বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। যদিও নবী (ﷺ) সৃষ্টির সর্বোৎকৃষ্ট ও সর্বোত্তম, তিনিই আল্লাহ তা‘আলার নিকট সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী এবং তিনিই সর্বাধিক সম্মানিত (সূরা আন-নিসা : ১১৩)। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন,

‏أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَوَّلُ مَنْ يَنْشَقُّ عَنْهُ الْقَبْرُ وَأَوَّلُ شَافِعٍ وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ

‘আমি ক্বিয়ামতের দিন আদম সন্তানের নেতা বা সর্দার হব এবং আমিই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যার কবর খুলে যাবে এবং আমিই হব সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং সর্বাগ্রে আমার সুপারিশ কবুল করা হবে’ (ছহীহ মুসলিম হা/২২৭৮; ছহীহ বুখারী, হা/৩৩৪০)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, নিশ্চয় মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর ব্যক্তিসত্তা সমস্ত সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত। কিন্তু তাঁর কবরের মাটি কা‘বা বা বাইতুল হারামের থেকে উত্তম নয়। বরং কা‘বাই ক্ববরের মাটি অপেক্ষা উত্তম’ (ফাতাওয়া আল-কুবরা, ৪/৪১১; মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৭/৩৮ পৃ.)। শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, এ ব্যাপারে আলেমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, নবী (ﷺ)-ই হলেন সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, তিনিই সৃষ্টির সর্বোৎকৃষ্ট। যেহেতু তিনি সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম, তাই তিনি পবিত্র কা‘বার থেকেও উত্তম। কেননা কা‘বা সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত। পরন্ত এই শ্রেষ্ঠত্ব, মর্যাদা ও অধিকার কিন্তু শুধু রাসূল (ﷺ)-এর ব্যক্তিসত্তার জন্যই নির্ধারিত, ঐ কবরের জন্য নয় যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়েছ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৩২৮৯)।

প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, সাভার, ঢাকা।





প্রশ্ন (৪) : কুরআন এবং ছহীহ হাদীছে কয়টি আসমান ও কয়টি যমীনের কথা বলা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ফজরের সুন্নত ফরযের আগে পড়তে না পারলে ছালাতের পর পড়ে নিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ২৭ শে রামাযানের রাত্রিকে সারা বিশ্বে ক্বদরের রাত্রি হিসাবে পালন করা হয়। এ ব্যাপারে ইসলামের পরিষ্কার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মসজিদে হারাম বা মসজিদে নববীর চত্বরে ছালাত আদায় করলে কি মূল মসজিদে ছালাত আদায় করার সমান ছাওয়াব পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘পিতা-মাতার দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা ফিরিয়ে দেন না’ অর্থাৎ তাদের দু‘আ কবুলযোগ্য। প্রশ্ন হল- যাদের পিতা-মাতা মৃত্যুবরণ করেছেন- তাদের কবুলযোগ্য দু‘আ প্রাপ্তির জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মুসলিম হয়েও যারা মসজিদ ভাঙ্গে কিংবা পুড়িয়ে দেয়, তাদের জন্য বদ-দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কোন জরুরী কারণে মুক্বীম অবস্থায় ছালাত জমা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : নবীগণের দ্বারা কি অনিচ্ছাকৃত কাবীরা গুনাহ সংঘটিত হয়েছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : পৃথিবীতে যেখানে যারা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা জীবন পরিচালিত করে তারাই আহলেহাদীছ। প্রশ্ন হল- ‘আহলেহাদীছ’ নাম না দিয়ে ‘আহলুস সুন্নাত’ নাম দেয়া যাবে কি? কারণ হাদীছের মধ্যে জাল-যঈফ আছে কিন্তু নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহর মধ্যে জাল-যঈফ নেই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বিকাশ-এর মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮): সালাম ফিরানোর পর যে যিকির করা হয়, তাকে যিকির বলা হয়, না-কি দু‘আ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): সারা বছর যোহরের ছালাতের সময় হয় ১১:৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১২:১৮ মিনিটের মধ্যে। কিন্তু অধিকাংশ আহলেহাদীছ মসজিদে ১২:৫০ বা ১টায় আযান দিয়ে ছালাত আদায় করা হয়। প্রশ্ন হল- এই সময়ে ছালাত আদায় করলে আওয়াল ওয়াক্ত থাকবে কি বা আওয়াল ওয়াক্তের ফযীলত পাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ