বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলামে মন্দ বা ক্ষতিকর খাদ্য বা পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে এমন পণ্যের বেচাকেনা নিষিদ্ধ হতে পারে; যা মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কারণ হয়। এটি উল্লিখিত পণ্যগুলোর ওপর প্রযোজ্য হতে পারে, যদি সেগুলো অতিরিক্ত ব্যবহারে স্বাস্থ্যহানি হয় এবং যদি এর বিক্রি করা এক ধরনের সমাজে ক্ষতি বা হুমকি সৃষ্টি করে। ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দাইমাহর মতে, ‘যেকোন পণ্য বিক্রয় তখনই নিষিদ্ধ হবে, যদি সেটি সরাসরি হারাম অথবা মানুষের শরীরের জন্য প্রমাণিতভাবে মারাত্মক ক্ষতিকর হয়। অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর হলে বিক্রি জায়েয, তবে নৈতিকতা বজায় রেখে বিক্রি করা উচিত’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দাইমাহ, ১৩/৩৪-৩৫ পৃ)। ইমাম ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘খাবারের বিক্রি জায়েয যতক্ষণ না তা নাপাক বা হারাম। অতিরিক্ত ব্যবহার যদি ক্ষতির কারণ হয়, তবে বিক্রেতার দায়িত্ব এটি গ্রাহকদের সতর্ক করা’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনি উছাইমীন, ২৮/১০০-১০২ পৃ.)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা নেকি ও আল্লাহভীতিতে একে অপরকে সাহায্য কর, কিন্তু পাপ ও সীমালঙ্ঘনে সাহায্য করো না’ (সূরা আল-মায়িদা: ২)। এ আয়াতের ভিত্তিতে, যদি পণ্য ক্ষতিকর বা হারাম কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে তা বিক্রি করা নিষিদ্ধ। ইসলামিক স্কলারদের মতে, ‘সরাসরি ক্ষতিকারক প্রমাণিত না হলে এমন পণ্য বিক্রি করা বৈধ’ (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং- ৮৫৬০২)। মূলত এই পণ্যগুলোর বিক্রি ইসলামে বৈধ। তবে ব্যবসায়ীদের উচিত নৈতিকতা রক্ষা করা এবং পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করা। আল্লাহ সর্বাধিক জ্ঞানী।


প্রশ্নকারী : লুৎফাতুল ইসলাম নোবেল, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (৩৩) : যে ব্যক্তি রামাযান মাসের শেষ জুম‘আয় ক্বাযা ছালাতগুলো আদায় করবে, তার জীবনের ৭০ বছরের ছুটে যাওয়া প্রত্যেক ছালাতের ক্ষতি পূরণের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। উক্ত বক্তব্যের কোন প্রমাণ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘ঈমানকে মাখলূক বললে কাফির হবে’। এ ব্যাপারে আমাদের আক্বীদা কেমন হবে? অন্তরের বিশ্বাস, মুখে স্বীকৃতি ও কর্মে বাস্তবায়ন এগুলো কী মাখলূক? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অনেকে রামাযান মাস আসলে তওবা করে, ছালাত আদায় করে এবং ছিয়াম পালন করে। কিন্তু রামাযানের পর সব ছেড়ে দেয়। এদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : তায়াম্মুমের সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : এমন কি কোন যিকির আছে, যা নির্ধারিতভাবে গণনা ছাড়াই বেশি বেশি পড়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : সফরে সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত ক্বছর করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অন্তরের রিয়া দূর করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জান্নাতের হূরগণ বলবে, نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلَا نَبِيْدُ وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلَا نَبْأَسُ وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلَا نَسْخَطُ طُوْبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ ‘আমরা চিরদিন থাকব, কখনও ধ্বংস হব না। আমরা হামেশা সুখে-সানন্দে থাকব, কখনও দুঃখ-দুশ্চিন্তায় পতিত হবে না। আমরা সর্বদা সন্তুষ্ট থাকব, কখনও নাখোশ হব না। সুতরাং তাকে ধন্যবাদ, যার জন্য আমরা এবং আমাদের জন্য যিনি’ (তিরমিযী, হা/২৫৬৪; মিশকাত, হা/৫৬৪৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৫৪০৭, ১০/১৫০ পৃ.) মর্মে বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩): ইসলামে মুদারাবা কি হালাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : হাদীছে কুদসীর পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি দিনে পঁচিশ জনের সাথে মুছাফাহা করে আর সেদিন মারা যায়, তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : ‘ছালাতুল ইশরাক্ব’, ‘ছালাতুয যুহা’ এবং ‘ছালাতুল আউওয়াবীন’ বলতে কোন্ কোন্ ছালাতকে বুঝানো হয় এবং এই সকল ছালাতের ফযীলত কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ