রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
উত্তর :‘ওয়াহ্হাবী’ কথাটি কুরআন-সুন্নাহর প্রকৃত অনুসারী আহলুল হাদীছ বা সালাফীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত গালি হিসাবে সমাজে প্রচলিত। এটা মিথ্যাচার, তথ্য সন্ত্রাস এবং গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। অন্যান্য বিকৃত মাযহাবের মত এটা কোন মাযহাবও নয়। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব (রাহিমাহুল্লাহ) শিরক-বিদ‘আত ও জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে যে সংস্কার আন্দোলন করেছিলেন, সেটা ছিল রাসূল (ﷺ) ও ছাহাবায়ে কেরামের দাওয়াত ও তাবলীগের অনুকরণে একটি বিশেষ শুদ্ধি আন্দোলন। আর আহলেহাদীছগণও সারা বিশ্বে এই সংস্কারমূলক দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তাই পথভ্রষ্ট বিদ‘আতী ও মাযারপূজারীরা এই সংস্কার আন্দোলনকে সহ্য করতে না পেরে আহলেহাদীছ বা সালাফীদেরকে ‘ওয়াহ্হাবী’ নামে চিত্রিত করে এবং অপপ্রচার চালায়।

১২০০ হিজরী শতক বা ১৭০০ খ্রিষ্টীয় শতকে যখন সঊদী আরবের মুসলিমরা জাহিলিয়্যাতের যুগের ন্যায় পুনরায় শিরকের গভীর গহিনে হাবুডুবু খাচ্ছিল। বিদ‘আত ও কুসংস্কারের কালো মেঘে ঢাকা পড়েছিল সুন্নাতের পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন আকাশ। ঠিক তখনই ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব (রাহিমাহুল্লাহ) রাসূল (ﷺ)-এর দেখানো পদ্ধতিতে আরবের বুক থেকে শিরক ও বিদ‘আতকে উৎখাত করে কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেন। কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর অনুসারীদের নিয়ে সফল আন্দোলন গড়ে তোলেন। এটাই ছিল তাঁর অপরাধ। তিনি তৎকালীন সঊদী আরবের শাসক মুহাম্মাদ ইবনু সাঊদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভূপৃষ্ঠের উপর থেকে কুসংস্কার, জাহিলিয়্যাত ও শিরকের মূলোৎপাটন করে তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর মাধ্যমেই সঊদী আরবকে শিরকমুক্ত করেছিলেন। এরপর থেকেই মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব নামটি মাযার পূজারী, ক্ববর পূজারী, বিদ‘আতীদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠে। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে, যখনই কেউ ক্ববর, মাযার বা বিদ‘আতের প্রতিবাদ করে, তখন তাঁকে ওয়াহ্হাবী, নবীর দুশমন ইত্যাদি অপবাদ দেয়া হয়।

‘ওয়াহ্হাবী’ নামটি এ আন্দোলনের কর্ণধার মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব বা তাঁর অনুসারীদের দেয়া নয়। পরবর্তীতে বিদ্বেষবশতঃ এই নামে চিত্রিত করা হয়েছে। হাসান ইবনু আব্দুল্লাহ আলে শায়খ এ সম্পর্কে বলেন, ‘ওয়াহ্হাবিয়্যাহ বিশেষণটি এ আন্দোলনের অনুগামীরা সৃষ্টি করেনি। বরং তাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদেরকে পৃথক করার জন্য এটা ব্যবহার করে যেন মানুষ তাদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকে এবং শ্রোতারা মনে করে যে, এ আন্দোলন প্রচলিত বড় বড় চারটি মাযহাবের বিপরীতে পঞ্চম একটি মাযহাব নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। তবে এ আন্দোলনের কর্মীরা নিজেদেরকে ‘সালাফী’ এবং তাদের দাওয়াতকে ‘সালাফী দাওয়াত’ বলে আখ্যায়িত করাকেই অধিক পসন্দ করতেন (আল-ওয়াহ্হাবিয়াহ ওয়া যাঈমুহা মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব, ৮/৮২১ পৃ.)। ষড়যন্ত্রমূলক এই কথাটি আজও সারাবিশ্বে প্রচলিত। অথচ আসল রহস্য অনেকেই জানে না।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, মাদারীপুর।





প্রশ্ন (৩৫) : কোন্ ধরণের ইমামের পিছনে ছালাত হবে না? পাড়ার ইমাম আমলগত বিদ‘আত করে এমন ইমামের বেতন ভাতার জন্য দান করা করা যাবে কি? আবার বাইরে কোথাও গেলে আমি ইমামের আক্বীদা সম্পর্কে জানি না, তখন কী করব? একাই ছালাত আদায় করব, না-কি জামা‘আতে ঐ ইমামের সাথে আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আমার বাবা সূদের উপরে টাকা নিয়ে গরুর খামার দিতে যাচ্ছে আমি ঐ খামারে কাজ করতে চাচ্ছি না বিধায় আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাচ্ছেন। এখন আমার কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : জনৈক এক আলেম বলেছেন, দু‘আয়ে কুনুত ছাড়া বিতর ছালাত হবে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? বিতর ছালাত দু‘আয়ে কুনুত ছাড়া শুদ্ধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কথিত রয়েছে যে, সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগে আল্লাহ জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে আমাদের প্রশ্ন করেছিল। আল্লাহ নাকি আমাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তোমরা কেমন জীবনসঙ্গী চাও? তখন আমরা বললাম, আমরা কেমন চাই। তারপর আল্লাহ বললেন যে তোমরা যেমন চেয়েছো তেমনই তোমাদের দেয়া হবে। এ কথাটা কতুটু সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘আমি তখনও ছিলাম নবী; আদম (আলাইহিস সালাম) যখন রূহ এবং দেহের মধ্যে ছিলেন’ (আহমাদ, হা/১৭১৬৩; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/৩৭৩) মর্মে হাদীছটি কি ছহীহ? এই হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যেকোন কাজ আল্লাহর জন্য করতে চাইলেও মনের মধ্যে রিয়া প্রভাব বিস্তার করে। যেমন ছালাতের ক্ষেত্রে, দান-ছাদাক্বার ক্ষেত্রে। এমতাবস্থায় কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জুমু‘আর খুৎবাহ বসে বসে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার বাবা একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। তার কাজ মূলত সদস্যকে ঋণ দেয়া। তার ইনকাম কি হালাল? যদি হালাল না হয় তাহলে তিনি তার বেতনের টাকা দিয়ে আমাকে একটি মোবাইল এবং একটি ল্যাপটপ কিনে দিয়েছেন। এখন আমি এই মোবাইল বা ল্যাপটপ দিয়ে যদি অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং বা কোন কাজ করে টাকা ইনকাম করি তাহলে সেই টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : হাদীছে এসেছে, ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মধ্যে একটা হল- তারা ঝাড়-ফুঁকের আশ্রয় নিবে না। অথচ হাদীছ থেকে আমরা জানতে পারি, ঝাড়-ফুঁক বৈধ। যেমন সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা। প্রশ্ন হল-ঝাড়-ফুঁক না করলে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে, তাহলে সেটা কী ধরনের ঝাড়-ফুঁক?- - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : শরী‘আতে জন্মদিন পালন করার বিধান কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বয়স কমিয়ে দিয়ে জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে বিষয়টি হারাম জানার পরে জন্ম নিবন্ধন ও অন্যান্য সার্টিফিকেট পুনরায় ঠিক করতে অনেক সময় ও অর্থ খরচ হবে এবং অনেক হয়রানির শিকার হতে হবে। এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : অনিচ্ছাকৃতভাবে পাওয়া সূদের অর্থ কোথায় ব্যয় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ