রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর : প্রথমতঃ নাহুবিদ বা ব্যাকরণবিদরা বলেন, الشاذُّ يُحفَظ ولا يُقاس عليه ‘অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠিত হয় না’। ‘উছূলুল ফিক্বহ’-এর নীতিমালা হল- الحكم للغالب والنادر لا حكم لها ‘অধিকাংশের উপর ভিত্তি করে বিধান প্রতিষ্ঠিত হয়, পক্ষান্তরে অল্পসংখ্যকের উপর ভিত্তি করে কোন বিধান প্রতিষ্ঠিত হয় না’ (উছূলুল ফিক্বহ আলা মানহাযি আহলিল হাদীছ, পৃ. ১৮৭)। যেহেতু ১% বা ২% ব্যতীত সমস্ত শী‘আই কুফরী আক্বীদার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাই এ কথা বলা হয়ে থাকে। এর উদ্দেশ্য কখনোই এটা নয় যে, যাদের আক্বীদা ভালো তারাও কাফির। কেননা لكل قاعدة استثناء ‘প্রত্যেকটি নিয়মের কিছু ব্যতিক্রমী নিয়ম থাকে’।

দ্বিতীয়তঃ আমাদের বুঝতে হবে যে, ‘শী‘আদের কাফির কেন বলা হয়’? শুধু কি এই জন্যই যে, তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত? না!। বরং শী‘আরা কাফির তাদের কুফরী আক্বীদার জন্য। আর শুধু শী‘আরাই নয়, বরং যারাই ঐ আক্বীদাই বিশ্বাসী, তারাই কাফির হিসাবে বিবেচিত। ইসলামী নীতিমালা অনুযায়ী যারাই কুরআনুল কারীমকে বিকৃত মনে করে বা বিকৃত করার চেষ্টা করে অথবা হাদীছকে অস্বীকার করে অথবা নবী (ﷺ)-এর শানে বেয়াদবি করে অথবা আবু বাকর ছিদ্দীক্ব, উমার ফারুক্ব, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) কিংবা অন্য কোন ছাহাবীকে গালাগালি করে অথবা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরীক করে অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারোর ইবাদত করে তারাই কাফির। যারা এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, হতে পারে তারা শী‘আ সম্প্রদায়ের কিংবা কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের কিংবা অন্য কোন সম্প্রদায়ের! সে কোন্ সম্প্রদায়ের সেটা বড় বিষয় নয়! বড় বিষয় হল- সে যে কাজগুলো করছে সেগুলো কোন্ পর্যায়ের! দুর্ভাগ্যবশত প্রায় সমস্ত শী‘আই উপরিউক্ত ঈমান বিধ্বংসী কর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘শী‘আরা এক প্রকারের নয়। বরং তারা কমপক্ষে ২২টি দলে বিভক্ত। সকলেই কুফরী অথবা বিদ‘আতের সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে যারা তুলনামূলকভাবে সবথেকে ছোট অপরাধী তারাও ‘আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে আবূ বাকর ছিদ্দীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ও উমার ফারুক্ব (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর উপর প্রাধান্য দেয় এবং ছাহাবীদের বিরোধিতা করে।

فالحاصل: أنهم ينظر في عقائدهم بالتفصيل، ولا يقال الشيعة كلهم كفار، لا، بل فيهم تفصيل، وهم أقسام كثيرة

‘সুতরাং মোদ্দাকথা হল- তাদের আক্বীদাহ সম্পর্কে বিশদভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে। সকল শী‘আকে একবাক্যে কাফির বলা ঠিক হবে না। বরং তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন আছে এবং তাদের অনেক প্রকার আছে (https://binbaz.org.sa/fatwas/3129/%D8%A7%D8%B5%D9%86%)।


প্রশ্নকারী : সাকিব আহমাদ, শমশেরনগর, মৌলভীবাজার।





প্রশ্ন (২৭) : ‘যে ব্যক্তি সূরা আলে ইমরান পাঠ করে সে লোক সম্পদশালী এবং সে স্ত্রীলোক সুসজ্জিতা’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২৫১৬), মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ইহরাম বাঁধার পূর্বে কোন মহিলা ঋতুবতী হলে তার বিধান কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): জমি ক্রয় করার সময় কোন দৃঢ় নিয়ত ছিল না, সেখানে বাড়ি করব, না-কি ব্যবসা করব? এমতাবস্তায় উক্ত জমির উপর কি যাকাত ফরয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কোন ব্যক্তি দু‘আ চাইলে তাকে কী বলে দু‘আ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হজ্জের সামর্থ্য থাকা বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : তাওহীদ কাকে বলে? তাওহীদে বিশ্বাসের প্রভাব কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : যদি কেউ তার স্ত্রীকে একসাথে তিন ত্বালাক্ব দেয়, তখন তার জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : নবী করীম (ﷺ) বলেন, ‘জ্বরকে মন্দ বল না। কারণ জ্বর গুনাহসমূহকে অনুরূপ দূর করে, যেভাবে হাপর লোহার মরিচা দূর করে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) কি নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের অনুসরণ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কি ত্বালাক্ব পতিত হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৭) : একবার দরূদ পাঠ করলে ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচা হামযা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাহাদাত এবং ওয়াহশী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি তাকে বলেছিলেন যে, আমার সামনে আসবে না। এসব ঘটনা কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ