রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
উত্তর : রাসূল (ﷺ) হাদীছে কুদসীতে বলেন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি ক্বিয়ামতের দিন তিন ব্যক্তির বিরোধী থাকব। তাদের এক ব্যক্তি হল, যে কোন লোককে শ্রমিক নিয়োগ করল এবং তার থেকে কাজ পুরোপুরি আদায় করল, অথচ তার পারিশ্রমিক দিল না’ (ছহীহ বুখারী, হা/২২৭০)। আদম (আলাইহিস সালাম) থেকে শুরু করে পৃথিবীর সব নবী-রাসূলই কোন না কোন পরিশ্রমের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘পৃথিবীর সব নবী-রাসূলই ছাগল চরিয়েছেন। ছাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর নবী! আপনি? রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ আমিও কয়েক মুদ্রার বিনিময়ে মক্কাবাসীদের ছাগল চরাতাম। রাসূল (ﷺ) বলেন, সর্বোত্তম রিযিক হচ্ছে যা নিজ হাতে কামাই করে খাওয়া হয়। আল্লাহর নবী দাউদ (আলাইহিস সালাম) নিজ হাতে কাজ করে খেতেন (ছহীহ বুখারী, হা/২০৭২)। কৃষি কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, কাঠ কাটা এবং কাঠের ফার্নিচার, গরু পালন, তাঁতের কাপড় তৈরি, লোহা দ্বারা যন্ত্রপাতি তৈরি ইত্যাদি সব কাজই বিভিন্ন নবী-রাসূল করেছেন। যারা শ্রমিক তাদের অতিরিক্ত হুকুম বা নির্যাতন কোনটাই করা যায় না। রাসূল (ﷺ) দেখলেন মাসউদ আল-আনছারী তার গোলামকে প্রহার করছেন। আবূ মাসঊদ আওয়াজ শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখলেন রাসূল (ﷺ) কথা বলছেন, ‘তুমি তোমার দাসের যতটুকু ক্ষমতা রাখ, আল্লাহ তদপেক্ষা তোমার ওপর অধিক ক্ষমতার অধিকারী’। আবূ মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি তাকে মুক্ত করে দিলাম। রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি যদি এটা না করতে তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাকে ঝলসিয়ে দিত (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৫৯)।

প্রশ্নকারী : ছিয়াম আহমাদ, কুমিল্লা।




প্রশ্ন (২০) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূল (ﷺ) নবজাতক অবস্থায় একদিন তাঁর মা বাড়ীর আঙ্গিনায় শুইয়ে রেখেছিলেন। অন্যদিকে তাঁর জন্মের পূর্বে তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইন্তিকাল করাই মা আমিনার মন খারাপ ছিল। এমতাবস্থায় চাচা আবূ তালিব বলেন, আমি ঐ অবস্থায় লক্ষ্য করলাম যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) যখন তার হাত ডানদিকে নিচ্ছে তখন চন্দ্র ডান দিকে যাচ্ছে, আর যখন হাত বাম দিকে যাচ্ছে তখন চন্দ্র বাম দিকে যাচ্ছে। আর যখন উভয় হাত নিজের দিকে টেনে নিচ্ছে, তখন চন্দ্রও তাঁর নিকটবর্তী হচ্ছে। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর চাচা আবূ তালিব এ সম্পর্কে রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, জন্মের পূর্বে আমার পিতা মারা যাওয়ায় আমার মায়ের মন খারাপ ছিল। তাই ঐ সময়ের জন্য আল্লাহ তা‘আলা চন্দ্রকে আমার খেলনাস্বরূপ বানিয়ে দিয়েছিলেন। যাতে আমার আনন্দের কোন ঘাটতি না পড়ে’। উক্ত ঘটনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : মসজিদের ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ২৭ তারিখের রজনী ইবাদতে কাটাবে, তার আমলনামায় আল্লাহ ২৭ হাজার বছরের ইবাদতের তুল্য ছওয়াব প্রদান করবেন এবং জান্নাতে তার জন্য অসংখ্য মনোরম বালাখানা নির্মাণ করবেন, যার সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ অবগত নন (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃ. ৩১০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোন টাকা বা মূল্যবান বস্তু পাওয়া গেলে কী করা উচিত? অনেকেই বলেন, ফকীরকে বা মসজিদে দিয়ে দিতে। এটি কতটুকু সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : এক ওয়াক্ত ছালাত ক্বাযা করলে এবং পরে পড়ে নিলেও ২ লক্ষ ৮৮ বছর জাহান্নামে থাকতে হবে (ফাযায়েলে নামায, পৃ. ১১৬)। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : শুক্রবারে হানাফী মসজিদে আযান শুরু হয় অনেক আগে। কিন্তু জুমু‘আর খুত্ববাহ শুরু হয় অনেক দেরিতে। প্রশ্ন হল- শুক্রবারে মসজিদে আগে যাওয়ার যে ফযীলত, হানাফী মসজিদ কোন্ সময় গেলে তা হাছিল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আমি অবিবাহিত মেয়ে। ফর্সা হওয়ার জন্য ক্রিম মাখি কিন্তু কাউকে ঠকানোর জন্য নয়। প্রশ্ন হল- এমনটা করা যাবে কি এবং এটি করলে আমার ইবাদত কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ওশর-যাকাত এগুলো টাকা দিয়ে আদায় করা যাবে কি? না-কি নির্দিষ্ট প্রাণী, শস্য বা বস্তুর যাকাত সেই জিনিস দিয়েই আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক ব্যক্তি রাগ সংবরণ করতে না পেরে তার স্ত্রীকে মাঝে মাঝেই এক ত্বালাক্ব দুই ত্বালাক্ব, তিন ত্বালাক বলে উল্লেখ করত। পরক্ষণে আবার স্বাভাবিক হত এবং পূর্বের অবস্থায় সংসার চলত। প্রশ্ন হল, তাদের মাঝে কি তালাক সংঘটিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : জনৈক ব্যক্তি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার কারণে দেউলিয়া হয়েছে। ঋণ পরিশোধের জন্য উক্ত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : শরী‘আতের দৃষ্টিতে শাফা‘আত কত প্রকার ও কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রচলিত আছে যে, যারা হজ্জ বা উমরা করতে গিয়ে মারা যাবে তারা জান্নাতী। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : প্রচলিত আছে যে, আল্লাহর দু’হাতই ডান হাত। কিন্তু মিশকাতে একটি হাদীছে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহর ডান ও বাম দু’হাতই রয়েছে। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ