রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
উত্তর :  যাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত তা সাধারণ পানি পদবাচ্য থাকে এবং এমন নাপাকী মিশ্রিত না হয় যাতে পানির বৈশিষ্ট্য সমূহে কোন প্রভাব পড়ে (অর্থাৎ রং, গন্ধ ও স্বাদ অবিকৃত থাকে) ততক্ষণ পর্যন্ত তা পবিত্রকারী হিসাবে গণ্য হবে (আল-মুগনী, ১/৩১; আল মাজমূঊ, ১/২০৫; আল-মুহাল্লা, ১/১৮৩; মাজমূঊল ফাতাওয়া, ২০/৫১৯; আল-আউসাত্ব, ১/২৮৫ পৃ.)। কারণ মৌলিকভাবেই পানি পবিত্র। তাকে কোন জিনিস অপবিত্র করতে পারে না। নবী (ﷺ) বলেছেন, إنَّ الْمَاءَ طَهُوْرٌ لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ ‘নিশ্চয় পানি পবিত্র, তাকে কোন কিছু অপবিত্র করতে পারে না’ (আবূ দাঊদ, হা/৬৭)। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এর অর্থ হল যতক্ষণ পর্যন্ত তাতে কোন অপবিত্র জিনিস পড়ে তার স্বাদ অথবা গন্ধ অথবা রং পরিবর্তন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পবিত্র। আর পরিবর্তন হয়ে গেলে, আলেমদের সর্বসম্মতিক্রমে তখন এটি অপবিত্র হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যদি পানিতে গাছের পাতা বা এ জাতীয় জিনিস পড়ে, তাহলে তা অপবিত্র হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত পানিকে পানি বলা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা পবিত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। অপরদিকে কোন কিছু সংমিশ্রণ হওয়ার কারণে যদি পানির নাম পরিবর্তন হয়ে যায়, যেমনঃ দুধ, চা, কাহ্ওয়া ইত্যাদি। তখন সেটা পানির বিধান থেকে বহির্ভূত হয়ে যায়, তখন তাকে আর পানি বলা যাবে না। এই সংমিশ্রণ ঘটার পরও কিন্তু সেটি পবিত্র, যদিও তা পবিত্রকারী নয়’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১০/১৪ পৃ.)। শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘কোন নাপাকী জিনিস পড়ার কারণে যখন তার তার স্বাদ অথবা গন্ধ অথবা রং পরিবর্তন হয়ে যায়, সেটাই অপবিত্র। আর যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে সেটা পবিত্র’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে উছাইমীন, ১১/৮৬ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আরাফাত যামান, পাবনা।





প্রশ্ন (২৭) : হাজারে আসওয়াদ পাথরটি প্রথমে সাদা ছিল। এটা এখন কালো হয়ে গেছে। এটা কালো কিভাবে হল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : যিলহজ্জ মাসের প্রতিটি দিনের ছিয়াম এক বছরের ছিয়ামের সমতুল্য। এর প্রতিটি রাতের ইবাদত লায়লাতুল ক্বদরের ইবাদতের সমতুল্য। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : পিতার উপার্জন হারাম। বুঝানোর চেষ্টা করলেও শুনেন না। তাই ছেলে যদি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আলাদাভাবে চলতে চায়, তাহলে ছেলে গুনাহগার হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জান্নাতে কি রাত দিন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ‘হস্তমৈথুন’-এর শাস্তি কী? এর থেকে ত‌ওবা করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ব্যবসার জন্য মাথা বাদে যে পুতুল রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : রুকূ অবস্থায় দৃষ্টি কোথায় রাখতে হবে এবং ইমাম যখন ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হা‘মদাহ’ বলেন, তখন মুক্তাদীগণও কি ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কসমের শব্দ কি ‘আল্লাহ’ হতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ফার্মেসীতে যারা ওষুধ বিক্রয় করে তাদেরকে কোম্পানির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়। যেমন কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ ১০,০০০ হাজার টাকার অর্ডার দিলে/বিক্রয় করলে কোম্পানি থেকে নগদ ২০০০ টাকা অথবা বিভিন্ন আসবাবপত্র উপহার দেয়। আবার অনেক ফার্মেসীর মালিক টাকা বা আসবাবপত্র না নিয়ে সেই সমপরিমাণ ওষুধ নিয়ে নেয়। এগুলো নেয়া জায়েয হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে এবং সেটাকে মুখস্থ রেখেছে অতঃপর তার হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম জেনেছে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশ ব্যক্তির ব্যাপারে সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়েছিল। এর সনদ ঠিক আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে প্রশ্ন করা হয়, রাসূল (ﷺ)-এর ছাহাবীগণ কি হাসতেন? তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। তবে তাঁদের অন্তরে ঈমান ছিল পাহাড়ের চেয়ে বড়’ (আল-মাউসূ‘আতুল কুবরা, ৩১/১৯৩)। বর্ণনাটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বিপদাপদ কি আল্লাহর অসন্তুষ্টির লক্ষণ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ