বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ভূপৃষ্ঠের উপর সর্বাধিক পবিত্র ও নিরাপদ স্থান হল মসজিদ। মুসলিমদের উচিত তাদের ইবাদতের স্থান নিজেই নির্মাণ করা। একজন ব্যক্তির একক প্রচেষ্টায় বিশাল অট্টালিকা অনায়াসে নির্মিত হচ্ছে, অথচ আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ করতে গিয়ে পুরো সমাজ হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে, এটা খুবই পরিতাপের বিষয়। আমরা যদি সত্যিই আল্লাহর ঘর মসজিদকে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসতাম, তাহলে এই ধরনের বিতর্কিত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হত না। তবে এ ব্যাপারে গ্রহণযোগ্য বক্তব্য হল, অমুসলিমদের অনুদান মসজিদ নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা দোষনীয় নয়। শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

إذا كان فيه شرط يخالف الشرع فلا أما التبرع المجرد فإنه ليس فيه شيء والنبي ﷺ قبل كثيْرًا من هدايا المشركيْن

‘অমুসলিমদের অনুদানের সঙ্গে শরী‘আত বিরোধী কোন শর্ত যুক্ত থাকলে তা গ্রহণ করা যাবে না। তবে নিঃশর্ত অনুদান গ্রহণ করাতে কোন সমস্যা নেই। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুশরিকদের দেয়া অসংখ্য উপহার গ্রহণ করেছেন’ (ইবনু বায, মাজমূঊ ফাতাওয়া, ২৮তম খণ্ড, পৃ. ২৩৭)।

সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটিকে প্রশ্ন করা হয় যে, ‘খ্রিষ্টান শাসক মুসলিমদের জন্য মসজিদ নির্মাণ করে দিলে তা গ্রহণ করা যাবে কি বা উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে কি? উত্তরে তাঁরা বলেন,

عليكم أن تقبلوا ما أنشأته لكم من المساجد...وعليكم معشر المسلمين أن تتعاونوا فيما بينكم في إنشاء مرافق أخرى من مساجد ومدارس إسلامية وغير ذلك مما تحتاجون إليه

‘খ্রিষ্টান শাসক আপনাদের জন্য যে মসজিদ নির্মাণ করেছে, তা গ্রহণ করা আপনাদের জন্য অপরিহার্য। ...হে! মুসলিম ভাইয়েরা! আপনাদের উপর এটাও অপরিহার্য যে, আপনারা মসজিদ, মাদরাসা ও ইসলামী অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস নির্মাণে পরস্পরে সহযোগিতা করবেন’ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৫৫-২৫৬, ফৎওয়া নং-২০১১২)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, فيجوز أن يبنيها البر والفاجر والمسلم والكافر ‘সৎ-অসৎ, মুসলিম-অমুসলিম সকলেই মসজিদ নির্মাণ করতে পারে’ (ইসলাম ওয়েব, ফাতাওয়া নং-২১৪৫৪, ২৬৬১)। এছাড়া ইসলাম অমুসলিমদের উপহার গ্রহণ করা জায়েয করেছে। সেক্ষেত্রে তাদের অনুদান মসজিদ নির্মাণের কাজে ব্যবহার করাও জায়েয (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩৬৪৫৭)।


প্রশ্নকারী : আবূ বকর, হড়গ্রাম, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৫) : আমরা অনেকেই সরকারী চাকরী করি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে সূদ ও ঘুষের সাথে জড়িত। উক্ত চাকরির বেতন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : তারাবীহর ছালাত চলছে। এমতাবস্থায় এশার ফরয ছালাত আদায়ের নিয়ত করে তারাবীহর জামা‘আতে শরীক হওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : ইমামের সূরা ফাতিহা পড়ার সাথে সাথে মুছল্লীগণও তা পড়বে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মুক্তিপ্রাপ্ত দলের বৈশিষ্ট্য কী? কোন ব্যক্তির মাঝে যদি উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহের কোন একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে সে কি মুক্তিপ্রাপ্ত দল হতে বের হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অনেকে রামাযান মাস আসলে তওবা করে, ছালাত আদায় করে এবং ছিয়াম পালন করে। কিন্তু রামাযানের পর সব ছেড়ে দেয়। এদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : হিন্দুর সাথে পাটনার ব্যবসা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ‘হাসান’ হাদীছের উপর আমল করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আবূ দাঊদে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ  বলেছেন, যে কুরআনকে মধুর সূরে পাঠ করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়’। উক্ত হাদীছের মূল ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমি সফরে নিদিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করি। বাড়ি থেকে সকালে বের হয়ে আবার রাতের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসি। প্রশ্ন হল- এরকম সময় আমি কি ছালাত কছর করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হায়াতুন্নবীতে বিশ্বাস করা যাবে কি? অলী-আওলিয়া কবরে জীবিত থেকে মানুষের উপকার বা ক্ষতি করতে পারেন এমন বিশ্বাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জুমু‘আর দিনে বেলা ১১-১২ টা পর্যন্ত কুরআন শিক্ষা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫): দরিদ্র ও অস্বচ্ছল নিকটাত্মীয় যেমন ভাই, বোন, চাচা অথবা ফুফুকে যাকাতের অর্থ দেয়া জায়েয হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ