বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত বক্তব্য সঠিক। সকালে সমস্ত ভাল কাজে বরকত নাযিল হয়। কারণ রাসূল (ﷺ) তাঁর উম্মতের জন্য দু‘আ করেছেন, যাতে সকালে বরকত নাযিল হয়। যেমন-

عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِىِّ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِىْ فِىْ بُكُوْرِهَا. وَكَانَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً أَوْ جَيْشًا بَعَثَهُمْ فِىْ أَوَّلِ النَّهَارِ. وَكَانَ صَخْرٌ رَجُلًا تَاجِرًا وَكَانَ يَبْعَثُ تِجَارَتَهُ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَأَثْرَى وَكَثُرَ مَالُهُ

ছাখর আল-গামেদী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) দু‘আ করতেন, اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِىْ فِىْ بُكُوْرِهَا ‘হে আল্লাহ! আমার উম্মতের জন্য সকালের কর্মসমূহে বরকত নাযিল কর’। আর তিনি যখন কোন ক্ষুদ্র বা বিশাল বাহিনী প্রেরণ করতেন, তখন সকালে পাঠাতেন। আর ছাখর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন ব্যবসায়ী ব্যক্তি, তিনি তার ব্যবসায়ী কাফেলা পাঠাতেন দিনের প্রথমাংশে। ফলে তিনি ধনী হয়ে গেয়েছিলেন এবং অনেক সম্পদের মালিক হয়েছিলেন (আবূ দাঊদ, হা/২৬০৬, সনদ ছহীহ)।

তাই ফজরের ছালাত আদায়ের পর থেকেই নিজ নিজ কর্ম শুরু করা উচিত, যেন বেশি বেশি বরকত নাযিল হয়। কিন্তু দুঃখজনক হল, বর্তমানে ফজরের ছালাত যেমন দেরী করে পড়া হয়, তেমনি অধিকাংশ মানুষ সকাল ৮/৯ পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে। ফলে সব বরকত থেকে বঞ্চিত হয়। এই অভ্যাস অবশ্যই বর্জনীয়। রাসূল (ﷺ) এজন্যই এশার পর জেগে থাকাকে অপসন্দ করতেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৪৭)। রাতের প্রথম অংশে জেগে থাকার মাঝে কল্যাণ নেই। বরং কল্যাণ আছে শেষ রাত্রে (ছহীহ বুখারী, হা/১১৪৫)। এই সময় আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে নেমে আসেন। এরপর থেকেই বরকত নাযিল হতে থাকে।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ আহমাদ, রংপুর।




প্রশ্ন (১৭) : ধুমপান নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিড়াল কেনা-বেচা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক যুবক ভাই ফাসেকী জীবন ছেড়ে দ্বীনের পথ অবলম্বন করেছেন। প্রশ্ন হল- দ্বীনের পথে অবিচল থাকার জন্য ঐ যুবকের প্রতি কী উপদেশ দেয়া যেতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : বাম হাতে খাওয়া বা পান করতে হাদীছে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু দুই হাতে খাওয়া বা পান করার কোন নজীর রাসূল (ﷺ), ছাহাবায়ে কেরাম বা পরবর্তী কোন সালাফ থেকে পাওয়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বাবা-মা পরিবারের বড় ছেলের তুলনায় ছোট ভাই-বোনদেরকে সবকিছুই বেশি দিয়ে থাকেন। তারা মোটেও ইনছাফ করেন না। এজন্য কি তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে না আল্লাহ তা‘আলার কাছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : একই রাতে দুইবার বিতর পড়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : অনেকে বাম হাতে পানাহার করে। বাম হাতে পানাহারের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর শর্তগুলো জানা কি প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয? না জানলে কি ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি একটি মসজিদ তৈরি করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন’ মর্মে হাদীছ দ্বারা কি একজন ব্যক্তিকে বুঝানো হয়েছে, না-কি সম্মিলিত সকলকে বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বাচ্চাদের পেশাব করা কাপড় দিয়ে কি ছালাত আদায় করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতের ওয়াক্ত হলেই ছালাত আদায় করা উত্তম। এমন দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জনৈক আলেম বলেন, কেউ যদি মদীনায় মারা যায় তবে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য সুপারিশ করবেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ