শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
উত্তর : ইহুদীদের ষড়যন্ত্রের ফসল হিসাবে আলী এবং মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মাঝে সংঘটিত যুদ্ধকে কেন্দ্র করে শী‘আ সম্প্রদায়ের জন্ম হয়। মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষ যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার আশঙ্কায় আপোস করার জন্য যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানায়। ফলে মীমাংসার জন্য আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষে আবু মূসা আশ‘আরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আর মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষে আমর ইবনুল আছ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে শালিস নিযুক্ত করা হয়। এতে একশ্রেণীর লোক আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষ ত্যাগ করে। তারা ইতিহাসে ‘খারেজী’ বলে পরিচিত। আরেক শ্রেণী এই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। কিন্তু তারা নিষ্ক্রিয় থাকে। তাদেরকেই ‘শী‘আ’ বলা হয় (আত-তারীখুল ইসলামী, পৃ. ২৭৪-২৭৭)। পরবর্তীতে শী‘আ ফিতনার বিকাশ হয়েছে ইসলাম ও মুসলিমের শত্রু আব্দুল্লাহ ইবনু সাবা ইহুদী ও তার অনুসারী যুরারা, আবূ বাসীর, আব্দুল্লাহ ইবনু ই‘য়াফুর, আবূ মিখনাফ লূত ইবনু ইয়াহইয়া প্রমুখ মিথ্যাবাদীদের দ্বারা।

শী‘আরা মুসলিম নয়। কেননা বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর আক্বীদা ও আমলের কারণে তারা ইসলাম থেকে বহিস্কৃত। তারা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদত্ত বিধানকে বিকৃত করেছে। লক্ষ লক্ষ জাল হাদীছ তৈরি করে সুন্নাতকে হত্যা করেছে। আব্দুল করীম শহরাস্তানী (৪৭৯-৫৪৮ হি.) বলেন, ‘শী‘আদের দাবী সমূহ কুরআনের উপরও দলীল নির্ভর নয়, মুসলিমদের উপরও নয়। কারণ শী‘আরা মুসলিমদের অন্তর্ভুুক্ত নয়’ (আল-মিলাল ওয়ান নিহাল ২য় খণ্ড, পৃ. ৭৮)। তাদের অন্য গ্রুপ রাফেযীরাও চরম মিথ্যাবাদী ফের্কা। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), ছাহাবায়ে কেরাম এবং শরী‘আতের ব্যাপারে তারা সর্বোচ্চ মিথ্যাচার করেছে (মিনহাজুস সুন্নাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৫)। তারা যে মুসলিম নয় সে সম্পর্কে কঠোর সমালোচনা করে ইমাম ইবনু হাযম আন্দালুসী (৩৮৪-৪৫৬ হি.) বলেন, ‘রাফেযীদের দাবী সমূহের অন্যতম হল, কুরআনের ইবারতের পরিবর্তন। কারণ তারা ইসলামের অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং তারা নতুন একটি ফের্কা। এটি এমন একটি দল যারা মিথ্যাচার ও কুফরীর দিক থেকে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের স্রোতে পরিচালিত হয়’ (আল-ফিছাল ফিল মিলাল ২য় খণ্ড, পৃ. ৬৫)। অতএব কোন মুসলিম ব্যক্তি শী‘আদের দলভুক্ত হতে পারে না। শী‘আদের কোন নীতি ও আদর্শকে সমর্থন করতে পারে না।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফারুক, নওদাপাড়া, রাজশাহী।




প্রশ্ন (২০) : তাওহীদ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘মদ পান করলে ৪০ দিন ছালাত কবুল হয় না’  মর্মে বর্ণিত কথার সত্যতা কতটুকু? আর এ কথা কি ঠিক যে, ‘মদ-গাঁজা সেবন করলে চল্লিশ দিন শরীর অপবিত্র থাকে’?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : বাড়ির মধ্যে পুরুষরা হাফপ্যান্ট পরতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : হাদীছে এসেছে, ৭০ হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তার মধ্যে একটা হল- তারা ঝাড়-ফুঁকের আশ্রয় নিবে না। অথচ হাদীছ থেকে আমরা জানতে পারি, ঝাড়-ফুঁক বৈধ। যেমন সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা। প্রশ্ন হল-ঝাড়-ফুঁক না করলে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে, তাহলে সেটা কী ধরনের ঝাড়-ফুঁক?- - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : কিভাবে নফসের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ধর্মীয় যে কোন কাজের বিনিময়ে অর্থ গ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘যে উত্তমরূপে ওযূ করে ছওয়াবের উদ্দেশ্যে তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যাবে, তাকে জাহান্নাম হতে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : হজ্জ ও ওমরাতে যাওয়া উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ব্যাপক আকারে খাবার অনুষ্ঠান করা ও তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ‘ষাট বছরের জীবনে কেউ এক ওয়াক্ত ছালাত ছেড়ে দিলেও সে কাফের’। সালাফদের থেকে এরকম কোন বক্তব্য পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কোন পণ্যের দাম ৩৯ টাকা কিন্তু ক্রেতা আমাকে ৪০ টাকা দিলে আমি আর ফেরত দেইনি বা তিনিও ফেরত চাননি। পরবর্তীতে মনে খটকা লাগল যে, তাকে ১ টাকা ফেরত দেয়া উচিত কিন্তু ততক্ষণে তিনি চলে গেছেন। প্রশ্ন হল, এই ১ টাকা কি উনাকে যেভাবেই হোক ফেরত দিতে হবে, না দিতে পারলে কি আমি ক্বিয়ামতের মাঠে জিজ্ঞাসিত হব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : আহলে কিতাবদের যব্হ করা পশু খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘ফরয ইবাদতের পর হালাল রিযিক অন্বেষণ করা আরেকটি ফরয’ (বায়হাকী)। হাদীছটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ