রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
উত্তর : রাসূল (ﷺ) দিনে প্রয়োজনে কায়লুলা করতেন দুপুরের সময় (ছহীহ বুখারী, হা/৯৩৯)। তাছাড়া দিনের বেলা কোন্ সময় ঘুমাতেন তা হাদীছে স্পষ্ট পাওয়া যায় না। রাসূল (ﷺ) এশার আগে ঘুমানোকে অপসন্দ করতেন। অর্থাৎ রাতের প্রথম প্রহরেই ঘুমিয়ে যেতেন এবং অর্ধ রাত পরে আবার জাগতেন। রাসূল (ﷺ) রাতে তাহাজ্জুত পড়াতে খুবই পসন্দ করতেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৪৭, ১১৩১)। ইবনুল ক্বাইয়িম আল-জাওযিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রাসূল (ﷺ) যে সময় ঘুমাতেন তা অত্যন্ত উপকারী ও সাস্থ্যসম্মত। তিনি রাতের প্রথম প্রহরে ঘুমাতেন এবং অর্ধ রাতেই জাগতেন। প্রয়োজনে আবার ঘুমিয়ে দ্বিতীয়বার জাগতেন’ (যাদুল মা‘আদ, ৪/২১৯ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : রেদোয়ান, গাজীপুর।





প্রশ্ন (১৮) : আক্বীদা ও মানহাজার মধ্যে পার্থক্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ইসলামের কোন ইখতিলাফী মাসআলা বিষয়ে কুরআন ও ছহীহ হাদীছ এ সমাধান থাকার পরেও ইজমা ও ক্বিয়াছের সমাধান খোঁজা যাবে কি? উক্ত বিষয়ে কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সমাধান জানার পরেও যারা ইজমা ও ক্বিয়াসের দোহাই দিয়ে তা অমান্য করে, তাদের হুকুম কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : ইসলামী গণতন্ত্র কি হালাল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ব্যাংকারকে বা ব্যাংকারের মেয়েকে বিয়ে করা যাবে কি? যারা ব্যাংকে চাকুরী করে তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ব্যবসার উদ্দেশ্যে বিড়াল কেনা-বেচা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : নিকটাত্মীয়দের উপস্থিত হওয়ার জন্য মৃত ব্যক্তিকে দাফন করতে দেরী করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, কেউ যদি ২১ বার বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ে ঘুমায়, তাহলে তার প্রতি নিশ্বাসে নেকি লিখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বেশি নেকীর আশায় বড় মসজিদে গমন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : সৎ সন্তান লাভের জন্য কোন দু‘আ পড়া উচিত? বিশেষ কোন আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জুমু‘আর দিনে প্রচলিত দুই আযানের মধ্যে কোন্ আযানের জবাব দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫): রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ