বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মানুষ বা প্রাণীর ছবি তৈরি করা বা ডিজাইনের কাজ করা বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوْا مَا خَلَقْتُمْ ‘যারা ছবি তৈরি করেছে ক্বিয়ামতের দিন তাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, যা তোমরা তৈরি করেছ তাতে জীবন দান কর’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫১৮১; ছহীহ মুসলিম, হা/২১০৮; মিশকাত, হা/৪৪৯২)। তবে জড়বস্তুর ছবি নিয়ে কাজ করাতে কোন বাধা নেই। হাদীছে এসেছে, সাঈদ ইবনু আবুল হাসান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, হে ইবনু আব্বাস! আমি এমন ব্যক্তি হস্তশিল্প আমার পেশা। নিশ্চয় আমি এ সকল ছবি তৈরি করি। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমি তোমাকে তাই বর্ণনা করব যা আমি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছি। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি ছবি তৈরি করবে নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা তাকে শাস্তি দিবেন। এমনকি তিনি তার মধ্যে প্রাণ দিতে বলবেন অথচ সে কস্মিনকালেও তাতে প্রাণ দিতে পারবে না। এ কথা শুনে লোকটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভীষণভাবে হতাশ হয়ে পড়ল এবং তার মুখমণ্ডল ফ্যাকাসে হয়ে উঠল। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, وَيْحَكَ إِنْ أَبَيْتَ إِلَّا أَنْ تَصْنَعَ فَعَلَيْكَ بِهَذَا الشَّجَرِ وَكُلِّ شَيْءٍ لَيْسَ فِيْهِ رُوْحٌ ‘আফসোস তোমার প্রতি! যদি তুমি এ পেশা ছাড়া অন্য কিছু করতে না চাও তাহলে এ সকল গাছ এবং এমন সব জিনিসের ছবি নির্মাণ কর যার মধ্যে প্রাণ নেই (ছহীহ বুখারী, হা/২২২৫; মিশকাত, হা/৪৫০৭)।


প্রশ্নকারী : মামুন বিন আব্দুল আযীয, সাতক্ষীরা





প্রশ্ন (৪৩) : মসজিদে একই কাতারের বাম পাশ অপেক্ষা ডান পাশে বসা বা ছালাত আদায় করার মধ্যে বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোর্ট ম্যারেজ এবং কোর্টের মাধ্যমে ত্বালাক্ব দেয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ডিএনএ টেস্ট (DNA TEST)-এর মাধ্যমে যিনা-ব্যভিচার, ধর্ষণ অথবা পিতৃ পরিচয়ের হুকুম প্রতিষ্ঠা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আমাদের এলাকায় অনেকেই ফজর ছালাতের পর ১৯ বার ‘বিসমিল্লা-হ’ পাঠ করে থাকে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : আমি একজন ব্যবসায়ীকে কিছু পণ্য কিনে দিয়েছি এবং তাকে বলেছি যে, তার ইনছাফ মত আমাকে যা পার লাভ দিতে। এটা কি সূদ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে ব্যক্তি চারের অধিক বিয়ে করেছে, ইসলামে তার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মাকহূল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যে লোক ‘লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ওয়ালা মানজায়া মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি’ পাঠ করে, আল্লাহ তা‘আলা তার হতে সত্তর প্রকারের অনিষ্ট অপসারণ করেন এবং এগুলোর মাঝে সাধারণ বা ক্ষুদ্র বিপদ হল দরিদ্রতা। হাদীছটি কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মেয়ে শিশুর কানে আযান দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : দান, ছাদাক্বাহ, যাকাত অথবা যাকাতুল ফিতর নিকট আত্মীয় ভাই-বোনদের দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫): রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আমি একটি দোকানে চাকরি করি। কিন্তু দোকানের মালিক সূদের সাথে জড়িত। আমাকের ব্যাংকের কিস্তি দিতে হয়, ব্যাংকের সাথে লেনদেন করতে হয়। এখানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : লোকমুখে শুনা যায়, একজন ছাহাবীর মাত্র একটি দাড়ি ছিল, একদা তা দেখে রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসলেন। ফলে ঐ ছাহাবী দাড়িটি কেটে ফেললেন। পরে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দেখে বললেন, তুমি দাড়িটি কেটে ফেললে কেন? তোমার দাড়িতে অনেক ফেরেশতা ঝুলছিল। উক্ত হাদীছ কোন্ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ