বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে আল্লাহ তা‘আলার অনেক সুন্দর সুন্দর ও সর্বোত্তম নাম ও গুণাবলী বর্ণিত হয়েছে। যেগুলোর উপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَ لِلّٰہِ الۡاَسۡمَآءُ الۡحُسۡنٰی فَادۡعُوۡہُ بِہَا ‘আর আল্লাহ তা‘আলার রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ। সুতরাং তোমরা তাঁকে সেই সব নামেই ডাকবে’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ১৮০)। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, إِنَّ لِلهِ تِسْعَةً وَتِسْعِيْنَ إِسْمَا مِائَةً إِلَّا وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ ‘আল্লাহর নামসমূহের মধ্যে এমন নিরানব্বইটি নাম রয়েছে, যে ব্যক্তি তা গণনা করবে বা মুখস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৭৩৬, ৬৪১০, ৭৩৯২; ছহীহ মুসলিম, হা/২৬৭৭)। আল্লাহকে যে যতবেশি চিনবে ও জানবে, সে ততবেশি আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সক্ষম হবে। সে সর্বদা একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করবে। তাঁর সম্পর্কে জানার অন্যতম মাধ্যম হল, তাঁর নামসমূহ ও গুণাবলী সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা।

আল্লাহ তা‘আলার নামসমূহ ও গুণাবলী তথা আসমা ওয়াছ ছিফাত জানার গুরুত্ব অসংখ্য। যেমন- আল্লাহর নামসমূহের একটি হল الرَّزَّاق (আর-রাযযাক্ব) তথা রিযিক্বদাতা। যে ব্যক্তি আল্লাহর এই নামটি সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করবে, সে শুধু আল্লাহকেই রিযিক্বদাতা হিসাবে বিশ্বাস করবে। সে কখনোই রিযিক্ব লাভের জন্য কোন মূর্তি, পীর, দরবেশ বা অলী-আওলিয়ার কবরের কাছে রিযিক্ব বা সন্তান চাওয়ার জন্য যাবে না। বরং একমাত্র আল্লাহর কাছেই চাইবে। আল্লাহর অপর একটি নাম হলঃ الشَّافِي (আশ-শাফী) তথা আরোগ্য দানকারী। যে আল্লাহর এই নামটি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবে, সে কেবল আল্লাহকেই আরোগ্যদানকারী হিসাবে বিশ্বাস করবে এবং একমাত্র আল্লাহর কাছেই সুস্থতা কামনা করবে। এর জন্য কখনই ল্যাংটা বাবা, বস্তা বাবা, চরমোনাই, আটরশী, শাহজালাল, শাহমখদুম ইত্যাদি বাবার কাছে যাবে না। যে তিনটি ক্ষেত্রে আল্লাহকে এক না মানলে মুসলিম হওয়া যায় না, সে তিনটির একটি হল তাওহীদুল আসমা ওয়াছ ছিফাত তথা আল্লাহকে তাঁর নামসমূহ ও গুণাবলীর ক্ষেত্রে এক মানা (আল-ক্বাওয়াইদুল মুছলা, পৃ. ১৪; তাক্বরীবুত তাদমরিয়্যাহ, পৃ. ১১৬)।


প্রশ্নকারী : রাসেল মাহমুদ, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।





প্রশ্ন (৪০) : ফরয ছালাত ব্যতীত অন্যান্য ছালাত তথা নফল ছালাত জামা‘আতের সাথে পড়া যায় কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : নাপাক অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করে তেলাওয়াত যাবে কি? বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল, ভিডিও চিত্রের মাধ্যমেও কুরআন পড়ার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কেউ যদি এই বলে মানত করে থাকে যে, কোন একটা কাজে সফল হলে সে আল্লাহর শুকরিয়া উদ্দেশ্যে ১০০ রাক‘আত নফল ছালাত পড়বে। সেটা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ওশর কিভাবে বের করতে হবে? উৎপাদন খরচ ও কর্মচারীদের মজুরী দেয়ার পর অবশিষ্ট ফসল দ্বারা, না-কি তাদের মজুরী দেয়ার পূর্বে মোট ফসল থেকে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ফিতরা কি ঈদের ছালাতের পূর্বেই বণ্টন করে দিতে হবে? না-কি ঈদের পরেও করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামী শরী‘আতের আলোকে সূদ কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘আমি প্রত্যেক তাক্বওয়াশীল ব্যক্তির দাদা’। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিবাহের পূর্বে যদি কেউ বলে, আমি অমুক কাজ করলে বিবাহের পর আমার স্ত্রী ত্বালাক হয়ে যাবে। আমি যাকে বিবাহ করব সে ত্বালাক্ব। এগুলো বললে কি ত্বালাক্ব কার্যকর হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ফের্কাবন্দীর পরিণতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ‘হস্তমৈথুন’-এর শাস্তি কী? এর থেকে ত‌ওবা করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : হজ্জ মানুষের পাপকে ধুয়ে দেয়, যেভাবে পানি ময়লাকে ধুয়ে দেয়। এই হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : রুক্বিয়া বা ঝাড়ফুঁক করে টাকা নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ