শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহর বিধানকে অকাট্য প্রমাণ করার জন্য বিভিন্ন মু‘জিযা প্রদান করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক যুগের নবীকে যুগোপযোগী বিশেষ বিশেষ মু‘জিযা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগে যাদুর খুব প্রচলন ছিল এবং যাদুকরদেরকে অত্যন্ত সম্মান করা হত। তাই আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যে, যাদুকরগণ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে এবং তাদের পূর্ণ বিশ্বাস তৈরি হয় যে, এটা কখনও যাদু হতে পারে না, বরং এটা মহাপ্রতাপশালী আল্লাহর একটা বড় দান। অতএব তারা অবনত মস্তকে মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং অবশেষে তারা আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হয়। অনুরূপভাবে ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগটা ছিল চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের যুগ। তথায় তখন বড় বড় বৈজ্ঞানিক এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিদ্যমান ছিল। সুতরাং মহান আল্লাহ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যার সামনে ঐ বড় বড় চিকিৎসকগণ হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। জন্মান্ধকে চক্ষু দান করা, শ্বেতকুষ্ঠ রোগীকে নিরাময় করা ও নির্জীব পদার্থের মধ্যে প্রাণ দেয়া এবং সমাধিস্থ ব্যক্তিকে জীবিত করার ক্ষমতা কোন ব্যক্তির রয়েছে? একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশক্রমে মু‘জিযা স্বরূপ তাঁর দ্বারা এ সমুদয় কার্য সাধিত হয়। অনুরূপভাবে যে যুগে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর আবির্ভাব ঘটে সেটা ছিল সাহিত্য, কবিতা ও বাকপটতার যুগ। এসব বিষয়ে খ্যাতনামা কবিগণ এমন পূর্ণতা অর্জন করেছিল যে, সারা দুনিয়া তাদের সামনে মাথা হেঁট করেছিল। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ﷺ)-কে এমন এক বিস্ময়কর গ্রন্থ দান করলেন যার ঔজ্জ্বল্যের সামনে তাদের সমস্ত দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। তাঁকে এমন মু‘জিযাপূর্ণ কুরআন দান করলেন যা ছন্দে-মাধুর্যে এবং সাহিত্যে পরিপূর্ণ। যার নজীর পেশ করতে বিশ্বের বড় বড় সাহিত্যিক ও কাবীরা অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে। চ্যালেঞ্জ দেয়া সত্ত্বেও আজও পর্যন্ত অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত অপরাগই থাকবে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা আলে ইমরানের ৪৯ নং আয়াত দ্রষ্টব্য)।


প্রশ্নকারী : সুলতান, নওদাপড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৪১) : মসজিদের ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ২৭ তারিখের রজনী ইবাদতে কাটাবে, তার আমলনামায় আল্লাহ ২৭ হাজার বছরের ইবাদতের তুল্য ছওয়াব প্রদান করবেন এবং জান্নাতে তার জন্য অসংখ্য মনোরম বালাখানা নির্মাণ করবেন, যার সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ অবগত নন (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃ. ৩১০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আধুনিক যুগের যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত ও আরামদায়ক হওয়ায় সফর অবস্থায় ছিয়াম রাখা কষ্টকর নয়। এমতাবস্থায় ছিয়ামের বিধান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কার সাথে আমার বিয়ে হবে এটা কি পরিবর্তনশীল, না-কি নির্ধারিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘যে ব্যক্তি বিয়ে করল সে তার দ্বীনদারীর অর্ধেক পূর্ণ করল’। এমন কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বাচ্চাদের বদনযর থেকে রক্ষা পাওয়ার দু’আ এবং উপায়সমূহ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আল্লাহ তা‘আলা যুগে যুগে কতজন নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে ছালাত আদায়কারীকে রুকুর বিনিময়ে তার ওজন পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় ছাদাক্বাহ করার ছওয়াব দান করা হয়। এ বর্ণনাটি কি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : যদি কোন সন্তান তার দৈনন্দিন খরচ থেকে দান করে, তাহলে এর ছওয়াব কি বাবা পাবেন, না-কি ছেলে পাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ছিয়াম পালনকারী নাকে, কানে ও চোখে ড্রপ দিলে ছিয়াম নষ্ট হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : দস্তরখানের উপর ময়লা ফেলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মসজিদের দেওয়ালে মক্কা-মদীনার ছবিওয়ালা টাইলস লাগানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : হার্টের এমন কিছু রোগী আছে, যাদের কোন ট্যাবলেট জিহ্বার নিচে রেখে ব্যবহার করতে হয়, গিলে ফেলা হয় না। শরীর সেটাকে চুষে নেয়। এতে ছিয়াম ভেঙ্গে যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ