শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামে শর্তহীনভাবে মুক্তচিন্তা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। মানুষকে যদি এ সুযোগ দেয়া হয় যে, সে যা মনে চায় তাই বলবে এবং মানুষের মাঝে চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিবে। ফলে শয়তানী সংশয়ের কারণে মানুষ পথভ্রষ্ট হবে। বর্তমান আধুনিক বিশ্বে তথাকথিত মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পর্কে শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি পরিত্যাজ্য এবং এর কোন ভিত্তি ইসলামে নেই, বরং বাতিল বিষয় নিষিদ্ধ করা এবং সত্য বিষয়ের অনুমতি দেয়া উচিত। যে কোন ব্যক্তির পক্ষে সাম্যবাদ, মূর্তিপূজা, ব্যভিচার, জুয়া বা অন্য কোন ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আহ্বানের জন্য উকালতি করা বৈধ নয়’ (https://www.islamweb.net/ar/fatwa/179315)।

সুবাইগ ইবনু ইসল নামক এক ব্যক্তি কুরআনে আয়াতে মুতাশাবিহ (অস্পষ্ট ও ব্যাখ্যা সাপেক্ষ) আয়াতগুলোর ব্যাপারে লোকজনকে জিজ্ঞেস করা শুরু করল। ... এরপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাকে খেজুরের লাঠি দিয়ে প্রহার শুরু করলেন। ... অতঃপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাকে দেশ থেকে বের করে দিয়ে তাকে লোকজনের সাথে উঠাবসা করতে নিষেধ করে দিলেন যেন, লোকজনের মধ্যে তার খারাপ প্রভাব না পড়ে (ইবনু বাত্তা ফিল ইবানাহ, ২য় খণ্ড, পৃ. ৬০৯, হা/৭৮৯; লালকাঈ ফি শরহে উছূলি ই‘তিক্বাদি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৭০৬)।

সুতরাং ইসলামে নিঃশর্ত বাক-স্বাধীনতা বা দ্বিধাহীন মত প্রকাশের সুযোগ নেই। কেউ বিভিন্ন বিষয়ে মত দিতে পারে, কিন্তু তা যেন কুরআন, সুন্নাহ বা ইসলামের কোন মূলনীতির বিরোধী না হয় এবং তাকে কটাক্ষ করা না হয়। পক্ষান্তরে যদি এমন সব মত বা মতাদর্শ প্রচার করে, যা দ্বীনকে আঘাত করে বা দ্বীনের মর্যাদাহানি করে বা মানুষকে বিশ্বজগতের প্রতিপালক মহান আল্লাহর ইবাদত থেকে দূরে সরিয়ে দেয় তবে সেটি হবে যুগে যুগে নবী-রাসূল প্রেরণের মূলনীতি ও মূল শিক্ষার পরিপন্থী।


প্রশ্নকারী : হারুনুর রশীদ, সঊদী আরব।





প্রশ্ন (৭) : জনৈক আলেম বলেন, গান শুনলে ক্বিয়ামতের দিন কানের ভিতরে গরম সীসা ঢেলে দেয়া হবে। এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : প্রচলিত তাবলীগ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): রহমত ও বরকত লাভের আশায় কোন সৎ ব্যক্তিকে ডেকে বা কোন সৎ ব্যক্তি কারো বাড়িতে বেড়াতে আসলে তাকে ঘরে সাধারণভাবে নফল ছালাত পড়তে বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : প্রচলিত আছে যে, সন্তান-সন্ততি জন্মগ্রহণ উপলক্ষে জন্মের সপ্তম দিন অথবা অন্য কোন দিনে গ্রামের মানুষ ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে খাবার অনুষ্ঠান করা যায়। যাকে ‘সাথলা’ নামকরণ করা হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত অনুষ্ঠান করা এবং তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : মেয়েরা যে বডি লোশন বা কসমেটিকস ব্যবহার করে সেগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণ আছে। সেগুলো কি মেয়েরা ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কেউ যদি ঠোট নাড়িয়ে ত্বালাক্বের কথা বলে কিন্তু কোন শব্দ বের না হয়, এমনকি নিজেও না শুনে, তাহলে কি ত্বালাক্ব হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জুম‘আর দিন চুপ থেকে খুত্ববাহ শুনলে ৭ কোটি ৭ লক্ষ ৭০ হাযার নেকী হবে। উক্ত ফযীলত কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার স্ত্রীর মায়ের দুধ কোন এক ছেলে পান করছে। তার সাথে কি আমার স্ত্রী কথা বলতে পারবে বা দেখা দিতে পারবে? উল্লেখ্য, পাঁচ বার দুধ পান করেনি। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : তারাবীহর ছালাত নিয়মিত জামা‘আতের সাথে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : জনৈক বক্তা বলেন, বায়‘আত না করলে জাহেলিয়াতের মৃত্যু হবে। তাই ইসলামী দলের নেতা বা আমীরের হাতে বায়‘আত না করলে জান্নাত পাওয়া যাবে না। আরে হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করল এমন অবস্থায় যে, তার গর্দানে বায়‘আত নেই, সে জাহেলী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল (মুসলিম হা/১৮৫১)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ