উত্তর : পরিবারের সম্মতিতে ভবিষ্যতে বিয়ে হবে এমন সিদ্ধান্ত হলেও নিকাহ হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা একে অপরের জন্য গায়রে-মাহরাম। তাই স্বামী-স্ত্রীর মত অবাধ প্রেম, নির্জনে দেখা করা, অপ্রয়োজনীয় ফোন/চ্যাট ইত্যাদি করা হারাম। তবে বিয়ের প্রয়োজনীয় কথা যেমন দ্বীনদারি, চরিত্র, ভবিষ্যৎ সংসার, বিয়ের শর্ত ইত্যাদি—শালীনতা ও প্রয়োজনের সীমায়, সম্ভব হলে অভিভাবকের জ্ঞাতসারে, বলা জায়েয। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَ لَا تَقۡرَبُوا الزِّنٰۤی اِنَّہٗ کَانَ فَاحِشَۃً ؕ وَ سَآءَ سَبِیۡلًا
‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না। নিশ্চয় তা অশ্লীল এবং নিকৃষ্ট পথ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৩২)। খেয়াল করুন, আল্লাহ শুধু ‘যিনা করো না’ বলেননি; বলেছেন ‘যিনার কাছেও যেয়ো না’। অর্থাৎ যে পথ শেষ পর্যন্ত হারামের দিকে নিয়ে যেতে পারে, শরী‘আত শুরু থেকেই সে পথ বন্ধ করতে চায়। আর নারীদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
فَلَا تَخۡضَعۡنَ بِالۡقَوۡلِ فَیَطۡمَعَ الَّذِیۡ فِیۡ قَلۡبِہٖ مَرَضٌ
‘তোমরা কথায় এমন কোমলতা অবলম্বন করো না, যাতে যার অন্তরে ব্যাধি আছে সে প্রলুব্ধ হয়’ (সূরা আল-আহযাব : ৩২)। অতএব, বিয়ের ইচ্ছা হালাল কিন্তু নিকাহের আগে প্রেমের সম্পর্ক হালাল নয়। ভবিষ্যতে যে সম্পর্কটি হালাল হবে, সেই ভবিষ্যৎ বৈধতা বর্তমানের গায়রে-মাহরাম সম্পর্ককে হালাল করে দেয় না।
প্রশ্নকারী : মেহেদী হাসান রনি, চরবাগডাঙ্গা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।