বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : হাদীছটি ছহীহ। আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসূল (ﷺ) বলেছেন,

ثلاثةٌ يَدْعونَ اللهَ فلا يُستجابُ لهم: رَجلٌ كانتْ تحتَهُ امرأةٌ سيِّئةُ الخُلُقِ فلمْ يُطلِّقْها، ورَجلٌ كان له على رَجلٍ مالٌ فلمْ يُشهِدْ عليه، ورَجلٌ آتَى سفيهًا مالَهُ وقد قالَ اللهُ عزَّ وجلَّ: (وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ) النساء

‘তিন শ্রেণীর মানুষ আল্লাহর কাছে দু‘আ করে, কিন্তু তাদের দু‘আ ক্ববুল করা হয় না। যথা : এমন ব্যক্তি যার অধীনে চরিত্রহীনা স্ত্রী রয়েছে, কিন্তু সে তাকে ত্বালাক্ব দেয় না। এমন ব্যক্তি যে অপর ব্যক্তিকে ঋণ দিয়েছে, কিন্তু সে ব্যাপারে কাউকে সাক্ষী রাখেনি এবং এমন ব্যক্তি যে মূর্খ ব্যক্তির হাতে অর্থ প্রদান করে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর তোমরা অল্প বুদ্ধিমানদেরকে তাদের ধন-সম্পদ অর্পণ করো না’ (সূরা আন-নিসা: ৫; তাফসীরে ত্বাবারী, হা/৮৫৪৪; মুসতাদরাকে হাকিম, হা/৩১৮১, ৩২২৩; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/১৮০৫)।

উক্ত হাদীছের উদ্দেশ্য হল- পূর্বোক্ত তিনটি বিষয়ে ঐ তিন শ্রেণীর মানুষের দু‘আ ক্ববুল হবে না। এমনটি নয় যে, 'এই তিন শ্রেণীর মানুষ অন্যান্য বিষয়ে দু‘আ করলেও ক্ববুল হবে না’। বিষয়টি হল- যার অধীনে চরিত্রহীনা স্ত্রী রয়েছে, কিন্তু সে তাকে ত্বালাক্ব দেয় না, অথচ সে এ ব্যাপারে সক্ষম, এমন ব্যক্তি তার স্ত্রীর ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলার কাছে দু‘আ করলেও তার দু‘আ ক্ববুল করা হয় না। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ঋণ দেয়ার সময় সাক্ষী রাখেনি, ঋণের টাকা না পেয়ে কিংবা ঋণ গ্রহীতা যদি অস্বীকার করে, এখন তার বিরুদ্ধে কোন দু‘আ করলেও তার দু‘আ ক্ববুল করা হয় না। অর্থাৎ দু‘আ ক্ববুল না হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট তিনটি বিষয় ও পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত (ফিক্বহুল মুসলিম অনলাইন, https://fiqh.islamonline.net/%D8%AD%D8%AF%D9%8A%D8%AB-%D8%AB%D)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রব, বরিশাল।





প্রশ্ন (৯) : ইসলামী খিলাফতের দায়িত্ব ও কর্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : প্রথম রাক‘আতে দ্বিতীয় সিজদার পর মাথা তোলার সময় তাকবীর দিয়ে জালসা ইস্তিরাহাতের জন্য বসতে হবে, না-কি জালসা ইস্তিরাহাতের পর তাকবীর দিয়ে দাঁড়াতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ছালাতের শেষ বৈঠকে ভুল করে তাশাহহুদ পাঠ করার পর দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : দাঁত সাজানো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : আমাদের এলাকায় কিছু মানুষকে হাই উঠলে ‘লা হাওলা ওয়া কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলে থাকে। এরূপ বলার কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক মসজিদের ইমাম বলেন, আমাদের রাসূল (ﷺ) মারা যাননি, তিনি কবরে জীবিত আছেন। তিনি মানুষের কথা শুনেন এবং হাজাত পূরণ করেন। রাসূল (ﷺ) সম্পর্কে তার এই ভ্রান্ত বিশ্বাস পোষণের কারণে তার পিছনে ছালাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : পিতার উপার্জন হারাম। বুঝানোর চেষ্টা করলেও শুনেন না। তাই ছেলে যদি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আলাদাভাবে চলতে চায়, তাহলে ছেলে গুনাহগার হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : যাদুবিদ্যা শেখার পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কবরস্থানে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিড়াল কেনা-বেচা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ছালাতে সিজদায় বাংলাতে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জনৈক আলেম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমু‘আর দিন তার মাতা-পিতা অথবা তাদের মধ্যে কোন একজনের কবর যিয়ারত করবে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী বলে লেখা হবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান হা/৭৯০১)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ