বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
উত্তর : ঋণের দেয়ার সঠিক পন্থা হল :
১- ঋণের সময়সীমা নির্ধারণ অর্থাৎ যে সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
২- ঋণ ও এর সময়সীমা লিখে রাখা।
৩- ঋণ যিনি লিখবেন তিনি যদি ঋণগ্রহীতা ছাড়া অন্য কেউ হন তাহলে ঋণগ্রহীতা তাকে কী লিখবেন তা বলে দিবেন।
৪- ঋণগ্রহীতা যদি অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে যা লিখতে হবে তা বলতে না পারেন তাহলে তার অভিভাবক সেটা বলে দিবেন।
৫- ঋণের পক্ষে সাক্ষী রাখা। দু’জন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন নারীকে সাক্ষী রাখা।
৬- ঋণদাতার এ অধিকার আছে যে, তিনি ঋণের গ্যারান্টি হিসাবে ঋণগ্রহীতার কাছে কোন কিছু বন্ধক রাখবেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৮২-২৮৩)।
বন্ধকের উপকারিতা হল ঋণ পরিশোধের সময় আসলে যদি ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ না করে, তাহলে বন্ধকের সামগ্রীটি বিক্রি করে ঋণ আদায় করা হবে। যদি ঋণ আদায় করার পর কিছু অর্থ বাকি থাকে তাহলে সেটা মালিককে তথা ঋণগ্রহীতাকে ফেরত দেয়া হবে। ঋণের গ্যারান্টি তিন পদ্ধতি তথা লেখা, সাক্ষ্য গ্রহণ করা, বন্ধক নেয়ার কোন এক পদ্ধতিতে হতে পারে। গ্যারান্টি প্রদান মুস্তাহাব ও উত্তম। এটি ওয়াজিব নয়। কোন কোন আলেম ঋণ লিখে রাখাকে ওয়াজিব বলেছেন। তবে অধিকাংশ আলেমের মতে হলো লিখে রাখা মুস্তাহাব। আর এটাই শক্তিশালী অভিমত (তাফসীরুল কুরতুবী, ৩/৩৮৩ পৃ.)।

নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, ঋণ যদি লিখে রাখা না হয় এবং ঋণগ্রহীতা ঋণ ফিরিয়ে দিতে বিলম্ব করে বা অস্বীকৃতি জানায়; তখন তার বিরুদ্ধে ঋণদাতার দু‘আ কবুল হয় না। নবী (ﷺ) বলেন, ‘তিনজন ব্যক্তি আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে তাদের দু‘আ কবুল হয় না’ ... তাদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন, ‘এমন এক ব্যক্তি অন্য লোকের কাছে যার পাওনা আছে; কিন্তু ঐ ঋণের পক্ষে সে সাক্ষী রাখেনি’ (ছহীহুল জামে‘, হা/৩০৭৫)।

শরয়ী এই বিধানগুলো এবং অন্য বিধানগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে যে কেউ ইসলামী শরী‘আতের পূর্ণতা জানতে পারবে এবং ইসলামী আইন মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও সেগুলো নষ্ট হতে না দেয়ার ব্যাপারে কত সতর্ক; সেটা যত অল্পই হোক না কেন। ‘ছোট হোক কিংবা বড় হোক, ঋণ লেনদেনের বিষয়টি মেয়াদ উল্লেখসহ লিখে রাখতে তোমরা বিরক্ত হয়ো না’। ইসলামী আইনের মত আর এমন কোন আইন আছে কি, যেটা দ্বীনী ও দুনিয়াবী কল্যাণের মাঝে এতটা পূর্ণাঙ্গরপে সমন্বয় করেছে? কেউ কি এই বিধানগুলোর চেয়ে পূর্ণতর কিছু প্রণয়ন করতে পারবে?! আল্লাহ সত্যই বলেছেন, ‘দৃঢ় বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য বিধান প্রদানে আল্লাহর চাইতে কে বেশি শ্রেষ্ঠ?’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৫০; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৩১৮০)।


প্রশ্নকারী : মুবারক, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (২৮) : কুরআনে এসেছে, কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। তাহলে দাইয়ূছ ব্যক্তি কেন জান্নাতে যাবে না? তার কী দোষ? এটা কি সাংঘর্ষিক নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ফিতরা কি ঈদের ছালাতের পূর্বেই বণ্টন করে দিতে হবে? না-কি ঈদের পরেও করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : গর্ভবতী মহিলাদের ছিয়াম অন্য কেউ করে দিতে পারবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কোন্ কোন্ শস্যের যাকাত প্রদান করা ফরয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : সৎ সন্তান লাভের জন্য কোন দু‘আ পড়া উচিত? বিশেষ কোন আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ছালাত শেষে ইমাম যখন সালাম ফিরাবে, তখন মুছল্লীদেরকে কি উক্ত সালামের জবাব প্রদান করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : শত্রুতার জের ধরে যদি কোন মানুষকে মেরে ফেলার জন্য কোন পয়জন খাওয়ানো হয়, তাহলে জীবন বাঁচানোর জন্য তাবীয ব্যাবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আম বা যেকোন ফলের গাছ ২/৫ বছরের চুক্তিতে অগ্রিম বিক্রি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ কবুল হয়। এক্ষণে আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ করার সময় হামদ ও দরুদ পাঠ করতে হবে কি, আর দুই হাত তুলে দু‘আ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : অনেক স্থানে ছালাতে সূরা আল-ফাতিহা শেষ করে তিনবার আমীন বলার প্রচলন দেখা যায়। উক্ত প্রথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : দুই সিজদার মাঝখানে যে দু‘আ পড়া হয় সেটি ওয়াজিব, না-কি সুন্নাত? এই দু‘আ পড়েছি নাকি পড়িনি এমন সন্দেহ হলে সাহু সিজদা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : একজন ব্যক্তির মোট সম্পদ ৭৫ শতাংশ তার কোন ছেলে সন্তান নেই, দু’জন স্ত্রী রয়েছে এক স্ত্রীর ৩ জন মেয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান নেই, তবে মেয়েদের ২ চাচা এবং ১ জন ফুফু রয়েছে প্রশ্ন হচ্ছে সম্পদ কে কতটুকু পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ