শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
উত্তর : ভূপৃষ্ঠের উপর সর্বাধিক পবিত্র ও নিরাপদ স্থান হল মসজিদ। মুসলিমদের উচিত তাদের ইবাদতের স্থান নিজেই নির্মাণ করা। একজন ব্যক্তির একক প্রচেষ্টায় বিশাল অট্টালিকা অনায়াসে নির্মিত হচ্ছে, অথচ আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ করতে গিয়ে পুরো সমাজ হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে, এটা খুবই পরিতাপের বিষয়। আমরা যদি সত্যিই আল্লাহর ঘর মসজিদকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসতাম, তাহলে এই ধরনের বিতর্কিত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হত না। তবে এ ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য বক্তব্য হল, অমুসলিমদের অনুদান মসজিদ নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা দোষনীয় নয়। শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

إذا كان فيه شرط يخالف الشرع فلا أما التبرع المجرد فإنه ليس فيه شيء والنبي ﷺ قبل كثيْرًا من هدايا المشركيْن

‘অমুসলিমদের অনুদানের সঙ্গে শরী‘আত বিরোধী কোন শর্ত যুক্ত থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না। তবে নিঃশর্ত অনুদান গ্রহণ করাতে কোন সমস্যা নেই। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দেয়া অসংখ্য উপহার গ্রহণ করেছেন’ (ইবনু বায, মাজমূঊ ফাতাওয়া, ২৮তম খণ্ড, পৃ. ২৩৭)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটিকে প্রশ্ন করা হয় যে, ‘খ্রিষ্টান শাসক মুসলিমদের জন্য মসজিদ নির্মাণ করে দিলে তা গ্রহণ করা যাবে কি বা উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে কি? উত্তরে তাঁরা বলেন,

عليكم أن تقبلوا ما أنشأته لكم من المساجد...وعليكم معشر المسلمين أن تتعاونوا فيما بينكم في إنشاء مرافق أخرى من مساجد ومدارس إسلامية وغير ذلك مما تحتاجون إليه

‘খ্রিষ্টান শাসক আপনাদের জন্য যে মসজিদ নির্মাণ করেছে, তা গ্রহণ করা আপনাদের জন্য অপরিহার্য। ...হে! মুসলিম ভাইয়েরা! আপনাদের উপর এটাও অপরিহার্য যে, আপনারা মসজিদ, মাদরাসা ও ইসলামী অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নির্মাণে পরস্পরে সহযোগিতা করবেন’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৫৫-২৫৬, ফৎওয়া নং-২০১১২)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فيجوز أن يبنيها البر والفاجر والمسلم والكافر ‘সৎ-অসৎ, মুসলিম-অমুসলিম সকলেই মসজিদ নির্মাণ করতে পারে’ (ইসলাম ওয়েব, ফাতাওয়া নং-২১৪৫৪, ২৬৬১)। এছাড়া ইসলাম অমুসলিমদের উপহার গ্রহণ করা জায়েয করেছে। সেক্ষেত্রে তাদের অনুদান মসজিদ নির্মাণের কাজে ব্যবহার করাও জায়েয (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩৬৪৫৭)।


প্রশ্নকারী : আবূ বকর, হড়গ্রাম, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৮) : মৃত ব্যক্তির নামে, মসজিদে হালাকা করা অর্থাৎ দু‘আ বা যিকিরের আয়োজন করা, কোন দু‘আর মাহফিল করা বা কোন হুজুর ডেকে কুরআন খতম পড়ানো ও খাওয়ানো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : সূদী ঋণ নিয়ে হজ্জ করলে হজ্জ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কুরআনে এসেছে, কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। তাহলে দাইয়ূছ ব্যক্তি কেন জান্নাতে যাবে না? তার কী দোষ? এটা কি সাংঘর্ষিক নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কোন মুসলিমকে কাফের বলার জন্য কোন শর্ত আছে কী? তাকফীরের মূলনীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ছহীহ বুখারীতে ‘যাকাতুল ফিতর’ ঈদের ছালাতের পূর্বে বণ্টন করার কথা রয়েছে। কিন্তু কেউ কেউ ছালাতের পরে বন্টন করাকে সুন্নাত বলে প্রচার করেন। কোনটি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অনেকে ব্যবসার স্বার্থে জাল-যঈফ হাদীছ ও মিথ্যা কাহিনী সম্বলিত বই-পুস্তক বিক্রি করে থাকে। এই ব্যবসা হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক বক্তা বলেছেন, দাজ্জালের সাথে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। দাজ্জাল অচিরেই আগমন করবে। এভাবে বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ইংরেজি ভাষা শিক্ষা দেয়াকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা যাবে কি? কারণ এর মাধ্যমে বেহায়াপনা, নির্লজ্জতা, নোংরামি ইত্যাদি প্রচার হচ্ছে। দ্বীনের প্রচারের উদ্দেশ্যে ইংরেজী ভাষা শিক্ষা করা ও শিখানো বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : আমাদের পূর্ব পুরুষ (তিন পুরুষ আগে) ৪ শতক জমি মসজিদের নামে দান করেছিলেন। আর এই ৪ শতক জমির ৩ শতকের উপর তারা মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। বাকি ১ শতক জমি ফাঁকা পড়েছিল। আমরা একপুরুষ ধরে এই ফাঁকা জায়গাটা (মসজিদের সামনে) পারিবারিক কবরস্থান হিসাবে ব্যবহার করছি। এখন আমরা এই জমির জন্য, আমাদের নিজের জমি থেকে মসজিদকে ১ শতক জমি দান করতে পারব কি? আর কবরস্থান কি এভাবেই চালু রাখব, না-কি তা বন্ধ করে দেবো? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : যারা রাসূল (ﷺ)-কে গালি দেয়, তাদের হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : আমার স্ত্রী আমাকে রুপার দু’টি আংটি উপহার দিয়েছে। আমি আংটি দু’টি দুই হাতে পরিধান করি। প্রশ্ন হল- ছেলেরা কি দুই হাতে দু’টি আংটি পড়তে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ‘তোমরা হজ্জ ও উমরাহ পরপর একত্রে পালন কর। কেননা এ দু’টি (হজ্জ ও উমরাহ) দারিদ্র্য ও গুনাহসমূহ এমনভাবে দূর করে দেয় যেমন কামারের হাপর লোহা ও সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর হজ্জে মাবরূরের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ