রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : প্রথমতঃ নাহুবিদ বা ব্যাকরণবিদরা বলেন, الشاذُّ يُحفَظ ولا يُقاس عليه ‘অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠিত হয় না’। ‘উছূলুল ফিক্বহ’-এর নীতিমালা হল- الحكم للغالب والنادر لا حكم لها ‘অধিকাংশের উপর ভিত্তি করে বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়, পক্ষান্তরে অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন বিধান প্রতিষ্ঠিত হয় না’ (উছূলুল ফিক্বহ আলা মানহাযি আহলিল হাদীছ, পৃ. ১৮৭)। যেহেতু ১% বা ২% ব্যতীত সমস্ত শী‘আই কুফরী আক্বীদার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাই এ কথা বলা হয়ে থাকে। এর উদ্দেশ্য কখনোই এটা নয় যে, যাদের আক্বীদা ভালো তারাও কাফির। কেননা لكل قاعدة استثناء ‘প্রত্যেকটি নিয়মের কিছু ব্যতিক্রমী নিয়ম থাকে’।

দ্বিতীয়তঃ আমাদের বুঝতে হবে যে, ‘শী‘আদের কাফির কেন বলা হয়’? শুধু কি এই জন্যই যে, তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত? না!। বরং শী‘আরা কাফির তাদের কুফরী আক্বীদার জন্য। আর শুধু শী‘আরাই নয়, বরং যারাই ঐ আক্বীদাই বিশ্বাসী, তারাই কাফির হিসাবে বিবেচিত। ইসলামী নীতিমালা অনুযায়ী যারাই কুরআনুল কারীমকে বিকৃত মনে করে বা বিকৃত করার চেষ্টা করে অথবা হাদীছকে অস্বীকার করে অথবা নবী (ﷺ)-এর শানে বেয়াদবি করে অথবা আবু বাকর ছিদ্দীক্ব, উমার ফারুক্ব, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কিংবা অন্য কোন ছাহাবীকে গালাগালি করে অথবা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করে অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারোর ইবাদত করে তারাই কাফির। যারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, হতে পারে তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের কিংবা কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের কিংবা অন্য কোন সম্প্রদায়ের! সে কোন্ সম্প্রদায়ের সেটা বড় বিষয় নয়! বড় বিষয় হল- সে যে কাজগুলো করছে সেগুলো কোন্ পর্যায়ের! দুর্ভাগ্যবশত প্রায় সমস্ত শী‘আই উপরিউক্ত ঈমান বিধ্বংসী কর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘শী‘আরা এক প্রকারের নয়। বরং তারা কমপক্ষে ২২টি দলে বিভক্ত। সকলেই কুফরী অথবা বিদ‘আতের সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে যারা তুলনামূলকভাবে সবথেকে ছোট অপরাধী তারাও ‘আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে আবূ বাকর ছিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ও উমার ফারুক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উপর প্রাধান্য দেয় এবং ছাহাবীদের বিরোধিতা করে।

فالحاصل: أنهم ينظر في عقائدهم بالتفصيل، ولا يقال الشيعة كلهم كفار، لا، بل فيهم تفصيل، وهم أقسام كثيرة

‘সুতরাং মোদ্দাকথা হল- তাদের আক্বীদাহ সম্পর্কে বিশদভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। সকল শী‘আকে একবাক্যে কাফির বলা ঠিক হবে না। বরং তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন আছে এবং তাদের অনেক প্রকার আছে (https://binbaz.org.sa/fatwas/3129/%D8%A7%D8%B5%D9%86%)।


প্রশ্নকারী : সাকিব আহমাদ, শমশেরনগর, মৌলভীবাজার।





প্রশ্ন (৬) : কেউ কেউ বলেন, ছাগলকে খাসি করানো যাবে না এবং এমন ছাগল কুরবানী করা যাবে না। কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : বিভিন্ন স্বর্ণালংকারের দোকানে ব্যবসার উদ্দেশ্যে যে স্বর্ণ গচ্ছিত রাখা হয়, তার যাকাত ফরয কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ইসলামে কুরআন অবমাননাকারীদের শাস্তি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জনৈক শিক্ষক বলেছেন, চিকিৎসার যত্ন না নেয়ার কারণেই মানুষের মৃত্যু ঘটে। আর মানুষ যদি চিকিৎসা না করে, তাহলে সে মারা যায়। তাহলে চিকিৎসা কি সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? এ ব্যাপারে কুরআন বা হাদীছের বক্তব্য কী? চিকিৎসার সঙ্গে জীবন বা মৃত্যুর কি কোন সম্পর্ক আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : ছালাতের দু’টি বৈঠক। প্রথম বৈঠকে শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়তে হয়। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, অনেক সময় ইমামের শেষ বৈঠক আমার প্রথম বৈঠক হয়। তাহলে দীর্ঘ সময় আমি কি শুধু আত্তাহিইয়াতু পড়েই বসে থাকব, না-কি অন্য দু‘আ পড়ব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : দুনিয়াতে বেইমান, প্রতারক, পাপী, মিথ্যাবাদী লোকেরাই কেন সবচেয়ে বেশি সুখে থাকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ছালাত আদায়কারী ব্যক্তির সামনে কেউ বসে থাকলে তাকে সুতরা ধরে চলে যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : প্রত্যেক ওয়াক্তে ছালাতের সময় পর পর কয়েকটি আযান শুনতে পাওয়া যায়। এমতাবস্থায় সবক’টি আযানের জবাব দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘আখলাকুন নবী’ বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ব্যক্তি জুমু‘আর ছালাত আদায়ের পর কারো সাথে কথা না বলে বাসায় গিয়ে দরজা লাগিয়ে গোপন একটি আমল করে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কখন রসিকতা করা জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জামা‘আতের ছালাতে ইমাম সাহেব জোরে তাকবীর বলা এবং মুক্তাদির নিঃশব্দে তাকবীর বলার দলীল কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ