বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : প্রথমতঃ নাহুবিদ বা ব্যাকরণবিদরা বলেন, الشاذُّ يُحفَظ ولا يُقاس عليه ‘অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠিত হয় না’। ‘উছূলুল ফিক্বহ’-এর নীতিমালা হল- الحكم للغالب والنادر لا حكم لها ‘অধিকাংশের উপর ভিত্তি করে বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়, পক্ষান্তরে অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন বিধান প্রতিষ্ঠিত হয় না’ (উছূলুল ফিক্বহ আলা মানহাযি আহলিল হাদীছ, পৃ. ১৮৭)। যেহেতু ১% বা ২% ব্যতীত সমস্ত শী‘আই কুফরী আক্বীদার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাই এ কথা বলা হয়ে থাকে। এর উদ্দেশ্য কখনোই এটা নয় যে, যাদের আক্বীদা ভালো তারাও কাফির। কেননা لكل قاعدة استثناء ‘প্রত্যেকটি নিয়মের কিছু ব্যতিক্রমী নিয়ম থাকে’।

দ্বিতীয়তঃ আমাদের বুঝতে হবে যে, ‘শী‘আদের কাফির কেন বলা হয়’? শুধু কি এই জন্যই যে, তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত? না!। বরং শী‘আরা কাফির তাদের কুফরী আক্বীদার জন্য। আর শুধু শী‘আরাই নয়, বরং যারাই ঐ আক্বীদাই বিশ্বাসী, তারাই কাফির হিসাবে বিবেচিত। ইসলামী নীতিমালা অনুযায়ী যারাই কুরআনুল কারীমকে বিকৃত মনে করে বা বিকৃত করার চেষ্টা করে অথবা হাদীছকে অস্বীকার করে অথবা নবী (ﷺ)-এর শানে বেয়াদবি করে অথবা আবু বাকর ছিদ্দীক্ব, উমার ফারুক্ব, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কিংবা অন্য কোন ছাহাবীকে গালাগালি করে অথবা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করে অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারোর ইবাদত করে তারাই কাফির। যারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, হতে পারে তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের কিংবা কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের কিংবা অন্য কোন সম্প্রদায়ের! সে কোন্ সম্প্রদায়ের সেটা বড় বিষয় নয়! বড় বিষয় হল- সে যে কাজগুলো করছে সেগুলো কোন্ পর্যায়ের! দুর্ভাগ্যবশত প্রায় সমস্ত শী‘আই উপরিউক্ত ঈমান বিধ্বংসী কর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘শী‘আরা এক প্রকারের নয়। বরং তারা কমপক্ষে ২২টি দলে বিভক্ত। সকলেই কুফরী অথবা বিদ‘আতের সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে যারা তুলনামূলকভাবে সবথেকে ছোট অপরাধী তারাও ‘আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে আবূ বাকর ছিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ও উমার ফারুক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উপর প্রাধান্য দেয় এবং ছাহাবীদের বিরোধিতা করে।

فالحاصل: أنهم ينظر في عقائدهم بالتفصيل، ولا يقال الشيعة كلهم كفار، لا، بل فيهم تفصيل، وهم أقسام كثيرة

‘সুতরাং মোদ্দাকথা হল- তাদের আক্বীদাহ সম্পর্কে বিশদভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। সকল শী‘আকে একবাক্যে কাফির বলা ঠিক হবে না। বরং তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন আছে এবং তাদের অনেক প্রকার আছে (https://binbaz.org.sa/fatwas/3129/%D8%A7%D8%B5%D9%86%)।


প্রশ্নকারী : সাকিব আহমাদ, শমশেরনগর, মৌলভীবাজার।





প্রশ্ন (১৭) : (أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ) তথা ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মা‘বূদ নেই’ (وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًّا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ) ‘এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল’। এর প্রকৃত অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : পোশাকে রংধনুর ছাপ থাকলে তা পরিধান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : জন্মদিন লিখে কেক তৈরি করা ও তা বিপণন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কেউ মূর্তি পূজা করলে ইসলামে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ‘চুরি হওয়া মাল ছাদাক্বাহস্বরূপ’- কথাটি কি ইসলামসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বড় ভাই আমাদের পারিবারিক খরচের জন্য আমাকে এক লক্ষ টাকা দিয়েছে। এই টাকার কি যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কোন ব্যক্তি যদি খেজুর গাছ লাগায়, বীজ বপন করে কিংবা অন্য কিছু লাগায় এবং তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিছগণ এর থেকে উপকৃত হয়; তাহলে কি সে এর প্রতিদান পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : ছাদাক্বাতুল ফিতর মিসকীনকে দিতে হবে। এই মিসকীন বলতে কাকে বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): হতাশা, দুঃশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণের ইসলামী উপায় কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : কাউকে উৎসাহ দিতে হাততালি দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ‘সিদরাতুল মুনতাহা’-এর পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ অনুমতি দেননি। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ