বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ঋণী ব্যক্তির উপর হজ্জ অপরিহার্য নয়। কারণ হজ্জ শুধু সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উপরেই ফরয। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ গৃহের হজ্জ করা তার (পক্ষে) অবশ্য কর্তব্য’ (সূরা আলে ইমরান : ৯৭)। ঋণী ব্যক্তি কিন্তু সামর্থ্যবান হিসাবে পরিগণিত হয় না। সুতরাং ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির উপর অপরিহার্য হল হজ্জ করার পূর্বেই ঋণ পরিশোধ করা। তবে কেউ যদি এমতাবস্থায় হজ্জ করে নিয়েছে, তাহলে তা যথেষ্ট হবে। কিংবা ঋণদাতা যদি ঋণ পরিশোধের পূর্বে হজ্জ করার অনুমতি দেয়, তবে তা দোষনীয় নয় (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ১১/৪৬-৪৭; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ র্দাব ইবনে বায, ১৭/১৬-১৭; মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ২১/৮৪-৯৭ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : তাসলীম, ঢাকা।





প্রশ্ন (১০) : ক্বিবলার দিকে মুখ করে অথবা ক্বিবলাকে পিছন দিকে রেখে পেশাব-পায়খানা করা নিষেধ। কিন্তু অনেক টয়লেট ক্বিবলার দিকে মুখ করে বা কিবলাকে পিছনে করে তৈরি করা আছে। এধরনের টয়লেট ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : দীর্ঘ মেয়াদী ঋণী ব্যক্তি কি হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কেউ কুরআনকে বা নবীকে অপমান করলে, তাকে প্রকাশ্যে হত্যার বিধান ইসলামে আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে আছ? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেয়া ভাল (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘দাবা খেলা, পাশা খেলা এবং এ জাতীয় খেলাগুলোতে কোন কল্যাণ নেই’। উপরিউক্ত দলীলের আলোকে লুডু, তাস, ক্যারাম ইত্যাদি খেলাকেও হারাম বলা হয়। প্রশ্ন হল, ছাহাবী বা তাবেঈ কি কোন জিনিস হারাম করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : তাওহীদ কাকে বলে? তাওহীদে বিশ্বাসের প্রভাব কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মৃত ব্যক্তির নামে, মসজিদে হালাকা করা অর্থাৎ দু‘আ বা যিকিরের আয়োজন করা, কোন দু‘আর মাহফিল করা বা কোন হুজুর ডেকে কুরআন খতম পড়ানো ও খাওয়ানো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): সারা বছর যোহরের ছালাতের সময় হয় ১১:৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১২:১৮ মিনিটের মধ্যে। কিন্তু অধিকাংশ আহলেহাদীছ মসজিদে ১২:৫০ বা ১টায় আযান দিয়ে ছালাত আদায় করা হয়। প্রশ্ন হল- এই সময়ে ছালাত আদায় করলে আওয়াল ওয়াক্ত থাকবে কি বা আওয়াল ওয়াক্তের ফযীলত পাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ইসলামিক বিধান অনুসারে মৃত মহিলা তার পিতা হতে প্রাপ্ত সম্পত্তির হকদার কি শুধু সন্তানেরা, নাকি তার স্বামীও? যদি স্বামী হকদার হয় এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে তবে প্রাপ্ত সে সম্পত্তি কি তার দ্বিতীয় স্ত্রী বা তার সন্তানেরা পাবে? নাকি শুধু তার প্রথম স্ত্রীর সন্তানেরা পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে নারী ক্বাযা ছিয়াম পালন করার আগেই গর্ভবতী হয়ে গেছেন এবং আগত রামাযানেও তার পক্ষে ছিয়াম রাখা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় পূর্বের ক্বাযা ছিয়াম ও আগত ছিয়ামের হুকুম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার স্ত্রীর বিয়ের পূর্বে এক ছেলের সাথে গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঐ ছেলের দ্বারা সে গর্ভবতী হয়। এ অবস্থায় মেয়ের পরিবার বিষয়টি গোপন রেখে তড়িঘড়ি করে ২ মাসের গর্ভবতী মেয়েকে আমার সাথে বিয়ে দেয়। মেয়ে মনের বিরুদ্ধেই পরিবারের চাপে আমার সাথে বিয়ে করে, কিন্তু স্বামীকে মন থেকে মেনে নেয় না। এক সময় বাচ্চা হয়। সেই মেয়ে পূর্ব প্রেমিককে ভুলে থাকতে পারে না। স্বামীর অগোচরে পূর্ব প্রেমিককে সাথে মোবাইলে, ইমোতে, কল ও ভিডিও পরকীয়ার সম্পর্ক চালিয়ে যায়। মেয়ে  নিজেই স্বীকার করে বলে যে, বাচ্চা পূর্ব প্রেমিকের। এমতাবস্থায় কয়েকটি প্রশ্ন হল- মেয়ে যেহেতু যিনাকারিণী এবং বিয়ের সময় গর্ভবতী ছিল, তাই আমার বিবাহ কি ছহীহ হয়েছিল? এমতাবস্থায় এ মেয়েকে নিয়ে সংসার করা কি জায়েয? মেয়ে আত্মস্বীকৃত চরিত্রহীন এবং বাচ্চাটাও আমার না তাই আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। এতে কী আমি তার ওপর যুল্ম করেছি? অবৈধ বাচ্চার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : ঈদগাহে দ্রুত আসার জন্য আহ্বান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : যিলহজ্জ মাসে আইয়ামে বীযের নফল ছিয়াম কিভাবে রাখবো? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ