রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
উত্তর : উক্ত তিনটি ফের্কার অনুসারীরা মুসলিম বলে দাবী করলেও আক্বীদাগত বিভ্রান্তির কারণে তারা ইসলাম বহির্ভূত। তাদেরকে মুসলিম বলা যায় না। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) খারেজীদের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, يَمْرُقُوْنَ مِنَ الْإِسْلَامِ مُرُوْقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ ‘তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৯৩২)। খারেজীরা উছমান, আলীসহ অনেক ছাহাবীকে হত্যা করেছে। শী‘আরা পাঁচটি প্রধান দল ও বহু সংখ্যক উপদলে বিভক্ত। ইমামিয়া শী‘আদের অন্যতম উপদল। তারা বারো ইমামে বিশ্বাসী। তাদের দৃষ্টিতে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাতে বায়‘আত করে ছাহাবীগণ মুরতাদ হয়ে গেছেন। এজন্য উম্মতের সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি হলেন আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) (নাঊযুবিল্লাহ) (আল-আদইয়ান, পৃ. ১৮১)। এছাড়া তাদের আক্বীদা মতে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘অছি’। অতএব আলী এবং তাঁর পরিবারের মধ্যেই নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ থাকবে। সেকারণে আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন তাদের দৃষ্টিতে অবৈধ খলীফা (কিতাবুল ফিছাল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১১৫)। এ কারণে শী‘আরাও ইসলাম বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ৩০ জন ভণ্ড নবীর আবির্ভাব ঘটবে। হাদীছে এসেছে,

وَإِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ أُمَّتِيْ كَذَّابُوْنَ ثَلَاثُوْنَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيُّ اللهِ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّيْنَ لَا نَبِيَّ بَعْدِيْ وَلَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِيْنَ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللهِ

‘অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের মাঝে ত্রিশজন মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে এবং তারা প্রত্যেকেই আল্লাহ্র নবী হওয়ার দাবী করবে। অথচ প্রকৃত কথা হল, আমিই শেষ নবী। আমার পরে আর কোন নবী নেই। তিনি আরও বলেছেন, আমার উম্মতের একটি দল সত্যের উপর অবিচল থাকবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে, ক্বিয়ামত আসা পর্যন্ত তারা এদের কোনই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না’ (আবূ দাঊদ, হা/৪২৫২; মিশকাত, হা/৫৪০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫১৭৩, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ১৬-১৭)। তাদের মধ্যে মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী (১৮৩৫-১৯০৮ খ্রি.) একজন। তার জন্ম বর্তমান ভারতের পূর্ব পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর যেলার ‘কাদিয়ান’ নামক উপশহরে। ১৮৯১ সালের ২২শে জানুয়ারী নিজেকে মসীহ ঈসা ও ১৮৯৪ সালের ১৭ই মার্চ ইমাম মাহদী এবং ১৯০৮ সালের ৫ই মার্চ নিজেকে নবী হিসাবে ঘোষণা করে। এই ভণ্ডের প্রতি বিশ্বাসী হওয়ার কারণে কাদিয়ানীরা নিঃসন্দেহে কাফের। তাদের মুসলিম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

প্রশ্নকারী : আসাদুযযামান, যশোর।




প্রশ্ন (১৮) : হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে ফার্নিচার, মাইক, সিসি ক্যামেরা, গাড়ি ইত্যাদি ভাড়া দেয়া জায়েয আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য জাদু, তন্ত্রমন্ত্র ও বশীকরণ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ইমাম সূরা ফাতিহার শেষের আয়াত তিলাওয়াত করছেন। এমতাবস্থায় কেউ জামা‘আতে অংশগ্রহণ করলে সে কি ইমামের সঙ্গে ‘আমীন’ বলার পরে সূরা ফাতিহা পড়বে, না-কি প্রথমেই সূরা ফাতিহা পড়া শুরু করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : বিভিন্ন এলাকায় মানুষ মারা গেলে বাড়ি থেকে জানাযার স্থানে নেয়ার সময় চল্লিশ কদম পর্যন্ত গণনা করা হয়। প্রতি দশ কদম পর পর খাটিয়া বহনকারী লোকদের পরিবর্তন করা হয়। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জিন এবং মানুষের ইবাদতের পার্থক্য কী? জিন জাতির উপরও কি ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ, যাকাত ইত্যাদি ইবাদতগুলো মানুষের মতই ফরয? তাদের ইবাদতের ধরণ কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কুরআনের হাফিয ১০/৭০ জনের জন্য সুপারিশ করবে এ মর্মে কোন ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : তারাবীহর ছালাতে কুরআন খতম করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হজ্জের সামর্থ্য থাকা বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক বক্তা বলেছেন, দাজ্জাল ‘জেরুজালেম’ থেকে বের হবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): আমি একজন চাকুরিজীবী। আমার মাসিক বেতন ২০,০০০/- টাকা। আমার পরিবারে সবাই আমার উপর নির্ভর করে। আমি আমার বেতন থেকে সব খরচ প্রদান করি। আমার স্ত্রী, মেয়ে, বাবা, ভাই ও বোন আছে, যাদের খরচ আমি বহন করি। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো আমি আমার সম্পদের যাকাত কীভাবে দিব? আমার সম্পদের উৎস শুধু এই বেতন। কিন্তু আমার সমস্ত বেতন আমার পরিবারে ব্যয় হয়ে যায়। অতএব, আমি কখন যাকাত দিব? কিছু মানুষ বলে যে, বেতন কৃষি ফসলের মত। এতে বর্ষপূর্তির বিষয়টি বিবেচ্য নয়। সুতরাং যখন বেতন পাবেন তখনই যাকাত আবশ্যক হবে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : তারাবীহর ছালাত দীর্ঘ করে পড়া ভাল, না-কি সংক্ষিপ্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ