রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামে মন্দ বা ক্ষতিকর খাদ্য বা পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে এমন পণ্যের বেচাকেনা নিষিদ্ধ হতে পারে; যা মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হয়। এটি উল্লিখিত পণ্যগুলোর ওপর প্রযোজ্য হতে পারে, যদি সেগুলো অতিরিক্ত ব্যবহারে স্বাস্থ্যহানি হয় এবং যদি এর বিক্রি করা এক ধরনের সমাজে ক্ষতি বা হুমকি সৃষ্টি করে। ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দাইমাহর মতে, ‘যেকোন পণ্য বিক্রয় তখনই নিষিদ্ধ হবে, যদি সেটি সরাসরি হারাম অথবা মানুষের শরীরের জন্য প্রমাণিতভাবে মারাত্মক ক্ষতিকর হয়। অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর হলে বিক্রি জায়েয, তবে নৈতিকতা বজায় রেখে বিক্রি করা উচিত’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দাইমাহ, ১৩/৩৪-৩৫ পৃ)। ইমাম ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘খাবারের বিক্রি জায়েয যতক্ষণ না তা নাপাক বা হারাম। অতিরিক্ত ব্যবহার যদি ক্ষতির কারণ হয়, তবে বিক্রেতার দায়িত্ব এটি গ্রাহকদের সতর্ক করা’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনি উছাইমীন, ২৮/১০০-১০২ পৃ.)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা নেকি ও আল্লাহভীতিতে একে অপরকে সাহায্য কর, কিন্তু পাপ ও সীমালঙ্ঘনে সাহায্য করো না’ (সূরা আল-মায়িদা: ২)। এ আয়াতের ভিত্তিতে, যদি পণ্য ক্ষতিকর বা হারাম কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে তা বিক্রি করা নিষিদ্ধ। ইসলামিক স্কলারদের মতে, ‘সরাসরি ক্ষতিকারক প্রমাণিত না হলে এমন পণ্য বিক্রি করা বৈধ’ (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং- ৮৫৬০২)। মূলত এই পণ্যগুলোর বিক্রি ইসলামে বৈধ। তবে ব্যবসায়ীদের উচিত নৈতিকতা রক্ষা করা এবং পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করা। আল্লাহ সর্বাধিক জ্ঞানী।


প্রশ্নকারী : লুৎফাতুল ইসলাম নোবেল, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (১৪) : বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর সময় মা দুধ পানের দু‘আ পাঠ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫১) : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির বর্তমানে পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু পাওনাদারদের কাছে মিথ্যা কথা বলতে হয়। এমতাবস্থায় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করে ব্যাংকের নিকট ঋণগ্রস্ত থাকা যাবে কি? যদিও এই লোন সূদ যা হারাম। আবার বান্দার হক্বও আল্লাহ মাফ করবেন না। আল্লাহর কাছে তওবা করে কি ব্যাংক থেকে লোন নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আব্দুল্লাহ ইবনু শাকীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের হৃদয়ে আছে দু’টি কুঠরী, একটিতে থাকে ফেরেশতা, অপরটিতে থাকে শয়তান। মানুষ যখন আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়, তখন শয়তান পিছনে সরে যায়। আর যখন মানুষ যিকির থেকে উদাসীন থাকে, তখন সে তার ঠোঁট দিয়ে হৃদয়ে ঠোকর মারতে থাকে। হৃদয়ে প্রক্ষেপ করে প্ররোচনা’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : বিদেশে কাজের কারণে আমরা কয়েকজন জুমু‘আর ছালাতে অংশগ্রহণ করতে পারি না। এখন আমরা কি যোহরের ছালাত আদায় পারব, না-কি জুমু‘আর ছালাত আদায় করব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : একজন বিবাহিত মহিলা এবং অবিবাহিত ছেলে যদি যেনা করে, তারপর সে ছেলে নিজের ভুল বুঝতে পেরে যদি তওবা করে; তাহলে তার তাওবা কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মৃতের জন্য কুলখানি, চল্লিশা, মীলাদ ইত্যাদি অনুষ্ঠান পালন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : দাড়ি রাখার সুন্নাতী পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মৃত্যু যন্ত্রণা কি গুনাহগুলোকে হালকা করবে? অনুরূপভাবে রোগ-বিমার কি গুনাহকে কিছুটা লাঘব করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : মহান আল্লাহর ঋণ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বিয়ের জন্য সূরা আহযাব লিখে রাখলে ঠিক কতদিনের মধ্যে ফল পাওয়া যায়? এমন কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ক্বাযা ছালাতের সুন্নাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১): সারা বছর যোহরের ছালাতের সময় হয় ১১:৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১২:১৮ মিনিটের মধ্যে। কিন্তু অধিকাংশ আহলেহাদীছ মসজিদে ১২:৫০ বা ১টায় আযান দিয়ে ছালাত আদায় করা হয়। প্রশ্ন হল- এই সময়ে ছালাত আদায় করলে আওয়াল ওয়াক্ত থাকবে কি বা আওয়াল ওয়াক্তের ফযীলত পাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ