রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
উত্তর : উক্ত দাবী ভিত্তিহীন ও উদ্ভট। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পড়লেন ৮ রাক‘আত আর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ২০ রাক‘আত পড়ে কি তাঁর বিরোধিতা করলেন না? (নাঊযুবিল্লাহ)। ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে বিশ রাক‘আত চালু ছিল মর্মে যে বর্ণনাগুলো এসেছে, সেগুলো সবই যঈফ ও মুনকার। বরং তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাতের আলোকে ১১ রাক‘আতই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সায়েব ইবনু ইয়াযীদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ওবাই বিন কা‘ব ও তামীম দারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে রামাযান মাসে ১১ রাক‘আত তারাবীহর ছালাত পড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন (মুওয়াত্ত্বা, ১/১১৫ পৃ.; মিশকাত ১১৫ পৃ., হা/১৩০২ ‘ছালাত’ অধ্যায়, ‘রামাযানে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ)।

২০ রাক‘আতের উপর ইজমা হয়েছে, এ দাবীও মিথ্যা। কারণ ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সময়ে ২০ রাক‘আতের অস্তিত্বই ছিল না। এর পক্ষে যে বর্ণনাগুলো এসেছে তার সবই জাল, যঈফ ও ভিত্তিহীন। সুতরাং জাল ও দুর্বল সূত্রের উপর ভিত্তি করে যদি কোন বিষয়ে ইজমা করা হয়, তাহলে সেটাও হবে জাল ও দুর্বল। যেমনটি শায়খ আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, لَايَعْلُوْ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ بُنِىَ عَلَى ضَعِيْفٍ وَمَا بُنِىَ عَلىَ ضَعِيْفٍ فَهُوَ ضَعِيْفٌ ‘এই ইজমার প্রতি কখনো বিশ্বাসভাজন হওয়া যাবে না, কারণ তা দুর্বল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আর দুর্বল ভিত্তির উপর যা গড়ে উঠে, সেটাও দুর্বল হয়’ (আলবানী, ছালাতুত তারাবীহ, পৃ. ৭২)। শায়খ আবদুর রহমান মুবারকপুরী (রাহিমাহুল্লাহ) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, دَعْوَى الْإِجْمَاعِ عَلَى عِشْرِيْنَ رَكْعَةً وَاسْتِقْرَارُ الْأَمْرِ عَلَى ذَلِكَ فِى الْأَمْصَارِ بَاطِلَةٌ جِدًّا.  ‘বিশ রাক‘আতের প্রতি ইজমা হয়েছে এবং সর্বত্র তা স্থায়ী হয়েছে, এই দাবী চরম মিথ্যা’ (তুহফাতুল আহওয়াযী, ৩য় খ-, পৃ. ৪৪৭)।

প্রশ্নকারী : কামরুল, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৫) : আদম এবং হাওয়া (আলাইহিমাস সালাম)-এর বিয়ে কে পড়িয়েছেন এবং তাদের বিয়ের মোহর কত ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কুরআন খতমের পর নিম্নের দু‘আ পড়ার কোন ছহীহ দলীল আছে কি? اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي بالقُرْءَانِ وَاجْعَلهُ لِي إِمَاماً وَنُوراً وَهُدًى وَرَحْمَةً اللَّهُمَّ ذَكِّرْنِي مِنْهُ مَانَسِيتُ وَعَلِّمْنِي مِنْهُ مَاجَهِلْتُ وَارْزُقْنِي تِلاَوَتَهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَأَطْرَافَ النَّهَارِ وَاجْعَلْهُ لِي حُجَّةً يَارَبَّ العَالَمِينَ - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মাদরাসায় যাকাতের টাকা দেয়া যাবে কি? মাদরাসার ভবন নির্মাণ বা জমি কেনার কাজে ব্যবহার করলে বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক আলেম বলেন, গান শুনলে ক্বিয়ামতের দিন কানের ভিতরে গরম সীসা ঢেলে দেয়া হবে। এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : তারাবীহর ছালাতে এক ব্যক্তি দু’বার দুই জায়গায় ইমামতি করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক মৃত ব্যক্তির ১ জন স্ত্রী রয়েছে, ৩ জন কন্যা সন্তান রয়েছে, কোন পুত্র সন্তান নেই, ১ জন বোন রয়েছে এবং ৮ জন ভাতিজা রয়েছে। তবে ঐ মৃত ব্যক্তির কোন ভাই জীবিত নেই। এক্ষণে ঐ মৃতের সম্পদে কে কতটুকু অংশীদার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মাইয়েতকে কবর দেয়ার সময় কবরের চার পাশে চারটি খেজুরের ডাল পোঁতা হয় এবং চার কুল পড়া হয়। এর কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) :  জনৈক আলেম বলেছেন, মুমিনরা সবাই আল্লাহর ওলী। কিন্তু অন্যজন বলেছেন, কারা আল্লাহর ওলী তা আমরা কেউই জানি না। এ বিষয়ে সঠিক সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : বিকাশে লেনদেন করলে বিভিন্ন সময় ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। এই ক্যাশব্যাক কি গ্রহণ করা যাবে? আবার বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে বছর শেষে চার্জ কাটা হয়। এই ব্যাংক চার্জ কি ঐ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সূদের টাকা থেকে বাদ দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সূরা নিসার ৯৩ আয়াতে বলা হয়েছে যে, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে সে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে’। আর হাদীছে আছে, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান আছে সে একদিন জান্নাতে যাবে’। চিরকাল মানে অনন্তকাল বোঝায়। প্রশ্ন হল- এক জায়গায় বলা হচ্ছে চিরকাল জাহান্নামে যাবে আর এক জায়গায় বলা হচ্ছে যে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। এই দু’টি কি বিরোধী নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কাফির ও মুুশরিকের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : নাফসের শিরক বলতে কী বুঝায়? নাফসের আনুগত্য বলতে কী বুঝায়? যেমন, সিনেমা দেখা, নন-মাহরামের মন রক্ষার্থে কথা বলা অথবা ইচ্ছা করেই জোহরের সুন্নাত ছালাত ছেড়ে দেয়া প্রভৃতি কাজ কি নাফসের আনুগত্যের মাঝে পড়ে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ