বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইহুদীদের ষড়যন্ত্রের ফসল হিসাবে আলী এবং মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মাঝে সংঘটিত যুদ্ধকে কেন্দ্র করে শী‘আ সম্প্রদায়ের জন্ম হয়। মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষ যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার আশঙ্কায় আপোস করার জন্য যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানায়। ফলে মীমাংসার জন্য আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষে আবু মূসা আশ‘আরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আর মু‘আবিয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষে আমর ইবনুল আছ (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে শালিস নিযুক্ত করা হয়। এতে একশ্রেণীর লোক আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর পক্ষ ত্যাগ করে। তারা ইতিহাসে ‘খারেজী’ বলে পরিচিত। আরেক শ্রেণী এই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে। কিন্তু তারা নিষ্ক্রিয় থাকে। তাদেরকেই ‘শী‘আ’ বলা হয় (আত-তারীখুল ইসলামী, পৃ. ২৭৪-২৭৭)। পরবর্তীতে শী‘আ ফিতনার বিকাশ হয়েছে ইসলাম ও মুসলিমের শত্রু আব্দুল্লাহ ইবনু সাবা ইহুদী ও তার অনুসারী যুরারা, আবূ বাসীর, আব্দুল্লাহ ইবনু ই‘য়াফুর, আবূ মিখনাফ লূত ইবনু ইয়াহইয়া প্রমুখ মিথ্যাবাদীদের দ্বারা।

শী‘আরা মুসলিম নয়। কেননা বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর আক্বীদা ও আমলের কারণে তারা ইসলাম থেকে বহিস্কৃত। তারা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রদত্ত বিধানকে বিকৃত করেছে। লক্ষ লক্ষ জাল হাদীছ তৈরি করে সুন্নাতকে হত্যা করেছে। আব্দুল করীম শহরাস্তানী (৪৭৯-৫৪৮ হি.) বলেন, ‘শী‘আদের দাবী সমূহ কুরআনের উপরও দলীল নির্ভর নয়, মুসলিমদের উপরও নয়। কারণ শী‘আরা মুসলিমদের অন্তর্ভুুক্ত নয়’ (আল-মিলাল ওয়ান নিহাল ২য় খণ্ড, পৃ. ৭৮)। তাদের অন্য গ্রুপ রাফেযীরাও চরম মিথ্যাবাদী ফের্কা। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), ছাহাবায়ে কেরাম এবং শরী‘আতের ব্যাপারে তারা সর্বোচ্চ মিথ্যাচার করেছে (মিনহাজুস সুন্নাহ, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৫)। তারা যে মুসলিম নয় সে সম্পর্কে কঠোর সমালোচনা করে ইমাম ইবনু হাযম আন্দালুসী (৩৮৪-৪৫৬ হি.) বলেন, ‘রাফেযীদের দাবী সমূহের অন্যতম হল, কুরআনের ইবারতের পরিবর্তন। কারণ তারা ইসলামের অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং তারা নতুন একটি ফের্কা। এটি এমন একটি দল যারা মিথ্যাচার ও কুফরীর দিক থেকে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের স্রোতে পরিচালিত হয়’ (আল-ফিছাল ফিল মিলাল ২য় খণ্ড, পৃ. ৬৫)। অতএব কোন মুসলিম ব্যক্তি শী‘আদের দলভুক্ত হতে পারে না। শী‘আদের কোন নীতি ও আদর্শকে সমর্থন করতে পারে না।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ ফারুক, নওদাপাড়া, রাজশাহী।




প্রশ্ন (২) : ছালাতে হাত বাঁধা সম্পর্কে সঊদী আরবের সর্বোচ্চ ফাতাওয়া বোর্ড এবং শায়খ ইবনু বায, আলবানী, শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুমুল্লাহ) কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন? নাভীর নিচে বাঁধতে বলেছেন, না-কি বুকের উপর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : হাদীছে এসেছে, ‘আমি জান্নাতের দিকে লক্ষ্য করে দেখলাম যে, এর বেশির ভাগ অধিবাসী হচ্ছে গরীব এবং জাহান্নামের দিকে লক্ষ্য করে দেখলাম যে, এর বেশিরভাগ অধিবাসী হচ্ছে নারী’। অনুরূপভাবে কবরের শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছে। অথচ এখনো ক্বিয়ামত সংঘটিত হয়নি। এর সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : অপবিত্র অবস্থায় অসুস্থতার কারণে তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করলে পরে গোসল করার সময় কি ফরয গোসলের নিয়ত করতে হবে? কনকনে ঠাণ্ডার কারণে ফরয গোসলে কষ্ট বোধ হলে শুধু ওযূ করে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : বিয়েতে মেয়েকে কবুল বলাতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) বিভিন্ন খারাপ কাজের সাথে জড়িত এমন ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছিয়াম অবস্থায় সহবাস ব্যতীত স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : দু‘আ কুনূত পড়ার সময় হাত তুলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : চাকুরীর বাধ্যবাধকতার কারণে পানি থাকা সত্ত্বেও হাত ও মুখে কসমেটিকস থাকায় তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘সূরা ফাতেহা সকল রোগের ঔষধ’ কথাটি কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : মোবাইলের রিংটোন হিসাবে দু‘আ বা কুরআনের আয়াত ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কোন মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর বিয়ে করার পূর্বে তার সাথে ঘুরতে যাওয়া বা হোটেলে খেতে যাওয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ওযূ করার সময় মুখে ও নাকে পানি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি কোনটি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ