বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২০ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহর বিধানকে অকাট্য প্রমাণ করার জন্য বিভিন্ন মু‘জিযা প্রদান করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক যুগের নবীকে যুগোপযোগী বিশেষ বিশেষ মু‘জিযা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগে যাদুর খুব প্রচলন ছিল এবং যাদুকরদেরকে অত্যন্ত সম্মান করা হত। তাই আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যে, যাদুকরগণ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে এবং তাদের পূর্ণ বিশ্বাস তৈরি হয় যে, এটা কখনও যাদু হতে পারে না, বরং এটা মহাপ্রতাপশালী আল্লাহর একটা বড় দান। অতএব তারা অবনত মস্তকে মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং অবশেষে তারা আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হয়। অনুরূপভাবে ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগটা ছিল চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের যুগ। তথায় তখন বড় বড় বৈজ্ঞানিক এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিদ্যমান ছিল। সুতরাং মহান আল্লাহ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যার সামনে ঐ বড় বড় চিকিৎসকগণ হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। জন্মান্ধকে চক্ষু দান করা, শ্বেতকুষ্ঠ রোগীকে নিরাময় করা ও নির্জীব পদার্থের মধ্যে প্রাণ দেয়া এবং সমাধিস্থ ব্যক্তিকে জীবিত করার ক্ষমতা কোন ব্যক্তির রয়েছে? একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশক্রমে মু‘জিযা স্বরূপ তাঁর দ্বারা এ সমুদয় কার্য সাধিত হয়। অনুরূপভাবে যে যুগে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর আবির্ভাব ঘটে সেটা ছিল সাহিত্য, কবিতা ও বাকপটতার যুগ। এসব বিষয়ে খ্যাতনামা কবিগণ এমন পূর্ণতা অর্জন করেছিল যে, সারা দুনিয়া তাদের সামনে মাথা হেঁট করেছিল। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ﷺ)-কে এমন এক বিস্ময়কর গ্রন্থ দান করলেন যার ঔজ্জ্বল্যের সামনে তাদের সমস্ত দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। তাঁকে এমন মু‘জিযাপূর্ণ কুরআন দান করলেন যা ছন্দে-মাধুর্যে এবং সাহিত্যে পরিপূর্ণ। যার নজীর পেশ করতে বিশ্বের বড় বড় সাহিত্যিক ও কাবীরা অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে। চ্যালেঞ্জ দেয়া সত্ত্বেও আজও পর্যন্ত অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত অপরাগই থাকবে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা আলে ইমরানের ৪৯ নং আয়াত দ্রষ্টব্য)।


প্রশ্নকারী : সুলতান, নওদাপড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৪) : ছালাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আযান দেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কুরআন তেলাওয়াতের পরে ‘ছাদাক্বাল্লা-হুল ‘আযীম’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জুম‘আর দিন আছর ছালাতের পর উক্ত স্থানে বসে ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি‘আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মী ওয়া ‘আলা আলিহী ওয়া সাল্লিম তাসলীমা’ এ দরূদটি ৮০ বার পাঠ করলে আল্লাহ ৮০ বছরের ছগীরা গোনাহ মাফ করে দেন এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের নফল ইবাদতের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : হারাম বা অবৈধ অর্থ দান করলে পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : যেকোন মসজিদে ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : রামাযানে যেকোন আমলে ৭০ গুণ ছাওয়াব হওয়ারা আশা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
শ্ন (১২) : ‘যখন বান্দার গুনাহ অধিক হয়ে যায় এবং সেগুলোর কাফ্ফারার জন্য তার কোন নেক আমল থাকে না, আল্লাহ তা‘আলা তখন তাকে চিন্তায় ফেলে পরীক্ষা করেন, যাতে তা তার সকল গুনাহর কাফফারা হতে পারে’ (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৫২৭৫) মর্মে হাদীছটি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘হারূত-মারূত’ এবং ‘যোহরা’ নামক মহিলার ব্যাপারে সমাজে প্রচলিত কাহিনী কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : জনৈক ছাহাবী রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এসে বিনীতভাবে বললেন, দুনিয়া আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে অর্থাৎ তিনি দারিদ্র্যের কথা বলেন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তুমি কি সেই তাসবীহ মুখস্থ করনি, যা ফেরেশতাদের তাসবীহ এবং এর বরকতে রিযিক প্রদান করা হয়? এই দুনিয়ার চাহিদা তোমার কাছে প্রচুর পরিমাণে আসবে। প্রতিদিন ভোরবেলা তথা সুবহে ছাদিকের পর এই তাসবীহটি প্রতিদিন ১০০ বার পড়ুন। তাসবীহটি হল- ‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়া বিহামদিহি, সুবহা-নালল্ল-হিল আযীম ওয়াবিহামদিহি এবং আস্তাগফিরুল্লাহ’। অতঃপর সাতদিন পর, সেই একই ছাহাবী আবার এলেন এবং বিনীতভাবে বললেন, হে আল্লাহ রাসূল (ﷺ)! দুনিয়া (সম্পদ) আমার কাছে এত বেশি পরিমাণে আসছে যে আমি জানি না কিভাবে বহন করতে হবে বা কোথায় রাখব। আমি একেবারে বিস্মিত যে, এটা দিয়ে কী করা যায়’ (লিসানুল মীযান, ৪/৩০৪ পৃ., হা/৫১০০)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : তৃতীয় লিঙ্গ তথা হিজড়াদের অধিকার, মীরাছ, ইবাদতের পদ্ধতি, পোশাক, মু‘আমালাত, চালচলন, কর্মজীবন ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : যারা ছিয়াম পালন করে না তাদেরকে ফিতরা আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জানাযা ছালাত, না-কি দু‘আ? যদি ছালাত হয়, তাহলে রুকূ নেই কেন? সূরা ফাতিহা ব্যতীত জানাযার ছালাত কি শুদ্ধ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ