বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মাদরাসায় যাকাতের অর্থ প্রদান করা বা উক্ত অর্থ দিয়ে মাদরাসার নামে জমি ক্রয় করা এবং ছাত্রদের জন্য আবাসিক বা একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। তবে শর্ত হল উক্ত মাদরাসা সম্পূর্ণ লিল্লাহ হতে হবে। অর্থাৎ সরকারী বেতন বা রাষ্ট্রীয় কোন অনুদান ছাড়াই সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক যে মাদরাসা পরিচালিত হয়; যেখানে কুরআন, হাদীছ, তাফসীর, উছূল, ফিক্বহ, ফারায়েয, বালাগাত, আবরী সাহিত্য ও ব্যাকরণসহ প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী বিভিন্ন বিষয়ে পাঠদান করা হয়। যেগুলো কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয় এবং শিরক-বিদ‘আত চর্চার কারখানাও নয়। মূলত এ ধরনের মাদরাসাগুলোতেই প্রকৃত ইলম ও দ্বীন চর্চা হয় এবং  ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে থাকে। এ ধরনের মাদরাসাগুলোকে যাকাতের ৮টি খাতের মধ্যে ‘ফী সাবীলিল্লাহ’ খাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয় (সূরা আত-তওবাহ : ৬০)। এ ব্যাপারে একবিংশ শতাব্দির শ্রেষ্ঠ ফক্বীহ শায়খ মুহাম্মাদ বিন ছালেহ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,

আমি মনে করি এ সকল শারঈ ইলম অর্জনকারী অক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করা জায়েয। কারণ দ্বীন প্রতিষ্ঠা লাভ করে জ্ঞান এবং হাতিয়ারের মাধ্যমে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান’ (সূরা আত-তাহরীম : ৯)। এটা জানা বিষয় যে, মুনাফিকদের সাথে জিহাদ হচ্ছে ইলম দ্বারা; অস্ত্র দ্বারা নয়। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় বই-পুস্তক ক্রয় করার জন্য যাকাতের অর্থ ব্যয় করতে হবে। সে বইগুলো ছাত্রদের ব্যক্তি মালিকানাতেও হতে পারে, আবার আমভাবে গ্রন্থাগারের জন্যও হতে পারে- যেখান থেকে ছাত্ররা বই উঠিয়ে পড়বে আবার ফেরত দেবে। কারণ ছাত্রদের জন্য বই হল জিহাদের মাঠে মুজাহিদদের হাতিয়ারের মত।

অনুরূপভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক এবং একাডেমিক ভবন নির্মাণেও যাকাতের অর্থ ব্যয় করা জায়েয। বই ক্রয় এবং ভবন তৈরি উভয় বিষয়ের মাঝে পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, কিতাব থেকে একটু বেশি উপকৃত হয়। কিতাব ছাড়া ইলম অনেকটাই অসম্ভব, যা ভবনের সাথে সম্পৃক্ত নয়। তাছাড়া সেখানে যখন গরীব-ইয়াতীম ছাত্ররা থাকবে, তখন সেই গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের দারিদ্র্যতার জন্য ভবন নির্মাণে ব্যয় করা যাবে (ফকীর বা দরিদ্র ব্যক্তি ৮টি খাতের একটি)। অনুরূপ অন্যান্য মাদরাসাও নির্মাণ করা যাবে যখন মসজিদে দারস দেয়া সম্ভব হবে না। আল্লাহই সর্বাধিক অবগত (মাজমূ‘ঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল, ১৮তম খণ্ড, পৃ. ২৫২-২৫৩)। তবে সরকারী বেতনভুক্ত মাদরাসায় যাকাত বা ওশরের টাকা দেয়া যাবে না (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৮/৪০২; ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৪২০০৫)।

প্রশ্নকারী : সাইফুল ইসলাম, গাইবান্ধা।





প্রশ্ন (২৫) : ফজরের ওয়াক্ত পুরো সময় বায়ু বের হয় এমনকি মাঝে মধ্যে ওযূতেও বায়ু বের হয়। অন্য ওয়াক্তে মাঝে মাঝে এমনটি হয়। এখন উক্ত ব্যক্তি কি মা‘যূর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : খাদীজা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর সমস্ত সম্পদ কি তিনি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিয়ে দিয়েছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জাহান্নামের স্তর কয়টি? কারা কোন্ স্তরে প্রবেশ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : মসজিদের ক্বিবলার দিকে এক কোণায় কিছু কবর আছে। কবরগুলো দেওয়াল দিয়ে পাকা করা। কবরের দেওয়াল এবং মসজিদের দেওয়ালের মধ্যে ২ ফিট পার্থক্য আছে। প্রশ্ন হল- উক্ত মসজিদে কি ছালাত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জুম‘আর দিন আছর ছালাতের পর উক্ত স্থানে বসে ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি‘আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মী ওয়া ‘আলা আলিহী ওয়া সাল্লিম তাসলীমা’ এ দরূদটি ৮০ বার পাঠ করলে আল্লাহ ৮০ বছরের ছগীরা গোনাহ মাফ করে দেন এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের নফল ইবাদতের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : সেলুনে কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ইমামের পিছনে ১ রাক‘আত ছালাত না পেলে ইমামের যদি সাহু সিজদাহ থাকে, তাহলে ইমামের সাথে কি সাহু সিজদাহ দিতে হবে, না-কি উঠে যেতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : স্বামী স্ত্রী মিলনের সময় একে অপরের লজ্জাস্থানে মুখ দিতে পারবে কি? যেহেতু কুরআনে বলা হয়েছে- স্বামী-স্ত্রী পরস্পর পোশাক স্বরূপ। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : তারাবীহর ছালাত কয় রাক‘আত? কেউ ৮ রাক‘আত পড়ে, কেউ পড়ে ২০ রাক‘আত। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বালা-মুছীবত বা জিনের কবল থেকে বাঁচার জন্য তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : সালাফী মানহাজের আলেমের মুখে শুনেছি হাদীছে এসেছে, নবী (ﷺ) ফজর ছালাত অন্ধকার থাকতেই আদায় করেছেন, ছালাত শেষে একজন আরেকজনকে চিনতে পারত না। ইমাম ছাহেবকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ফজরের ছালাত ফর্সা করে আদায় করলে ছওয়াব বেশি হবে। আমরা কোনটাকে প্রাধান্য দিব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ইলম অর্জন, তাবলীগ ও দাওয়াতের কাজে সফরে যাওয়ার জন্য পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ