বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন

 উত্তর : মানুষের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়ে তওবাহ করার পূর্বে হক্বদারের নিকট তার হক্ব ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা তার কাছ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিতে হবে। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলমের জন্য দায়ী থাকে অথবা যে তার কোন ভাইয়ের মান-সম্মান ও ধন-সম্পদের ব্যাপারে যুলম করেছে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সেদিন আসার পূর্বেই যেদিন তার কোন দীনার বা দিরহাম থাকবে না। সেদিন তার কোন সৎকর্ম থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট হতে নেয়া হবে, আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে হক্বদারের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯, ৬৫৩৪; তিরমিযী, হা/২৪১৯)।


ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মালিকের অনুমতি ব্যতীত কোন জিনিস নিলে তা ফিরিয়ে দেয়া অপরিহার্য’ (যাদুল মা‘আদ, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৬৯০)। শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘কারোর কিছু চুরি করলে, তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলতে হবে যে, ‘আপনার এই মালটা আমার কাছে থেকে গিয়েছিল। অতএব আপনি তা ফেরত নিন’। এভাবে বলে দু’জনের মধ্যে সমাধান করে নিতে হবে। আর যদি সাহস করে বলতে না পারে অথবা যদি অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার ভয় থাকে, তবে অন্য যে কোন পদ্ধতিতে উক্ত মাল মালিকের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৬২; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৩০৯৯)। আর যদি চুরির মালের পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক হিসাব না থাকে, তাহলে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে তা থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করবে এবং সতর্কতামূলক আধিক্যকে প্রাধান্য দেবে। যেমন যদি ১০ ও ৮ এর মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়, তবে ১০ কে ধরবে, তাহলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৩০৯৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আলীম, সূত্রাপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৫) : ‘যে ব্যক্তি সব মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর জন্য দু‘আ করবে আল্লাহ তাকে প্রতিটি মুমিন পুরুষ ও নারীর পরিবর্তে একটি করে পুণ্য দেবেন’। হাদীছটি কী ছহীহ? ছহীহ হলে কোন্ দু‘আটি পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : লুক্বমান (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন, না-কি ছালিহ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জমি বন্ধকী পদ্ধতি কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : যদি কোন ব্যক্তি কোন পাপ করে এবং সেই মুহূর্তে মনে করে বা অনুভব করে যে ‘এতে কোন দোষ নেই’, কিন্তু পরে বুঝতে পারে ও স্বীকার করে যে এটি আসলে পাপ ছিল- তাহলে এটি কি কুফরি হিসাবে গণ্য হবে? এবং এমন অবস্থার জন্য কীভাবে তাওবা (অনুতাপ) করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : খাদ্য ও পানীয় হারাম হলে দু‘আ কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ছালাতে তাশাহ্হুদের সময় দৃষ্টি কোন্ দিকে রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : অন্তরের রিয়া দূর করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : জনৈক বক্তা বলেন, আশূরার দিনেই ক্বিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ইসলামী রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য কী? ক্ষমতা অর্জন, না-কি দ্বীন প্রতিষ্ঠা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ছিয়াম অবস্থায় ক্যাথেটার ও সাপোজিটোরী ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : পালক পুত্রকে, তার পালক বাবা-মা সম্পত্তি লিখে দিতে পারবে? যদি দেয় তাহলে কি গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুম‘আর দিন আমার উপর ৪০ বার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ৪০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দিবেন। আর যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে তার পক্ষ থেকে তা গ্রহণযোগ্য হবে এবং তার ৮০ বছরের পাপ আল্লাহ মাফ করে দিবেন (তাযকিরাতুল মাওযূ‘আত, পৃ. ৯০)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ