মঙ্গলবার, ০২ Jun ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত পদ্ধতিতে জমি বন্ধক রাখা এবং তার দ্বারা উপকৃত হওয়া জায়েয নয়। এটা স্পষ্ট সূদী ঋণের অন্তর্ভুক্ত, যা হারাম (বুখারী, হা/৩৮১৪; বায়হাক্বী, শু‘আাবুল ঈমান হা/৫৫৩৩; মিশকাত, হা/২৮৩৩)। ইমাম ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘ঋণের নিরাপত্তা স্বরূপ জমি-জায়গা, গৃহ, বৃক্ষ, দোকান, গাড়ি, পোশাক, অলংকার অথবা এছাড়া অন্য কিছু বন্ধক রাখা দোষনীয় নয়। কিন্তু যদি বন্ধকগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত উক্ত জমি চাষ করে লাভবান হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে, তবে তা সূদ হিসাবে বিবেচিত হবে, আর এটি নাজায়েয। কেননা এর অর্থ এটিই যে, সে ঋণ প্রদানের বিনিময় স্বরূপ তার থেকে লাভবান হচ্ছে, সুতরাং এটি জায়েয নয়। এই রকম হারাম বাহানা বা অজুহাত থেকে সতর্ক থাকা অপরিহার্য। রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ ঋণ প্রদানের বিনিময় স্বরূপ ঋণগ্রহীতার নিকট থেকে কোন কিছু গ্রহণ করা সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন করেছেন। কেননা এটি সূদের অন্তর্ভুক্ত। জমি বা বৃক্ষ থেকে উৎপন্ন ফসলে বন্ধকগ্রহীতার কোন অংশ নেই। বরং উক্ত ফসল বা ফল জমির মূল মালিকের হবে, অথবা ঋণদাতা ইজারা বা লীজ (খবধংব) হিসাবে চাষ করতে পারে, সেক্ষেত্রে সেই এলাকার বাজারদর হিসাবে লীজের মূল্য মূল মালিককে প্রদান করতে হবে, অথবা সেই পরিমাণ ঋণ বিয়োগ করতে হবে’ (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ইবনে বায, ১৯/২০০-২০৪; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৯/৩১০-৩১১ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৩৩২১)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘ঋণদাতার জন্য ঋণগ্রহীতার নিকট ঋণ প্রদানের বিনিময়ে লাভবান হওয়ার শর্তারোপ করা জায়েয নয়। আলেমগণ এ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। সুতরাং ঋণ প্রদানের বিনিময়ে জমি থেকে উৎপন্ন ফসল দ্বারা লাভবান হওয়া জায়েয নয়। কেননা বন্ধকের উদ্দেশ্যে হল- মালের নিরাপত্তা ও ঋণ আদায়ে সহায়তা করা, লাভবান করা নয়’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১৪/১৭৭-১৭৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : ওয়াহিদুল ইসলাম, নওগাঁ।





প্রশ্ন (৮) : আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে চাঁদ দেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সর্বশেষ জান্নাতী ব্যক্তি কে? হাদীছে উল্লেখ আছে যে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে এই দুনিয়ার দশগুণ দিবেন। প্রশ্ন হল- সেটা কি আমাদের পৃথিবীর দশগুণ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : মোবাইল দিয়ে ছবি তুলা কি জায়েয? কোন মহিলা ফেইসবুকে ছবি এমনকি পর্দাওয়ালা ছবিও দিতে পারে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বর্তমানে ডিজিটাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট করে বিভিন্ন উপায়ে অনলাইনে টাকা ইনকাম করা যায়। যেমন: গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি ইত্যাদি। সেখানে কেউ যদি সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বা ইউটিউব মার্কেটিংয়ের কাজ করে, তাহলে কি তা সম্পূর্ণ হারাম হবে? কারণ এই কাজগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায় কমবেশি মেয়েদের ছবি/ভিডিও থাকে। কাজগুলো মূলত প্রমোশনাল বেইজড। ফলোয়ার/সাবস্ক্রাইব/ভিজিটর/প্রডাক্টের সেল বৃদ্ধি করা ইত্যাদি। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : জনৈক বক্তা বলেন, আহলেহাদীছ আলেমরা কুরআনের ব্যাখ্যা কুরআনে খুঁজে পান না, সেজন্য তারা হাদীছের সন্ধান করেন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বিয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ত কী কী? স্বামীর আক্বীদা ছহীহ না হলে বিবাহ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মসজিদের সামনে কবর আছে এবং কবর ও মসজিদের মাঝে কোন প্রাচীর নেই। এখন করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : তৃতীয় সিজারের সময় ডাক্তাররা মহিলার নাড়ি উল্টিয়ে দেয়। কারণ ৪র্থ সন্তান আসলে মহিলার জীবনের ঝুঁকি রয়েছে। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘যে ব্যক্তি জুম‘আর দিনে আমার উপর ৮০ বার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন’ মর্মে প্রচলিত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মসজিদের ফরয ছালাত কিংবা জুম‘আর ছালাতের পর কেউ কেউ পিতা-মাতা বা নিজের রোগমুক্তির জন্য সবার কাছে দু‘আ চায়। অনেকে ইমামের নিকট পত্র লিখে দু‘আ চায়। এভাবে কেউ দু‘আ চাইলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জনৈক আলেম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমু‘আর দিন তার মাতা-পিতা অথবা তাদের মধ্যে কোন একজনের কবর যিয়ারত করবে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী বলে লেখা হবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান হা/৭৯০১)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ