বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

 উত্তর : মানুষের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়ে তওবাহ করার পূর্বে হক্বদারের নিকট তার হক্ব ফিরিয়ে দিতে হবে অথবা তার কাছ থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিতে হবে। রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলমের জন্য দায়ী থাকে অথবা যে তার কোন ভাইয়ের মান-সম্মান ও ধন-সম্পদের ব্যাপারে যুলম করেছে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সেদিন আসার পূর্বেই যেদিন তার কোন দীনার বা দিরহাম থাকবে না। সেদিন তার কোন সৎকর্ম থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট হতে নেয়া হবে, আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে হক্বদারের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯, ৬৫৩৪; তিরমিযী, হা/২৪১৯)।


ইমাম ইবনুল ক্বাইয়িম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘মালিকের অনুমতি ব্যতীত কোন জিনিস নিলে তা ফিরিয়ে দেয়া অপরিহার্য’ (যাদুল মা‘আদ, ৫ম খণ্ড, পৃ. ৬৯০)। শায়খ ছালিহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘কারোর কিছু চুরি করলে, তার সঙ্গে যোগাযোগ করে বলতে হবে যে, ‘আপনার এই মালটা আমার কাছে থেকে গিয়েছিল। অতএব আপনি তা ফেরত নিন’। এভাবে বলে দু’জনের মধ্যে সমাধান করে নিতে হবে। আর যদি সাহস করে বলতে না পারে অথবা যদি অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার ভয় থাকে, তবে অন্য যে কোন পদ্ধতিতে উক্ত মাল মালিকের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যা, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৬২; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৩০৯৯)। আর যদি চুরির মালের পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক হিসাব না থাকে, তাহলে প্রবল ধারণার উপর ভিত্তি করে তা থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করবে এবং সতর্কতামূলক আধিক্যকে প্রাধান্য দেবে। যেমন যদি ১০ ও ৮ এর মধ্যে সংশয় সৃষ্টি হয়, তবে ১০ কে ধরবে, তাহলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৮৩০৯৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আলীম, সূত্রাপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৪) : জনৈক বক্তা বলেছেন, যার নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, তার উপর ফিতরা ওয়াজিব। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? কতটুকু খাবার থাকলে ফিতরা দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : দাঁতের কোন সমস্যা নেই তবে দাঁতগুলো হলদে। যার কারণে সংকোচবোধ হয়। এমতাবস্থায় স্থায়ীভাবে দাঁতকে সাদা রং করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : যারা ছালাত আদায় করেও মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে, অন্যের ক্ষতি করে তাদের ব্যাপারে অনেকেই বলে, ছালাত মানুষকে ভালো করতে পারে না কিংবা ছালাত পড়লেই মানুষ ভালো হয় না ইত্যাদি। এ ধরনের কথা বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মৃত ব্যক্তিকে মরহূম, মাগফূর বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : কুরআনে এসেছে, কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। তাহলে দাইয়ূছ ব্যক্তি কেন জান্নাতে যাবে না? তার কী দোষ? এটা কি সাংঘর্ষিক নয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : বিভিন্ন এলাকায় ফিতরা ও কুরবানীর অর্থ থেকে ইমাম-মুওয়াযযিনের বেতন দেয়া হয়। এটা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : বাংলাদেশের অনেক যুবক আমেরিকার বিভিন্ন সার্ভেসাইটে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু তারা বাংলাদেশে বসে আমেরিকার আইপি এড্রেস ব্যবহার করে এবং আমেরিকার নাগরিকের তথ্য ব্যবহার করে কাজ করে। এভাবে ইনকাম হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : দীর্ঘ মেয়াদী ঋণী ব্যক্তি কি হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ছিয়াম পালনকারী নাকে, কানে ও চোখে ড্রপ দিলে ছিয়াম নষ্ট হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বড় অপবিত্রতা থেকে গোসল করার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : মসজিদের ইমাম বলেন, যে ব্যক্তি রামাযান মাসের ২৭ তারিখের রজনী ইবাদতে কাটাবে, তার আমলনামায় আল্লাহ ২৭ হাজার বছরের ইবাদতের তুল্য ছওয়াব প্রদান করবেন এবং জান্নাতে তার জন্য অসংখ্য মনোরম বালাখানা নির্মাণ করবেন, যার সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ অবগত নন (আশরাফ আলী থানবী, পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা, পৃ. ৩১০)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ