রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত তিনটি ফের্কার অনুসারীরা মুসলিম বলে দাবী করলেও আক্বীদাগত বিভ্রান্তির কারণে তারা ইসলাম বহির্ভূত। তাদেরকে মুসলিম বলা যায় না। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) খারেজীদের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, يَمْرُقُوْنَ مِنَ الْإِسْلَامِ مُرُوْقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ ‘তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৯৩২)। খারেজীরা উছমান, আলীসহ অনেক ছাহাবীকে হত্যা করেছে। শী‘আরা পাঁচটি প্রধান দল ও বহু সংখ্যক উপদলে বিভক্ত। ইমামিয়া শী‘আদের অন্যতম উপদল। তারা বারো ইমামে বিশ্বাসী। তাদের দৃষ্টিতে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাতে বায়‘আত করে ছাহাবীগণ মুরতাদ হয়ে গেছেন। এজন্য উম্মতের সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি হলেন আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) (নাঊযুবিল্লাহ) (আল-আদইয়ান, পৃ. ১৮১)। এছাড়া তাদের আক্বীদা মতে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘অছি’। অতএব আলী এবং তাঁর পরিবারের মধ্যেই নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ থাকবে। সেকারণে আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন তাদের দৃষ্টিতে অবৈধ খলীফা (কিতাবুল ফিছাল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১১৫)। এ কারণে শী‘আরাও ইসলাম বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ৩০ জন ভণ্ড নবীর আবির্ভাব ঘটবে। হাদীছে এসেছে,

وَإِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ أُمَّتِيْ كَذَّابُوْنَ ثَلَاثُوْنَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيُّ اللهِ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّيْنَ لَا نَبِيَّ بَعْدِيْ وَلَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِيْنَ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللهِ

‘অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের মাঝে ত্রিশজন মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে এবং তারা প্রত্যেকেই আল্লাহ্র নবী হওয়ার দাবী করবে। অথচ প্রকৃত কথা হল, আমিই শেষ নবী। আমার পরে আর কোন নবী নেই। তিনি আরও বলেছেন, আমার উম্মতের একটি দল সত্যের উপর অবিচল থাকবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে, ক্বিয়ামত আসা পর্যন্ত তারা এদের কোনই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না’ (আবূ দাঊদ, হা/৪২৫২; মিশকাত, হা/৫৪০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫১৭৩, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ১৬-১৭)। তাদের মধ্যে মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী (১৮৩৫-১৯০৮ খ্রি.) একজন। তার জন্ম বর্তমান ভারতের পূর্ব পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর যেলার ‘কাদিয়ান’ নামক উপশহরে। ১৮৯১ সালের ২২শে জানুয়ারী নিজেকে মসীহ ঈসা ও ১৮৯৪ সালের ১৭ই মার্চ ইমাম মাহদী এবং ১৯০৮ সালের ৫ই মার্চ নিজেকে নবী হিসাবে ঘোষণা করে। এই ভণ্ডের প্রতি বিশ্বাসী হওয়ার কারণে কাদিয়ানীরা নিঃসন্দেহে কাফের। তাদের মুসলিম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

প্রশ্নকারী : আসাদুযযামান, যশোর।




প্রশ্ন (১৩) : আলেম বা সম্মানী ব্যক্তিদের হাতে চুম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আরবী সফর মাসকে কেন্দ্র করে প্রচলিত কুসংস্কার ও বিদ‘আতগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : জায়নামাজে বিভিন্ন ছবি থাকে যেমন কা‘বা ঘর, চাঁদ, তারা, গাছের ছবি ইত্যাদি। উক্ত জায়নামাজে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কারো নাম কি মাছুমা বিলকীস কিংবা শুধু মাছুমা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কবরের গভীরতার ব্যাপারে শরী‘আতের কোন নির্দেশ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : আমার বন্ধু অনলাইনে জুয়া খেলে টাকা উপার্জন করে। অতঃপর ঐ টাকা দিয়ে মাঝে মাঝে আমাদের নাস্তা ও চা বিস্কুট খাওয়ায়। এক্ষেত্রে আমাদের খাওয়াটা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২): যে ব্যক্তির ডিউটি টাইম ফজর পর্যন্ত বিলম্বিত সে কি যোহর-আছর একত্রে আদায় করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মাগরিবের আযানের পর সুন্নাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক ব্যক্তি হালাল ব্যবসা করে। উক্ত ব্যবসার সাথে একজন হারাম উপার্জনকারী অংশগ্রহণ করতে চায়। এ অবস্থায় তার সাথে এ ব্যবসা করা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : চুক্তিতে ৩ বছর মেয়াদে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে লিচু বা আম বাগান ক্রয় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন  (২০) : যদি কোন নারী তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্বামীর বাড়ি থেকে কোন খাবার তার বাবার বাড়িতে এনে রান্না করে নিজে খায় এবং তার বাবার বাড়ীর মানুষদের খাওয়ায়, তাহলে বাড়ির মানুষদের জন্যে কি সেই খাবার খাওয়া জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ‘রিযিক’ এবং ‘বিবাহ’ কি লাওহে মাহফূযে লিখিত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ