রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : মুসলিম ও কাফেরের মাঝে পার্থক্যকারী ইবাদত হল ছালাত (মুসলিম হা/৮২)। তাই ছাহাবায়ে কেরাম ছালাত পরিত্যাগকারী ব্যক্তিকে কাফের মনে করতেন (তিরমিযী, হা/২৬২২; সনদ ছহীহ)। তাই এদের সাথে সম্পর্ক রাখা উচিত নয়।

ছালাত ত্যাগকারীর বিধান সম্পর্কে আলেমদের মধ্যে সামান্য মতপার্থক্য থাকলেও সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতানুযায়ী ছালাত ত্যাগকারী নিশ্চিতরূপে কাফির ও মুশরিক। চার মাযহাবের আলেমগণ বিভিন্ন বিষয়ে মতানৈক্য করলেও ছালাত ত্যাগকারীর বিধান সম্পর্কে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। চার মাযহাবের সর্বসম্মতিক্রমে ছালাত ত্যাগকারী কাফির। শাফিঈ ও মালিকী মাযহাবের মতানুযায়ী ছালাত ত্যাগকারীর শাস্তি হত্যা এবং মৃত্যুর পর তাকে গোসল দেয়া যাবে না, তার উপর জানাযার ছালাত আদায় করা যাবে না এবং তাকে মুসলিমদের ক্ববরে দাফন করাও যাবে না। হাম্বালী মাযহাবের মতানুযায়ী ছালাত ত্যাগকারীকে তিনদিন আদেশ দিতে হবে এবং বলতে হবে যে, ছালাত আদায় না করলে তোমাকে হত্যা করা হবে; এর পরেও যদি সে ছালাত আদায় না করে তাহলে তাকে তিনদিন বন্দি করে রাখতে হবে, এর মধ্যে তাওবাহ করলে ভালো নতুবা তাকে মুরতাদ বা স্বধর্মত্যাগী হিসাবে হত্যা করতে হবে। হানাফী মাযহাবের মতানুযায়ীও তাকে স্বধর্মত্যাগী হিসাবে হত্যা করতে হবে’ (ফিক্বহ বিশ্বকোষ, ২৭/৫৩-৫৪ পৃ.; আল-মুগনী, ২/১৫৬ পৃ.)।

‘ইসলাম ওয়েব’-এর আলেমগণ বলেন, ‘অন্যান্য কাফিরের ন্যায় প্রয়োজনে ও ধর্মীয় স্বার্থে ছালাত ত্যাগকারীর বাড়িতে হালাল খাদ্য খাওয়া জায়েয’ (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-১৩১৬২৯, ১১০৭৯, ২৬৭৮৬, ৩৯১৩৭, ৬৫১৮৮)। আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, একজন ইয়াহুদী রাসূল (ﷺ)-কে দাওয়াত করেছিলেন, যবের রুটি ও পুরাতন চর্বির তেল দ্বারা তৈরিকৃত তরকারী খাওয়ার জন্য। তিনি তার দাওয়াত ক্ববুল করেছিলেন (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৮৬০; সনদ ছহীহ, ইরওয়াউল গালীল, ১/৭১ পৃ.)। তবে তার যব্হকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয নয়। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতানুযায়ী ছালাত ত্যাগকারী কাফির ও মুরতাদ হওয়ায় তার যব্হকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয নয় (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১০/২৭৪; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২২/৩৬৯ ও ৪৪৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : তারেক, বাঘা, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৫) : নৌকা বাইচ খেলা তথা পানিতে নৌকা চালনার প্রতিযোগিতা পরিদর্শন বা তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮): সালাম ফিরানোর পর যে যিকির করা হয়, তাকে যিকির বলা হয়, না-কি দু‘আ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কিভাবে নফসের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যুহ্দ বা দুনিয়াবিমুখতা বলতে কী বুঝায়? তালি দেয়া, ছিঁড়া কাপড় পরা, প্রতিদিন ছিয়াম রাখা, সমাজ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি কি যুহ্দ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সূরা নিসার ৯৩ আয়াতে বলা হয়েছে যে, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে সে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে’। আর হাদীছে আছে, ‘যার অন্তরে অণু পরিমাণ ঈমান আছে সে একদিন জান্নাতে যাবে’। চিরকাল মানে অনন্তকাল বোঝায়। প্রশ্ন হল- এক জায়গায় বলা হচ্ছে চিরকাল জাহান্নামে যাবে আর এক জায়গায় বলা হচ্ছে যে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। এই দু’টি কি বিরোধী নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সফরে কছর করা কী ওয়াজিব? আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) সফরে পূর্ণ ছালাত আদায় করেছেন। এমন বর্ণনা কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মসজিদের বারান্দায় ই‘তিকাফ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) :  অনেক রকম  দুরূদের কথা অনেক বইয়ে পাওয়া যায়। যেমন দুরূদে লাকী, দুরূদে শেফা, দুরূদে তুনাজজিনা, দুরূদে ইবরাহীম। প্রশ্ন হল- ছহীহ আমলের জন্য কোন্ দুরূদ পড়তে হবে, কখন ও কতবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : গান-বাজনা হারাম মর্মে কোন্ কোন্ দলীল পেশ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মৃত ব্যক্তির নাম বলার সময় ‘মরহুম’ বা ‘মরহুমা’ শব্দ যুক্ত করা যাবে কি না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : মানুষ বিপদে পতিত হলে হতাশা প্রকাশ করে চিন্তিত হয়ে পড়ে। অনেকেই অসন্তুষ্টি প্রকাশও করে। প্রশ্ন হল- বিপদে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : মহান আল্লাহ বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর অনুগত্য করা, রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের উলিল আমরের আনুগত্য কর’ (সূরা আন-নিসা : ৫৯)। উক্ত আয়াতে وَ اُولِی الۡاَمۡرِ দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ