বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছোট দল, নির্দিষ্ট গ্রুপ, মাজলিস বা আসরকে হালাক্বা বলে। পারিভাষিক অর্থে হালাক্বাহ বলতে বুঝায়, ‘যিকিরের উদ্দেশ্যে একই স্বরে সম্মিলিতভাবে কিছু উচ্চারণ করা, যার মধ্যে তারা একে অপরের সঙ্গে সুর মিলিয়ে থাকে’ (আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়্যাহ আল-কুয়েতিয়্যাহ, ২১/২৫২, ২২০ পৃ.; আল-ফুতূহাতুর রাব্বানিয়্যাহ, ১/১৮ পৃ.)। ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম ত্বাবারী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, এই বিদ‘আত সর্বপ্রথম ছাহাবীদের যুগে দেখা দিয়েছিল। কিন্তু সেই সময় কুরআন ও ছহীহ হাদীছের একনিষ্ঠ আনুগত্যকারী ছাহাবীগণ এই বিদ‘আতকে কঠোরভাবে দমন করেছিলেন (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ, ৮/৫৫৮ পৃ.; আল-বিদ‘আহ ওয়ান নূহা আনহা, পৃ. ১১)। পরবর্তীতে মু‘তাযিলাহ আক্বীদায় বিশ্বাসী আব্বাসী যুগের শাসক আল-মামুন (১৭০-২১৮ হি.) ২১৬ হিজরীতে বাগদাদের প্রতিনিধি আবূ ইসহাক ইবনু ইবরাহীমকে সম্মিলিত যিকির চালু করার আদেশ করেছিলেন (আল-বিদায়াহ ওয়ান-নিহায়াহ, ১০/২৮২ পৃ.; তারীখুল উমাম ওয়াল মুলুক, ১০/২৮১ পৃ.)। অতঃপর রাফেযী-শী‘আ ও ছূফীবাদে বিশ্বাসী আলিমগণ এই নব্য আবিষ্কৃত পদ্ধতিকে মুসলিম সমাজের মধ্যে প্রচার ও প্রসার করতে সহায়তা করেন। তুর্কী ও ইরানী প্রভাবের ফলে আজ তা আমাদের সংস্কৃতিতেও ইবাদত হয়ে ঢুকে পড়েছে (দিরাসাতুন ফিল আহ্ওয়াহ, পৃ. ২৮২)।

ইমাম মালিক, শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম শাত্বিবী, আবূ নাঈম আল-আসফাহানী, হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী, ‘নবী (ﷺ), ছাহাবীগণ ও তাবিঈগণ থেকে এই প্রকৃতির সম্মিলিত যিকিরের কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। সালাফে ছালিহীন এই প্রকারের সম্মিলিত স্বরে যিকির করাকে বিদ‘আত বলেছেন (আল-হাওয়াদিছ ওয়াল বিদ‘আ, পৃ. ৬২-৬৩, ৬৮, ১৬৬; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৩/৩০১ পৃ.; ফাতাওয়া শাত্বিবী, পৃ. ২০৬-২০৮; আল-ই‘তিছাম, ১/৪৬১ পৃ.; হিলয়াতুল আওলিয়া, ৩/৩১৩ পৃ.; ফাৎহুল বারী, ১১/২৫০ পৃ.; তুহফাতুল আহওয়াযী, ৯/৩১৪ পৃ.; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ২৪/২৬৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : রাসেল বিন ইসমাঈল, জামালপুর।





প্রশ্ন (২৪) : মুওয়াযিযন আযান দেয়ার সময় মসজিদে প্রবেশ করলে ‘তাহিয়্যাতুল মসজিদ’ পড়া শুরু করবে না দাঁড়িয়ে থেকে মুওয়াযিযনের জবাব দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : চোখের যিনা কাবীরা গুনাহ, না-কি ছাগীরা গুনাহ? এটার জন্য কি তওবা করতে হবে, না-কি সৎ আমলের দ্বারা মাফ হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : কুরআনুল কারীমের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠাগুলোতে নারীদের কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত করা হয়। উক্ত নারীকণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত শুনা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : শয়তানের ওয়াসওয়াসা কি বান্দার ঈমানকে নষ্ট করে দেয়? শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ওযূতে কিভাবে কান মাসাহ করতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : প্রচলিত তাবলীগ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রাত জাগার কারণে ফজরের ছালাত প্রায়ই ক্বাযা হয়ে যায়। স্কুলে গিয়েও সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় যোহরের ছালাত ক্বাযা হয়। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : জনৈক ব্যক্তি ওয়েব সাইট ডেভলপার এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। মৌলিকভাবে এসব কাজ হারাম না। তবে স্পষ্ট হারাম যেমন সূদ ভিত্তিক ব্যাংক, মাদক, জুয়া, যৌনতা ইত্যাদি বাদ দিয়ে যেকোন ওয়েব সাইটের কাজ করলে কি তা হালাল হবে? এছাড়া কোন্ কোন্ বিষয়ের সংমিশ্রণ হলে ইনকাম হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সুস্থ সক্ষম পিতা-মাতার জন্য বদলি ওমরাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কাল্পনিক গল্প বলে উদাহরণ পেশ করা বা উপন্যাস লেখা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): আমি একজন চাকুরিজীবী। আমার মাসিক বেতন ২০,০০০/- টাকা। আমার পরিবারে সবাই আমার উপর নির্ভর করে। আমি আমার বেতন থেকে সব খরচ প্রদান করি। আমার স্ত্রী, মেয়ে, বাবা, ভাই ও বোন আছে, যাদের খরচ আমি বহন করি। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আমি আমার সম্পদের যাকাত কীভাবে দিব? আমার সম্পদের উৎস শুধু এই বেতন। কিন্তু আমার সমস্ত বেতন আমার পরিবারে ব্যয় হয়ে যায়। অতএব, আমি কখন যাকাত দিব? কিছু মানুষ বলে যে, বেতন কৃষি ফসলের মত। এতে বর্ষপূর্তির বিষয়টি বিবেচ্য নয়। সুতরাং যখন বেতন পাবেন তখনই যাকাত আবশ্যক হবে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : আমি একজন অটো ড্রাইভার। অভাব-অনটনের কারণে বছর খানেক আগে NGO থেকে দুই লাখ টাকা লোন নিয়েছিলাম, যার কিস্তি এখনো চলমান। পরবর্তীতে জানতে পারি যে, সূদ ভিত্তিক লোন দেয়া-নেয়া দুটোই হারাম কাজ। এখন আমি তাওবাহ করতে চাচ্ছি। সেক্ষেত্রে কি লোন শোধ করে তাওবাহ করতে হবে, না-কি কিস্তি চলমান অবস্থায় তাওবাহ করলে হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ