রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
উত্তর : উক্ত তিনটি ফের্কার অনুসারীরা মুসলিম বলে দাবী করলেও আক্বীদাগত বিভ্রান্তির কারণে তারা ইসলাম বহির্ভূত। তাদেরকে মুসলিম বলা যায় না। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) খারেজীদের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, يَمْرُقُوْنَ مِنَ الْإِسْلَامِ مُرُوْقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ ‘তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৯৩২)। খারেজীরা উছমান, আলীসহ অনেক ছাহাবীকে হত্যা করেছে। শী‘আরা পাঁচটি প্রধান দল ও বহু সংখ্যক উপদলে বিভক্ত। ইমামিয়া শী‘আদের অন্যতম উপদল। তারা বারো ইমামে বিশ্বাসী। তাদের দৃষ্টিতে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাতে বায়‘আত করে ছাহাবীগণ মুরতাদ হয়ে গেছেন। এজন্য উম্মতের সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি হলেন আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) (নাঊযুবিল্লাহ) (আল-আদইয়ান, পৃ. ১৮১)। এছাড়া তাদের আক্বীদা মতে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘অছি’। অতএব আলী এবং তাঁর পরিবারের মধ্যেই নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ থাকবে। সেকারণে আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন তাদের দৃষ্টিতে অবৈধ খলীফা (কিতাবুল ফিছাল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১১৫)। এ কারণে শী‘আরাও ইসলাম বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ৩০ জন ভণ্ড নবীর আবির্ভাব ঘটবে। হাদীছে এসেছে,

وَإِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ أُمَّتِيْ كَذَّابُوْنَ ثَلَاثُوْنَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيُّ اللهِ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّيْنَ لَا نَبِيَّ بَعْدِيْ وَلَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِيْنَ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللهِ

‘অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের মাঝে ত্রিশজন মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে এবং তারা প্রত্যেকেই আল্লাহ্র নবী হওয়ার দাবী করবে। অথচ প্রকৃত কথা হল, আমিই শেষ নবী। আমার পরে আর কোন নবী নেই। তিনি আরও বলেছেন, আমার উম্মতের একটি দল সত্যের উপর অবিচল থাকবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে, ক্বিয়ামত আসা পর্যন্ত তারা এদের কোনই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না’ (আবূ দাঊদ, হা/৪২৫২; মিশকাত, হা/৫৪০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫১৭৩, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ১৬-১৭)। তাদের মধ্যে মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী (১৮৩৫-১৯০৮ খ্রি.) একজন। তার জন্ম বর্তমান ভারতের পূর্ব পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর যেলার ‘কাদিয়ান’ নামক উপশহরে। ১৮৯১ সালের ২২শে জানুয়ারী নিজেকে মসীহ ঈসা ও ১৮৯৪ সালের ১৭ই মার্চ ইমাম মাহদী এবং ১৯০৮ সালের ৫ই মার্চ নিজেকে নবী হিসাবে ঘোষণা করে। এই ভণ্ডের প্রতি বিশ্বাসী হওয়ার কারণে কাদিয়ানীরা নিঃসন্দেহে কাফের। তাদের মুসলিম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

প্রশ্নকারী : আসাদুযযামান, যশোর।




প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আমি ৩ মাসের গর্ভবতী। রাতে আমার শরীর ঝিম ঝিম করে এবং ভয় পায়, কিছু খেলে পেট ব্যথা করে। এই কারণে আমি একজন হুজুর দ্বারা ঝাড়ফুঁক করিয়ে নিয়েছি। প্রশ্ন হল- এই ঝাড়ফুঁক করার কারণে আমার গর্ভের সন্তানের কোন ক্ষতি হবে কি? আর যদি ক্ষতি হয় তাহলে এই ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন একজন কাফের কিংবা মুরতাদ হলে অপরজনের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কা‘বা ঘর ত্বাওয়াফের সময় নিম্নের দু‘আ পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : চোখের যিনা কাবীরা গুনাহ, না-কি ছাগীরা গুনাহ? এটার জন্য কি তওবা করতে হবে, না-কি সৎ আমলের দ্বারা মাফ হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি একজন যুবক মানুষ। ৫ ওয়াক্ত ছালাত পড়ি। এক ওয়াক্ত ছুটে গেলে প্রচণ্ড খারাপ লাগে, নিজেকে বড় গুনাহগার মনে হয়। কিন্তু গোপন পাপ করলে অনুশোচনা আসে না। আমি কিভাবে নিজেকে এই পাপ থেকে বিরত রাখব। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : মুসলিম নারী কি বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : কোন ফার্মাসিস্ট বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ বিক্রয় করলে গুনাহ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মৃত ব্যক্তির নাম বলার সময় ‘মরহুম’ বা ‘মরহুমা’ শব্দ যুক্ত করা যাবে কি না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘কাবিন’ এবং ‘মোহর’ কি একই জিনিস, না-কি পৃথক? ইসলামের দৃষ্টিতে মোহরের গুরুত্ব কতটুকু? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : সূরা ইয়াসীন ও ত্বা-হা পাঠের ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে (দারেমী, হা/৩৪১৪; মিশকাত, হা/২১৪৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৪৫, ৫/১৮ পৃ.)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আখেরী চাহার শোম্বা কী? শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ