বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর: যে ব্যক্তি মাসিক বেতন পায় এবং যা পায় সেটা সে খরচ করে ফেলে, কোন কিছু সঞ্চয় করতে পারে না। ফলে মাস শেষে তার অর্থ ফুরিয়ে যায়। তার উপর যাকাত আবশ্যক হবে না। কারণ যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য এক বছর পূর্ণ হওয়া আবশ্যক। (অর্থাৎ নেছাব পরিমাণ সম্পদ অর্জনের পর পূর্ণ এক বছর পেরিয়ে যাওয়া)। সুতরাং আপনার উপর যাকাত আবশ্যক হবে না। তবে আপনি যদি আপনার সম্পদ থেকে কিছু সঞ্চয় করেন, সে সঞ্চয় যদি নেছাব পরিমাণে পৌঁছে এবং তার বছর পূর্ণ হয় তাহলে যাকাত আবশ্যক হবে। আর যে ব্যক্তি আপনাকে বলেছে চাকুরিজীবীর বেতনের যাকাত কৃষকের ফসলের যাকাতের মত, যেখানে বছর পূর্ণ হওয়ার শর্ত নেই; তার কথা সঠিক নয়।

চাকুরিজীবীর বেতনের দুই অবস্থা। যথা: প্রথম অবস্থা: সে পুরো অর্থ ব্যয় করে। কোন কিছুই সঞ্চয় করে না। তার উপরে কোন যাকাত নেই। দ্বিতীয় অবস্থা: সে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করে। এটি কখনো বাড়ে আবার কখনো কমে। এমন অবস্থায় সে কীভাবে যাকাতের হিসাব করবে? উত্তর হলো: ‘যদি সে নিজের অধিকার পরিপূর্ণরূপে উপভোগ করতে সচেষ্ট হয় এবং যাকাতগ্রহীতাদেরকে তার সম্পদ থেকে যতটুকু দেয়া ওয়াজিব ততটুকুর বেশি না দিতে সচেষ্ট হয়; তাহলে তার কর্তব্য নিজের উপার্জনের একটি ছক তৈরি করা । ঐ ছকে যে কোন এমাউন্ট তার মালিকানায় আসার দিন থেকে বর্ষ গণনা শুরু করবে এবং প্রত্যেক এমাউন্টের যাকাত আলাদা আলাদাভাবে আদায় করবে, যে এমাউন্টের যে দিন বর্ষপূর্তি হবে ঐ এমাউন্টের যাকাত সেই দিন পরিশোধ করবে।

আর যদি ব্যক্তি সহজতা চায় ও উদারতার পথ বেছে নেয়, নিজের অধিকারের উপর দরিদ্র ও অন্যান্য যাকাত গ্রহীতাদের যাকাত প্রাপ্তির দিকটিকে প্রাধান্য দেয়, তাহলে তার মালিকানায় থাকা সম্পদের সর্বপ্রথম নেছাব পূর্ণ হওয়ার এক বছর পূরণ হলে সে তার কাছে থাকা সমস্ত সম্পদের যাকাত প্রদান করবে। এই কাজে তার নেকী বেশি হবে এবং মর্যাদা বুলন্দ হবে। এটি তার জন্য প্রশান্তিদায়ক এবং দরিদ্র-নিঃস্বসহ যাকাতের অন্যান্য খাতের ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় অধিক সহায়ক। তার যে সম্পদের বর্ষপূর্তি হয়েছে সে সম্পদের সাথে অতিরিক্তি যে সম্পদের বর্ষপূর্তি হয়নি সে সম্পদেরও যাকাত দিয়ে দেয়া এটি ‘অগ্রিম প্রদত্ত যাকাত’ বলে গণ্য হবে’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দাইমাহ, ৯/২৮০ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৬১১৩)।


প্রশ্নকারী : আশিকুর রহমান, শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।





প্রশ্ন (২০) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, ৪০ দিনের মধ্যে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার না করলে ছালাত-ছিয়াম কোন ইবাদত কবুল হবে না। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : এমপিও ভুক্ত বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকদের বেতন থেকে প্রতি মাসে ১০% করে টাকা কেটে রাখা হয় এবং চাকুরি শেষে সর্বশেষ বেতন স্কেলের ১০০ মাসের সমপরিমাণ টাকা দেয়া হয়। উক্ত টাকা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : প্রচলিত আছে যে, সমাজের কেউ ই‘তিকাফ না করলে সবাই পাপী হবে। উক্ত কথা কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : ফিতরার পরিমাণ কতটুকু? অর্ধ ছা‘ ফিতরা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মুক্তিযুদ্ধের ভাতা সরকার ভাই ও বোনকে সমান করে ভাগ করে দিয়েছে। এখন ভাইকে ২ ভাগ দিতে হবে, না-কি যেমন সরকার করে দিয়েছে তেমনি নিতে পারব? এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : তাকবীরে তাহরিমা ও রাফ‘উল ইয়াদাইন করার সময় হাতের আঙ্গুল খোলা খোলা থাকবে, না-কি পরস্পরের সাথে মিলানো থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার পর যদি স্ত্রী জানতে না পারে এবং স্বামী লিখিতও না দেয়, তাহলে ত্বালাক্ব হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমি আগে হানাফী মাযহাবের অনুসারী ছিলাম। কয়েক বছর থেকে আহলেহাদীছের মাসলাক অনুসরণ করে থাকি আলহামদুলিল্লাহ। আগে থেকেই আমার বাসায় অনেক বিদ‘আতী কিতাব আছে। যেমন বেহেস্তি জেওর, নেয়ামুল কোরআন, ফাজায়েলে আমল ইত্যাদি ইত্যাদি রয়েছে। এখন এগুলো পুড়িয়ে ফেলা বা নষ্ট করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে সিরামিক ইট ব্যবহার করে সুন্দর করা হচ্ছে। এটা দেখে এলাকার লোকেরা ঠাট্টা করে বলাবলি করছে এখান থেকেই ক্বিয়ামত শুরু হবে। এভাবে বলা কি জায়েয?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ইসলামে মধ্যমপন্থা অবলম্বন বলতে কী বুঝায়? অনেক প্র্যাক্টিসিং মুসলিম মনে করেন মধ্যমপন্থা মানে যে সমাজ যে রকম, সেখানে সেভাবে নিজেকে মানিয়ে নেয়া। যেমন- প্রয়োজন অনুযায়ী পারিবারিক সমাবেশে গায়রে মাহরাম কাজিনদের সাথে খোশগল্প করা, মসজিদে গেলে পাঞ্জাবি-পায়জামা (ছেলেদের ক্ষেত্রে) অথবা খিমার, নিকাব (মেয়েদের ক্ষেত্রে) অন্যদিকে অনুষ্ঠানে গেলে যথাক্রমে গেঞ্জি-টাইট প্যান্ট (ছেলে) অথবা শুধু হিজাব (মেয়ে) পরা, ইত্যাদি। অন্যদিকে যারা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সঠিকভাবে চোখের হেফাযত করে, ফেৎনা থেকে বাঁচার জন্য পর্দার বিধান মেনে চলে তাদেরকে অনেকে অসামাজিক, বিভ্রান্ত, কট্টরপন্থী ইত্যাদি টাইটেলে আখ্যা দিয়ে থাকে। তাদের উক্ত  দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : আমলে ছালেহ বলতে কোন্ কোন্ আমলকে বোঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বদ নযর কী? বদ নযরের প্রভাবে একজন মানুষ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ