বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের সকল আলিমের ইজমা‘ ও ঐকমত্যানুসারে শী‘আরা কাফির, মুশরিক এবং ইসলাম বহির্ভূত। কারণ তারা অসংখ্য ভ্রান্ত আক্বীদায় লিপ্ত। যেমন-
(১) তারা ইহুদী, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য মুশরিকের মত আল্লাহর সাথে শিরক করে। (নাউযুবিল্লাহ)। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াকূব আল-কুলাইনী ‘উছূলুল কাফী’ গ্রন্থের মধ্যে বলেন, ‘গোটা পৃথিবীর মালিক শী‘আ ইমামগণ’। অথচ আল্লাহ তা‘আলা সুস্পষ্টরূপে বলেন, اِنَّ  الۡاَرۡضَ  لِلّٰہِ ۟ۙ یُوۡرِثُہَا مَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِہٖ ‘নিশ্চয় ভূমণ্ডল তো আল্লাহরই। তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তার উত্তরাধিকারী করেন’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ১২৮)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সার্বভৌম ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহরই’ (সূরা আলে ‘ইমরান : ১৮৯)।
(২) তারা ১২ ইমামের নিষ্পাপ হওয়ার আক্বীদা পোষণ করে, যা খতমে নবুওয়াতের আক্বীদার পরিপন্থী।
(৩) তারা আক্বীদা পোষণ করে যে, কুরআন বিকৃত ও পরিবর্তিত অবস্থায় বিদ্যমান রয়েছে এবং তাতে বেশি ও কম করা হয়েছে। (নাউযুবিল্লাহ)। আর এটা তাদের জঘন্য মিথ্যাচার ও নিকৃষ্ট আক্বীদাসমূহের অন্যতম, যা তাদেরকে ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়াকে আবশ্যক করে তোলে।
(৪) তারা মুমিনদের জননী, নবী (ﷺ)-এর স্ত্রীদের এবং তাঁর প্রাণপ্রিয় কন্যাদের ও ছাহাবীদের গালাগালি ও অসম্মান করার আক্বীদা পোষণ করে।
(৫) তারা খুলাফায়ে রাশিদীন, মুহাজির ও আনছার ছাহাবীগণ, আহলে বাইত তথা নবী পরিবার-পরিজনদের, আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু), ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ও আকিল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-দের অপমান করার আক্বীদা পোষণ করে।
(৬) তারা ‘তাক্বিয়া’ অর্থাৎ নির্ভেজাল মিথ্যা অথবা সুস্পষ্ট মুনাফিক্বী বৈধ হওয়ার আক্বীদা রাখে।
(৭) নিকাহে মুত‘আহ (Temporary marriage) অর্থাৎ সাময়িক বিবাহকে হালাল মনে করে।
(৮) মহিলাদের যৌনাঙ্গ ধার বা ভাড়া করা অর্থাৎ বেশ্যাবৃত্তি বৈধতার আক্বীদায় বিশ্বাসী।
(৯) নারীদের পায়ুপথে বা মলদ্বারে সঙ্গম (Anal sex) বৈধতার আক্বীদা।
(১০) তারা রাজ‘আহ (الرجعة) বা পুনর্জন্মে বিশ্বাসী।
(১১) মৃত্তিকার আক্বীদায় বিশ্বাসী। অর্থাৎ তারা বিশ্বাস করে যে, সৎ মানুষ জান্নাতের মাটি থেকে তৈরি আর অসৎ মানুষ জাহান্নামের মাটি থেকে তৈরি (বিস্তারিত দ্র. : উছূলুল কাফী, পৃ. ২৫৯; রিজালু কাশী, পৃ. ১৩৮; তরজমাতু মাকবুল আহমাদ, পৃ. ৩৩৯; নাহজুল বালাগাহ, ১/১৮৩ পৃ.; ফাছলুল খিতাব, পৃ. ১৮০)।


প্রশ্নকারী : শরীফুল ইসলাম, দিনাজপুর।





প্রশ্ন (১৭) : গ্রামের জুমু‘আর ছালাত হবে না। এই হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : কাঁকড়া খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫০) : বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মূল জামা‘আতের পর ছালাত আদায়ের সময় ইক্বামত দিয়ে শুরু করায় মসজিদের খাদিম বলেন যে, মূল জামা‘আত হয়ে গেলে পরে ইক্বামত দেয়া যাবে না। তার উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘জুমু‘আহ মুবারক’- বলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : মেয়ের বিয়ের পরে পিতা তাকে শাসন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার মা রক্তের সম্পর্কের বহির্ভূত এক জনের সাথে কথা বলেন। মাকে তিনি ‘ভাবী’ বলেন এবং আমার মা তাকে ‘ভাই’ বলেন। আমাদের বাড়িতে আসেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি হয়ে কথা বলেন। এখন সন্তান হিসাবে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : মসজিদ কে কি masque বলা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঈদের সম্ভাষণ হিসাবে ‘ঈদ মোবারক’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ছিয়াম শুরু করা ও শেষ করার জন্য জ্যোর্তিবিদ্যার উপর নির্ভর করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : এশার ছালাতের পর দু’রাক‘আত নফল ছালাত দু’শ রাক‘আত ছালাতের ছওয়াবের সমান। কথাটির সত্যতা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : অনেক স্থানে ছালাতে সূরা আল-ফাতিহা শেষ করে তিনবার আমীন বলার প্রচলন দেখা যায়। উক্ত প্রথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ