শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক নয়। যদিও নবী (ﷺ) সৃষ্টির সর্বোৎকৃষ্ট ও সর্বোত্তম, তিনিই আল্লাহ তা‘আলার নিকট সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী এবং তিনিই সর্বাধিক সম্মানিত (সূরা আন-নিসা : ১১৩)। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন,

‏أَنَا سَيِّدُ وَلَدِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَوَّلُ مَنْ يَنْشَقُّ عَنْهُ الْقَبْرُ وَأَوَّلُ شَافِعٍ وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ

‘আমি ক্বিয়ামতের দিন আদম সন্তানের নেতা বা সর্দার হব এবং আমিই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যার কবর খুলে যাবে এবং আমিই হব সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং সর্বাগ্রে আমার সুপারিশ কবুল করা হবে’ (ছহীহ মুসলিম হা/২২৭৮; ছহীহ বুখারী, হা/৩৩৪০)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, নিশ্চয় মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর ব্যক্তিসত্তা সমস্ত সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত। কিন্তু তাঁর কবরের মাটি কা‘বা বা বাইতুল হারামের থেকে উত্তম নয়। বরং কা‘বাই ক্ববরের মাটি অপেক্ষা উত্তম’ (ফাতাওয়া আল-কুবরা, ৪/৪১১; মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ২৭/৩৮ পৃ.)। শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, এ ব্যাপারে আলেমগণ ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, নবী (ﷺ)-ই হলেন সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ, তিনিই সৃষ্টির সর্বোৎকৃষ্ট। যেহেতু তিনি সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে সর্বোত্তম, তাই তিনি পবিত্র কা‘বার থেকেও উত্তম। কেননা কা‘বা সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত। পরন্ত এই শ্রেষ্ঠত্ব, মর্যাদা ও অধিকার কিন্তু শুধু রাসূল (ﷺ)-এর ব্যক্তিসত্তার জন্যই নির্ধারিত, ঐ কবরের জন্য নয় যেখানে তাঁকে দাফন করা হয়েছ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৩২৮৯)।

প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, সাভার, ঢাকা।





প্রশ্ন (১১) : মেয়েরা যে বডি লোশন বা কসমেটিকস ব্যবহার করে সেগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণ আছে। সেগুলো কি মেয়েরা ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : প্রচলিত ইলিয়াসী তাবলীগে যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : সমাজে দেখা যায় যে, মৃত ব্যক্তির মাথার নিকট সূরা ফাতেহা এবং তার কবরে পায়ের দিকে সূরা বাক্বারার শেষের দিক থেকে কিছু আয়াত পাঠ করা হয়। শরী‘আতের দৃষ্টিতে উক্ত নিয়মের কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ফরয ছালাতের পর সম্মিলিত দু‘আ না করে কেউ যদি নির্ধারিত যিকির-আযকার মুখস্থ না থাকায় মোবাইল থেকে দেখে দেখে পাঠ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বালা-মুছীবত বা জিনের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : পিতা-মাতার নামে কি দান করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : একইসাথে টয়লেট ও গোসল খানা। সে ক্ষেত্রে টয়লেটের ভিতরে বসে ওযূ করলে বসা অবস্থায় ওযূর দু‘আ সমূহ পাঠ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : রংধনু অংকিত পাঞ্জাবী কিংবা শার্ট পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক বক্তা বলেন, কুরবানীর মাংস তিনদিনের বেশি খাওয়া যাবে না। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মক্কায় একদিনের ছিয়াম বাইরের এক লক্ষ ছিয়ামের সমতুল্য। সেখানে এক দেরহাম খরচ করলে এক লক্ষ দেরহামের সমান এবং একটি নেকী করলে এক লক্ষ নেকীর সমান ছওয়াব পাওয়া যায়। বিভিন্ন হাদীছে মসজিদে নববীর ছওয়াব সমজিদে আক্বছার চেয়ে অধিক এসেছে। অথচ এখানে উভয় মসজিদের ছওয়াব পঞ্চাশ হাজার বলা হয়েছে। এর অর্থ করা হয়েছে, প্রত্যেক মসজিদের ছওয়াব পূর্ববর্তী মসজিদ হিসাবে বলা হইয়াছে অর্থাৎ জামে মসজিদের ছওয়াব পাঁচশ’ ছালাত নয়, বরং মহল্লার মসজিদ হতে পাঁচশ’ গুণ বেশী। এই হিসাব মতে জামে মসজিদে বার হাজার পাঁচশ’ (১২৫০০) ছালাতের ছওয়াব। মসজিদে আকছার ছওয়াব বাষট্টি কোটি পঞ্চাশ লক্ষ (৬২৫০০০০০০), মদীনার মসজিদের ছওয়াব তিন নিল বার খর্ব পঞ্চাশ আরব (৩১২৫০০০০০০০০০০) এবং হারাম শরীফের ছওয়াব একত্রিশ শঙ্ঘ পঁচিশ পদ্ম, (৩১২৫০০০০০০০০০০০০০০০) (ফাযায়েলে হজ্জ, পৃ. ৯২)। তাবলীগী নিসাবের ‘ফাযায়েলে হজ্জ’ কিতাবে বর্ণিত উক্ত ফযীলত কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মসজিদে জমি দানকারী ব্যক্তি যদি সেই মসজিদে দানকৃত জমি দাবি করে, তাহলে সেই মসজিদে বাকি মুছল্লীদের ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : বাসর রাতের স্বামী স্ত্রী কি জামা‘আত করে ছালাত আদায় করবে, না-কি একাকী আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ