূরা ইয়াসীন ও ত্বা-হা পাঠের ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে (দারেমী, হা/৩৪১৪; মিশকাত, হা/২১৪৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৪৫, ৫/১৮ পৃ.)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অনেক মসজিদে ইমাম ফরয ছালাতের সালাম ফিরানোর পরে মুনাজাত শেষ করে মাথার হাত রেখে কী যেন পড়ে। এর পক্ষে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, বড় বড় আলেমকে মাওলানা, হযরত না বলে শায়খ বলতে হবে। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ