শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
উত্তর : শাসকের কোন অন্যায় কাজের আনুগত্য করা বা সহযোগিতা করা যাবে না। এমনকি তার অন্যায় কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হওয়া যাবে না। বরং যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রতিবাদ করতে হবে, শাসকের সামনে হক্ব কথা বলতে হবে, সঠিক পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করতে হবে এবং হেদায়াতের জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, لَاطَاعَةَ لِمَخْلُوْقٍ فِىْ مَعْصِيَةِ الْخَالِقِ ‘সৃষ্টিকর্তার অবাধ্যতা করে সৃষ্টির কোন আনুগত্য নেই’ (শারহুস সুন্নাহ, সনদ ছহীহ, মিশকাত হা/৩৬৯৬ ‘নেতৃত্ব’ অধ্যায়)। অন্য হাদীছে আছে, ‘তোমাদের মধ্যে অনেক আমীর হবে, যাদের কোন কাজ তোমরা ভাল মনে করবে, কোন কাজ মন্দ মনে করবে। এক্ষণে যে ব্যক্তি ঐ মন্দ কাজের প্রতিবাদ করবে, সে মুক্তি পাবে। যে ব্যক্তি ঐ কাজকে অপসন্দ করবে, সেও নিরাপত্তা পাবে। কিন্তু যে ব্যক্তি ঐ মন্দ কাজে সন্তুষ্ট থাকবে ও তার অনুসরণ করবে (সে মুক্তিও পাবে না, নিরাপত্তাও পাবে না)। ছাহাবীগণ বললেন, তাহলে কি আমরা তখন ঐ শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, না, যতক্ষণ তারা ছালাত আদায় করে’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৫৪; মিশকাত, হা/৩৬৭১ ‘নেতৃত্ব ও পদ মর্যাদা’ অধ্যায়; বঙ্গানুবাদ মিশকাত ৭/২৩৩ পৃ.)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘আর তোমরা যখন তোমাদের শাসকদের নিকট থেকে এমন কিছু দেখবে, যা তোমরা অপসন্দ কর, তখন তোমরা তার কাজকে অপসন্দ কর; কিন্তু তাদের থেকে আনুগত্যের হাত ছিনিয়ে নিয়ো না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৮৫৫)। দাওরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে ইবনু তীন বর্ণনা করেন, ‘স্বৈরাচার শাসকদের সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা হল, বিশৃংখলা-বিপর্যয় এবং সীমালংঘন ছাড়াই যদি তার থেকে আনুগত্যের বন্ধন ছিন্ন করা যায়, তাহলে তা অবশ্যই করা যাবে। অন্যথা ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব’ (ফাৎহুল বারী, ১৩তম খণ্ড, পৃ. ১০)। ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, اَلصَّبْرُ عَلَى جَوْرِ الْأَئِمَّةِ أَصْلٌ مِّنْ أُصُوْلِ السُّنَّةِ وَالْجَمَاعَةِ ‘স্বৈরাচার শাসকদের উপর ধৈর্যধারণ করা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের মূলনীতি সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি মূলনীতি’ (মিনহাজুস সুন্নাহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৫২৭)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রাযযাক, চারঘাট, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৫) : সাহু সিজদা দেয়ার সময় দুই সিজদার মাঝে দু‘আ পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : জনৈক খত্বীব বলেন, মধ্য শা‘বানের রাত্রির দু‘আ ফেরত দেয়া হয় না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : বিতরের কুনূতে নিজ মাতৃভাষায় দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ছুটে যাওয়া বিতর ছালাত সূর্য উঠার পর বা দিনের বেলায় পড়লে কিভাবে পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যাকাত ইংরেজী মাস হিসাবে দিতে হবে, না-কি আরবী মাস হিসাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলাম ‘ক্রেডিট কার্ড’ সম্পর্কে কী বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ওযূ ছাড়া কুরআনের আয়াত লেখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : জানাজা ছালাতের ছুটে যাওয়া অংশ আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈক ব্যক্তি রাগ সংবরণ করতে না পেরে তার স্ত্রীকে মাঝে মাঝেই এক ত্বালাক্ব দুই ত্বালাক্ব, তিন ত্বালাক বলে উল্লেখ করত। পরক্ষণে আবার স্বাভাবিক হত এবং পূর্বের অবস্থায় সংসার চলত। প্রশ্ন হল, তাদের মাঝে কি তালাক সংঘটিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন ব্যক্তি যদি একটি বা দু’টি মাস’আলার কারণে মাযহাব ত্যাগ করে ছহীহ আক্বীদা গ্রহণ করে, তাহলে কি সে মুশরিক হয়ে যাবে? তার উপর কি জান্নাত হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ