রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মহান আল্লাহ বলেন, আর তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর ঘর মসজিদগুলোতে তাঁর নাম স্বরণ করতে বাধা দেয় এবং এগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করে? অথচ ভীত-সন্ত্রস্ত না হয়ে তাদের সেগুলোতে প্রবেশ করা সঙ্গত ছিল না। দুনিয়াতে তাদের জন্য লাঞ্চনা ও আখেরাতে রয়েছে মহাশাস্তি (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১১৪)। খৃষ্টানরা ইহুদীদের বায়তুল মুক্বাদ্দাসে ছালাত আদায় করতে বাধা দিয়েছিল এবং তা বিনাশ করতে চেয়েছিল। ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মক্কার মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর ছাহাবীদেরকে মক্কা থেকে বের হতে বাধ্য করেছিল এবং পবিত্র কা‘বায় মুসলিমদেরকে ইবাদত করতে বাধা দিয়েছিল। এমনকি হুদায়বিয়ার সন্ধিতেও একমাত্র আল্লাহর ঘর যিয়ারতের উদ্দেশ্যেই রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করতে চাইলে তারা বাধা দেয় (তাফসীর ইবনু কাছীর, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৮৭-৩৮৮)।

উপরিউক্ত আয়াত ও তার প্রেক্ষাপটে বুঝা যায়, মসজিদ ভাঙ্গা বা মুছল্লীদের মসজিদে যেতে বাধা দেয়া অমুসলিমদের কাজ। বাবরী মসজিদ হিন্দুরা ভেঙ্গে দিয়েছে। এছাড়া সারা বিশ্বে যারা যেখানে মসজিদ বন্ধ করে দিচ্ছে তারা সব অমুসলিম। তাই যুগে যুগে অমুসলিমরাই মসজিদ ভাঙ্গার কাজ করেছে।

জানা আবশ্যক যে, যখন কোন স্থানকে মসজিদ হিসাবে ঘোষণা করা হয়, তখন তার মালিক হয়ে যান স্বয়ং মহান আল্লাহ। আর আল্লাহর মালিকানায় থাকা কোন স্থাপনা ভাঙ্গা আল্লাহর সাথে যুদ্ধের শামিল (মায়েদাহ ৩৩)। আবার মসজিদ ভাঙ্গার পরে যুক্তি দিয়ে কেউ কেউ সালাফী বা আহলেহাদীছ আক্বীদার মসজিদকে ‘মসজিদে যিরার’ সাথে তুলনা করে থাকে এবং হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ায়। এদেরকে মুসলিম বলার কোন সুযোগ নেই।

দ্রুত তওবা করে ফিরে আসা তাদের প্রথম পদক্ষেপ হতে হবে। ভাঙ্গা মসজিদ নিজ অর্থায়নে তা দ্রুত নির্মাণ করে দিতে হবে (বুখারী, হা/৩৪৩৬)। ব্যক্তির সাথে শত্রুতা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু মসজিদের সাথে শত্রুতা কেবল অমুসলিমদের থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে অনুতপ্ত হতে হবে। সুযোগ থাকার পরও যারা তওবা করে ফিরে আসবে না- তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে লাঞ্ছনা এবং কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে (সূরা আল-ফীল : ১-৫; ছহীহ বুখারী, হা/২৪৮২)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, বগুড়া।




প্রশ্ন (৩৮) : ইটভাটার মালিককে ১ লক্ষ টাকা এক বছরের জন্য প্রদান করি এই শর্তে যে, বছর শেষে আমাকে ১৯ হাজার ইট দেবে। আর ঐ সময় প্রতি হাজার ইটের মূল্য ৭ হাজার টাকা করে নিলে সেক্ষেত্রে আমাকে দিবে ১,৩৩,০০০ টাকা। কিন্তু আমি যদি তার কাছে ইট বিক্রি করে দিই, তবে সেক্ষেত্রে আমাকে দিবে ১,২০,০০০ টাকা। উক্ত টাকা আমার জন্য হালাল হবে, না-কি সূদ হিসাবে গণ্য হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রামাযান মাসে তারাবীহর ছালাত সর্বনিম্ন দুই রাক‘আত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য মহিলা চোখের ভ্রƒ উঠাতে ও কাটতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : নবী (ﷺ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি গায়রুল্লাহ্‌র জন্য যবহ করে তার ওপর লা‘নত হোক’ এ কথার উদ্দেশ্য কী? কোন মেহমানের জন্য যবহ করা কি গায়রুল্লাহ‌র জন্য যব্হ-এর মধ্যে পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : পালক সন্তান কি সম্পদের ওয়ারিছ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিভিন্ন কবি সাহিত্যিকদের বাণী বা তাদের লেখা সংগ্রহ করে যদি পিডিএফ তৈরি করা হয় এবং  অনুমতি ছাড়া যদি ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করা হয় তাহলে বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদেরকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করতেন’। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কোন শ্রেণীর ভিক্ষুক স্বাদাক্বাহ পাওয়ার অধিক উপযুক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকুরি করার কারণে অনেক সময় হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান ধর্মের প্রশ্নপত্র টাইপ করতে হয়। এমন কাজ করলে কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ইসলামে ব্যবসায় সর্বাধিক কত পার্সেন্ট লাভে পণ্য বিক্রয় করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক মৃত ব্যক্তির ১ জন স্ত্রী রয়েছে, ৩ জন কন্যা সন্তান রয়েছে, কোন পুত্র সন্তান নেই, ১ জন বোন রয়েছে এবং ৮ জন ভাতিজা রয়েছে। তবে ঐ মৃত ব্যক্তির কোন ভাই জীবিত নেই। এক্ষণে ঐ মৃতের সম্পদে কে কতটুকু অংশীদার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : তায়াম্মুমের সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ