বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত তিনটি ফের্কার অনুসারীরা মুসলিম বলে দাবী করলেও আক্বীদাগত বিভ্রান্তির কারণে তারা ইসলাম বহির্ভূত। তাদেরকে মুসলিম বলা যায় না। আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) খারেজীদের সম্পর্কে বর্ণনা করেন, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, يَمْرُقُوْنَ مِنَ الْإِسْلَامِ مُرُوْقَ السَّهْمِ مِنَ الرَّمِيَّةِ ‘তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬৯৩২)। খারেজীরা উছমান, আলীসহ অনেক ছাহাবীকে হত্যা করেছে। শী‘আরা পাঁচটি প্রধান দল ও বহু সংখ্যক উপদলে বিভক্ত। ইমামিয়া শী‘আদের অন্যতম উপদল। তারা বারো ইমামে বিশ্বাসী। তাদের দৃষ্টিতে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে আবুবকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাতে বায়‘আত করে ছাহাবীগণ মুরতাদ হয়ে গেছেন। এজন্য উম্মতের সর্বনিকৃষ্ট ব্যক্তি হলেন আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) (নাঊযুবিল্লাহ) (আল-আদইয়ান, পৃ. ১৮১)। এছাড়া তাদের আক্বীদা মতে, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘অছি’। অতএব আলী এবং তাঁর পরিবারের মধ্যেই নেতৃত্ব সীমাবদ্ধ থাকবে। সেকারণে আবুবকর, ওমর ও ওছমান (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) ছিলেন তাদের দৃষ্টিতে অবৈধ খলীফা (কিতাবুল ফিছাল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১১৫)। এ কারণে শী‘আরাও ইসলাম বহির্ভূত। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ৩০ জন ভণ্ড নবীর আবির্ভাব ঘটবে। হাদীছে এসেছে,

وَإِنَّهُ سَيَكُوْنُ فِيْ أُمَّتِيْ كَذَّابُوْنَ ثَلَاثُوْنَ كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيُّ اللهِ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّيْنَ لَا نَبِيَّ بَعْدِيْ وَلَا تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ عَلَى الْحَقِّ ظَاهِرِيْنَ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَالَفَهُمْ حَتَّى يَأْتِيَ أَمْرُ اللهِ

‘অদূর ভবিষ্যতে আমার উম্মতের মাঝে ত্রিশজন মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটবে এবং তারা প্রত্যেকেই আল্লাহ্র নবী হওয়ার দাবী করবে। অথচ প্রকৃত কথা হল, আমিই শেষ নবী। আমার পরে আর কোন নবী নেই। তিনি আরও বলেছেন, আমার উম্মতের একটি দল সত্যের উপর অবিচল থাকবে, যারা তাদের বিরোধিতা করবে, ক্বিয়ামত আসা পর্যন্ত তারা এদের কোনই ক্ষতিসাধন করতে পারবে না’ (আবূ দাঊদ, হা/৪২৫২; মিশকাত, হা/৫৪০৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫১৭৩, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ১৬-১৭)। তাদের মধ্যে মির্যা গোলাম আহমাদ কাদিয়ানী (১৮৩৫-১৯০৮ খ্রি.) একজন। তার জন্ম বর্তমান ভারতের পূর্ব পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর যেলার ‘কাদিয়ান’ নামক উপশহরে। ১৮৯১ সালের ২২শে জানুয়ারী নিজেকে মসীহ ঈসা ও ১৮৯৪ সালের ১৭ই মার্চ ইমাম মাহদী এবং ১৯০৮ সালের ৫ই মার্চ নিজেকে নবী হিসাবে ঘোষণা করে। এই ভণ্ডের প্রতি বিশ্বাসী হওয়ার কারণে কাদিয়ানীরা নিঃসন্দেহে কাফের। তাদের মুসলিম হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

প্রশ্নকারী : আসাদুযযামান, যশোর।




প্রশ্ন (১৬) : ডান দিক থেকে কাতার পূরণ করার কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমি দীর্ঘদিন থেকে একটি মেয়ের সাথে যেনায় লিপ্ত। অনেকবার ছাড়তে চেয়েও পারিনি। আমি লজ্জায় কিছুই করতে পারি না। কী কী কাজ করলে আমি এটা থেকে বের হয়ে আসতে পারি? কিভাবে তওবাহ করতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সপ্রাপ্ত মহিলা তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া কোন পুরুষকে বিবাহ করতে পারবে কি? যদি বিবাহ করে, তাহলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে এই বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সহশিক্ষা পদ্ধতিতে শিক্ষকতা করে জীবিকা নির্বাহ কি হালাল? এই রকম শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : আপন ভাগ্নির মেয়েকে বিয়ে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : পোশাকে রংধনুর ছাপ থাকলে তা পরিধান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : পিতা-মাতা যদি সন্তানকে ক্ষমা না করে, তাহলে কী করণীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : কুরআন যেমন আল্লাহর কালাম অনুরূপ হাদীছের ক্ষেত্রে আমাদের আক্বীদা কেমন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : হাদীছে এসেছে যে, কোন ব্যক্তি যদি সূরা বাক্বারাহ পড়ে তাহলে তার ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না। কিন্তু সূরাটি যদি মোবাইল বা কম্পিউটারে বাজানো হয় তাহলে কি এই ফযীলত পাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯): ‘আহাদ’ কি আল্লাহর নাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে ব্যক্তি চারের অধিক বিয়ে করেছে, ইসলামে তার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : তায়াম্মুমের সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ