বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত দাবী ভিত্তিহীন ও উদ্ভট। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পড়লেন ৮ রাক‘আত আর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ২০ রাক‘আত পড়ে কি তাঁর বিরোধিতা করলেন না? (নাঊযুবিল্লাহ)। ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে বিশ রাক‘আত চালু ছিল মর্মে যে বর্ণনাগুলো এসেছে, সেগুলো সবই যঈফ ও মুনকার। বরং তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাতের আলোকে ১১ রাক‘আতই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সায়েব ইবনু ইয়াযীদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ওবাই বিন কা‘ব ও তামীম দারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে রামাযান মাসে ১১ রাক‘আত তারাবীহর ছালাত পড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন (মুওয়াত্ত্বা, ১/১১৫ পৃ.; মিশকাত ১১৫ পৃ., হা/১৩০২ ‘ছালাত’ অধ্যায়, ‘রামাযানে রাত্রি জাগরণ’ অনুচ্ছেদ)।

২০ রাক‘আতের উপর ইজমা হয়েছে, এ দাবীও মিথ্যা। কারণ ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সময়ে ২০ রাক‘আতের অস্তিত্বই ছিল না। এর পক্ষে যে বর্ণনাগুলো এসেছে তার সবই জাল, যঈফ ও ভিত্তিহীন। সুতরাং জাল ও দুর্বল সূত্রের উপর ভিত্তি করে যদি কোন বিষয়ে ইজমা করা হয়, তাহলে সেটাও হবে জাল ও দুর্বল। যেমনটি শায়খ আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, لَايَعْلُوْ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ بُنِىَ عَلَى ضَعِيْفٍ وَمَا بُنِىَ عَلىَ ضَعِيْفٍ فَهُوَ ضَعِيْفٌ ‘এই ইজমার প্রতি কখনো বিশ্বাসভাজন হওয়া যাবে না, কারণ তা দুর্বল ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। আর দুর্বল ভিত্তির উপর যা গড়ে উঠে, সেটাও দুর্বল হয়’ (আলবানী, ছালাতুত তারাবীহ, পৃ. ৭২)। শায়খ আবদুর রহমান মুবারকপুরী (রাহিমাহুল্লাহ) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, دَعْوَى الْإِجْمَاعِ عَلَى عِشْرِيْنَ رَكْعَةً وَاسْتِقْرَارُ الْأَمْرِ عَلَى ذَلِكَ فِى الْأَمْصَارِ بَاطِلَةٌ جِدًّا.  ‘বিশ রাক‘আতের প্রতি ইজমা হয়েছে এবং সর্বত্র তা স্থায়ী হয়েছে, এই দাবী চরম মিথ্যা’ (তুহফাতুল আহওয়াযী, ৩য় খ-, পৃ. ৪৪৭)।

প্রশ্নকারী : কামরুল, সিরাজগঞ্জ।





প্রশ্ন (৬) : কোন্ ব্যক্তি ছিয়ামের ফিদইয়া দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কোন্ ছাহাবী তাঁর হাত দিয়ে আগুনকে পাহাড়ের গর্তে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম অবস্থায় ক্যাথেটার ও সাপোজিটোরী ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : নখে রঙ লাগিয়ে তথা নেইল পলিশ লাগিয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ছালাত এ রুকূর সময় দৃষ্টি কোথায় থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): সাহু সিজদার সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ক্বিয়ামতের আগে কোন মুমিন থাকবে না এবং কেউ আল্লাহর নাম স্মরণ করবে না। এটি কি ক্বিয়ামতের পূর্বমুহূর্র্তে, না-কি দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পূর্ববর্তী সময়ে? উল্লেখ্য, ক্বিয়ামতের পূর্বে মুমিনদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং দ্বীনের বিজয় হবে। তাহলে এর ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : কবর যিয়ারত করা যাবে কি? যিয়ারতে সঠিক নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মাওলানা আবু তাহের বর্ধমানী রচিত ‘কাট হুজ্জতির জওবাব’ বইয়ের ২৫ পৃষ্ঠায় একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন আহলেহাদীছগণ আমলনামাসহ উপস্থিত হবেন। তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা আহলেহাদীছ বেহেশতে প্রবেশ কর’ (ত্বাবারাণী, আল-ক্বাওলুল বাদী, পৃ. ১৮৯)। উক্ত হাদীছটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, ‘তাঁর উম্মতকে রামাযান মাসের শেষ রাতে মাফ করা হয়। জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ)! এটা কি ক্বদরের রাত্রি? তিনি বললেন, না; বরং এই কারণে যে, কর্মচারীর বেতন দেয়া হয়, যখন সে তার কর্ম শেষ করে (আহমাদ, হা/৭৯০৪; মিশকাত, হা/১৯৬৮) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরআন মাজীদ পড়ার সুন্নাতী আদবগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমি সফরে নিদিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করি। বাড়ি থেকে সকালে বের হয়ে আবার রাতের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসি। প্রশ্ন হল- এরকম সময় আমি কি ছালাত কছর করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ