বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আইয়ামে বীযের ছিয়ামকে ‘ছিয়ামুল বীয’ও বলা হয়, যা নফল ছিয়ামের মধ্যে অন্যতম সুপ্রসিদ্ধ ছিয়াম। এটি একাধিক ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। এই ছিয়াম প্রতি চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রাখতে হয়। ‘বীয’ শব্দটির অর্থ হল ‘সাদা’। ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে পূর্ণ চাঁদের আলোতে প্রায় সম্পূর্ণ রাত্রি আলোকিত থাকে। আর দিনে তো সূর্যের আলো আছেই। তাই এই দিনের ছিয়ামকে ‘ছিয়ামুল বীয’ বলা হয়। এই ছিয়াম রাখলে সারা বছর নফল ছিয়াম পালনের সমান নেকী পাওয়া যায়। আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল ‘আছ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘প্রতি চান্দ্র মাসে তিনটি করে ছিয়াম, সারা বছর ধরে ছিয়াম পালনের সমান’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৭৯; মিশকাত, হা/২০৫৪; ছহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০২৯)। অন্যত্র আবুদ্দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, ‘আমার দোস্ত রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ে অছিয়ত করে গেছেন, যা আমি জীবনে কখনো ছাড়িনি। তার একটি হল মাসে তিনটি করে নফল ছিয়াম পালন করা’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৭২২; ছহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০২৮)। আবূ যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনদিন ছিয়াম রাখল, সে যেন সারা বছর ছিয়াম রাখল। আল্লাহ‌ তা‘আলা তাঁর কিতাবে এর সমর্থনে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন ‘কেউ কোন সৎকাজ করলে, সে তার দশ গুণ পাবে’ (সূরা আল-আন‘আম : ১৬০)। অর্থাৎ فَالْيَوْمُ بِعَشْرَةِ أَيَّامٍ ‘প্রতিটি দিন দশ দিনের সমান’ (ইবনু মাজাহ, হা/১৭০৮, সনদ ছহীহ)।

প্রশ্নকারী : আবুল কাসিম, দিনাজপুর।




প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক খতীব ‘তাযকিরাতুল কুরআনে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ্র আরশে একটি দু‘আ লিখা আছে যার নাম ‘গঞ্জুল আরশ’। উক্ত দু‘আ চারজন ফেরেশতা পাঠ করার পর আল্লাহর আরশ বহন করতে সক্ষম হন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : রুকূতে বা সিজদাতে দু‘আ মুখে উচ্চারণ করে পড়তে হবে, না-কি মনে মনে পড়লেও হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ঔষধ দিয়ে পোকা-মাকড়, পিঁপড়া, মাছি, তেলাপোকা মারা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : তাবলীগ জামাতের লোকেরা বলে, জীবনে অন্তত তিন চিল্লা দিতে হবে। এ সময় আহাল-পরিবার ছেড়ে যেতে হয়। এভাবে চিল্লা দেয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কুরআনে এসেছে, কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। তাহলে দাইয়ূছ ব্যক্তি কেন জান্নাতে যাবে না? তার কী দোষ? এটা কি সাংঘর্ষিক নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : নির্বাচন আসলে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা শাহজালাল, শাহপরান, বায়েযীদ বুস্তামী মাযারসহ বিভিন্ন মাজার যিয়ারত করে দু‘আ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে এবং প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান/শেখ মুজিবের মাযারে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশ পরিচালনা করার চিন্তা করে। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : লুডু ও ক্যারাম বোর্ড খেলা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : অনেকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে মানুষকে গাধা, কুকুর ইত্যাদি বলে সম্বোধন করে থাকে। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : টার্কী মুরগীর গোশত খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হারাম পথে উপার্জিত সম্পদ দ্বারা হজ্জ করলে হজ্জ হবে কি? সন্তানের হারাম পথে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পিতা-মাতা হজ্জ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : জনৈক ব্যক্তি ২০-২৫ বৎসর যাবৎ জুয়া খেলে তার সমস্ত হালাল উপার্জন নষ্ট করেছে। অতঃপর জুয়ার মাধ্যমে ৩০-৩৫ লাখ টাকা আয় করে সে ঐ হারাম পথ থেকে আল্লাহর পথে ফিরে আসতে চায়। কিন্তু জুয়া খেলার কারণে নিজেই যেমন ধ্বংস হয়ে গেছে, তেমনি নিজের কোন ঘর নেই, ঘর ভেঙে গেছে, দুই বোনের বিয়ে দিতে পারছে না পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকে। প্রশ্ন হল- আল্লাহর রাস্তায় ফিরে আসার পর জুয়ার মাধ্যমে উপার্জিত ৩০-৩৫ লাখ টাকা দিয়ে কি ঐ ব্যক্তি নিজের ঘর তৈরি করতে পারবে, বোনদের বিয়ে দিতে পারবে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : ছিয়াম অবস্থায় ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ছিয়াম ও ওযূ ভঙ্গ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ