রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহর বিধানকে অকাট্য প্রমাণ করার জন্য বিভিন্ন মু‘জিযা প্রদান করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা প্রত্যেক যুগের নবীকে যুগোপযোগী বিশেষ বিশেষ মু‘জিযা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগে যাদুর খুব প্রচলন ছিল এবং যাদুকরদেরকে অত্যন্ত সম্মান করা হত। তাই আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যে, যাদুকরগণ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে এবং তাদের পূর্ণ বিশ্বাস তৈরি হয় যে, এটা কখনও যাদু হতে পারে না, বরং এটা মহাপ্রতাপশালী আল্লাহর একটা বড় দান। অতএব তারা অবনত মস্তকে মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং অবশেষে তারা আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হয়। অনুরূপভাবে ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর যুগটা ছিল চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের যুগ। তথায় তখন বড় বড় বৈজ্ঞানিক এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিদ্যমান ছিল। সুতরাং মহান আল্লাহ ঈসা (আলাইহিস সালাম)-কে এমন মু‘জিযা দান করেন যার সামনে ঐ বড় বড় চিকিৎসকগণ হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে। জন্মান্ধকে চক্ষু দান করা, শ্বেতকুষ্ঠ রোগীকে নিরাময় করা ও নির্জীব পদার্থের মধ্যে প্রাণ দেয়া এবং সমাধিস্থ ব্যক্তিকে জীবিত করার ক্ষমতা কোন ব্যক্তির রয়েছে? একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশক্রমে মু‘জিযা স্বরূপ তাঁর দ্বারা এ সমুদয় কার্য সাধিত হয়। অনুরূপভাবে যে যুগে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর আবির্ভাব ঘটে সেটা ছিল সাহিত্য, কবিতা ও বাকপটতার যুগ। এসব বিষয়ে খ্যাতনামা কবিগণ এমন পূর্ণতা অর্জন করেছিল যে, সারা দুনিয়া তাদের সামনে মাথা হেঁট করেছিল। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা রাসূল (ﷺ)-কে এমন এক বিস্ময়কর গ্রন্থ দান করলেন যার ঔজ্জ্বল্যের সামনে তাদের সমস্ত দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। তাঁকে এমন মু‘জিযাপূর্ণ কুরআন দান করলেন যা ছন্দে-মাধুর্যে এবং সাহিত্যে পরিপূর্ণ। যার নজীর পেশ করতে বিশ্বের বড় বড় সাহিত্যিক ও কাবীরা অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে। চ্যালেঞ্জ দেয়া সত্ত্বেও আজও পর্যন্ত অপারগ সাব্যস্ত হয়েছে এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত অপরাগই থাকবে (তাফসীরে ইবনে কাছীর, সূরা আলে ইমরানের ৪৯ নং আয়াত দ্রষ্টব্য)।


প্রশ্নকারী : সুলতান, নওদাপড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২৬) : যাকে আল্লাহ কোন খাবার খাওয়ায় সে যেন বলে, اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيْهِ وَأَطْعِمْنَا خَيْرًا مِّنْهُ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে এই খাদ্যে বরকত দিন এবং এর চেয়েও উত্তম খাদ্য খাওয়ান’। প্রশ্ন হল- এই দু‘আ কি খাবার আগে পড়তে হবে, না পরে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) হাদীছ লিখতে নিষেধ করেছেন, হাদীস লেখা শুরু হয়েছে রাসূল (ﷺ)-এর মৃত্যুর ২০০ বছর পর। এই বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): তুরস্কের অধিবাসীদের আক্বীদা কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আমি একজন প্রবাসী। গত পাঁচ বছর যাবৎ কয়েকটি দেশ হয়ে এখন আমি ইতালিতে বসবাস করি এবং আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজ-পত্রও আছে। এটি যেহেতু অমুসলিম প্রধান দেশ, তাই আমার কিছু জিজ্ঞাসা রয়েছে, যা নিম্নোক্ত: (১) উন্নত জীবন-যাপনে জন্য কোন মুসলিম কি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস করতে পারবে? এক্ষেত্রে পরিবার বা নিজস্ব চাহিদা পূরণ, দারিদ্রতা, দেশে চাকরি সংকট ইত্যাদি নানা অযুহাত দিয়ে এটাকে কি জায়েয করার কোন সুযোগ আছে? (২) যদি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস জায়েয না হয়, তাহলে সেখানের আয়ের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? সেখানকার উপার্জন হালাল, না-কি হারাম? (৩) এই টাকা খেয়ে আমি বা আমার পরিবার ইবাদত করলে তা-কি কবুল হবে? (৪) আমি একজন মুসলিম হওয়ায় আমার কাছে দ্বীন পালন করা বড়, না-কি পার্থিব জীবনকে উন্নত বা ভালোভাবে বাঁচার চেষ্টা করা দরকার? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যারা বলেন, নবীজি (ﷺ) হাজির নাযির। তারা দলীল দেয় যে, ‘যখনই যে কেউ আমাকে সালাম করেন তখনই আল্লাহ আমার রূহকে আমার কাছে ফিরিয়ে দেন, যেন আমি তার সালামের উত্তর দিতে পারি’। তাহলে নবী (ﷺ) কি কবরে জীবিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বড় অপবিত্রতা থেকে গোসল করার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কেউ যদি এই বলে মানত করে থাকে যে, কোন একটা কাজে সফল হলে সে আল্লাহর শুকরিয়া উদ্দেশ্যে ১০০ রাক‘আত নফল ছালাত পড়বে। সেটা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : রামাযানের ছিয়াম অবস্থায় ইনজেকশন নিলে কি ছিয়াম নষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ছালাত শেষে যিকিরগুলো সরবে বলতে হবে, না-কি চুপেচুপে বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কেউ যদি কারো গীবত, নিন্দা, সমালোচনা করে ফেলে এবং পরে যদি সে অনুতপ্ত হয় যে, আমি ঠিক করিনি। তখন যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে যদি সে ক্ষমা চাইতে চায়, কিন্তু যার গীবত করেছে তাকে যদি না পায়, তাহলে আল্লাহর কাছে সে কিভাবে ক্ষমা চাইবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : সন্তান হিসাবে পিতা-মাতার ভরণপোষণ করা কি মেয়েদের জন্য ফরয? যেখানে তাদের কোন ভাই নেই এবং সকল বোন বিবাহিত। তাদের আর্থিক সঙ্গতি ভালো। যদি মা-বাবাকে নিজস্ব গৃহে রাখা হয় এবং তাদের টাকার ও অন্য সেবার ব্যবস্থা করা হয়, তবে কি গুনাহ হবে? কারণ অনেক সময় সাধারণ বিষয়ে পিতা-মাতা অভিমান করে এবং সন্তানকে কষ্ট দেন। এমতাবস্থায় আল্লাহ কি সন্তানের উপর নাখোশ হবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ঈদের স্বালাতের পূর্বেই কি যাকাতুল ফিতরের সমস্ত খাদ্যদ্রব্য বন্টন করতে হবে না-কি ঈদের পরেও করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ