বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মহান আল্লাহ বলেন, আর তার চেয়ে অধিক যালিম আর কে হতে পারে, যে আল্লাহর ঘর মসজিদগুলোতে তাঁর নাম স্বরণ করতে বাধা দেয় এবং এগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করে? অথচ ভীত-সন্ত্রস্ত না হয়ে তাদের সেগুলোতে প্রবেশ করা সঙ্গত ছিল না। দুনিয়াতে তাদের জন্য লাঞ্চনা ও আখেরাতে রয়েছে মহাশাস্তি (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১১৪)। খৃষ্টানরা ইহুদীদের বায়তুল মুক্বাদ্দাসে ছালাত আদায় করতে বাধা দিয়েছিল এবং তা বিনাশ করতে চেয়েছিল। ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, মক্কার মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর ছাহাবীদেরকে মক্কা থেকে বের হতে বাধ্য করেছিল এবং পবিত্র কা‘বায় মুসলিমদেরকে ইবাদত করতে বাধা দিয়েছিল। এমনকি হুদায়বিয়ার সন্ধিতেও একমাত্র আল্লাহর ঘর যিয়ারতের উদ্দেশ্যেই রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় প্রবেশ করতে চাইলে তারা বাধা দেয় (তাফসীর ইবনু কাছীর, ১ম খণ্ড, পৃ. ৩৮৭-৩৮৮)।

উপরিউক্ত আয়াত ও তার প্রেক্ষাপটে বুঝা যায়, মসজিদ ভাঙ্গা বা মুছল্লীদের মসজিদে যেতে বাধা দেয়া অমুসলিমদের কাজ। বাবরী মসজিদ হিন্দুরা ভেঙ্গে দিয়েছে। এছাড়া সারা বিশ্বে যারা যেখানে মসজিদ বন্ধ করে দিচ্ছে তারা সব অমুসলিম। তাই যুগে যুগে অমুসলিমরাই মসজিদ ভাঙ্গার কাজ করেছে।

জানা আবশ্যক যে, যখন কোন স্থানকে মসজিদ হিসাবে ঘোষণা করা হয়, তখন তার মালিক হয়ে যান স্বয়ং মহান আল্লাহ। আর আল্লাহর মালিকানায় থাকা কোন স্থাপনা ভাঙ্গা আল্লাহর সাথে যুদ্ধের শামিল (মায়েদাহ ৩৩)। আবার মসজিদ ভাঙ্গার পরে যুক্তি দিয়ে কেউ কেউ সালাফী বা আহলেহাদীছ আক্বীদার মসজিদকে ‘মসজিদে যিরার’ সাথে তুলনা করে থাকে এবং হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ায়। এদেরকে মুসলিম বলার কোন সুযোগ নেই।

দ্রুত তওবা করে ফিরে আসা তাদের প্রথম পদক্ষেপ হতে হবে। ভাঙ্গা মসজিদ নিজ অর্থায়নে তা দ্রুত নির্মাণ করে দিতে হবে (বুখারী, হা/৩৪৩৬)। ব্যক্তির সাথে শত্রুতা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু মসজিদের সাথে শত্রুতা কেবল অমুসলিমদের থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে অনুতপ্ত হতে হবে। সুযোগ থাকার পরও যারা তওবা করে ফিরে আসবে না- তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে লাঞ্ছনা এবং কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে (সূরা আল-ফীল : ১-৫; ছহীহ বুখারী, হা/২৪৮২)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, বগুড়া।




প্রশ্ন (৫) : আল্লাহ কোন বিষয় ঘটাতে ইচ্ছা করলে তা ঘটবেই, তাহলে কাফিরের কুফর কি আল্লাহর ইচ্ছায় ঘটে? ‘ইচ্ছা’ বলতে কী বোঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : সমাজে শরী‘আতের নামে একটি কথা চালু আছে যে, মুহাররমের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ছিয়াম পালন করলে ৫০ বছরের নফল ছিয়ামের নেকী লেখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কোন মুক্তাদি যদি মাগরিবের ছালাতে ইমামের সাথে এক রাক‘আত পান, তাহলে পরবর্তী দুই রাক‘আতেই তিনি কী সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলাবেন, না-কি এক রাক‘আতে মিলাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রতারণা করে টাকা নিয়ে ঐ টাকা গরীব অসহায় মানুষকে দান করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, বান্দা যখন ছাদাক্বাহ প্রদান করে, তখন যেন সে তার চোয়াল থেকে সত্তর জন শয়তানকে বিতাড়িত করল। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ছহীহ হাদীছ শুনার পরে যারা মানে না, তারা কি হাদীছ অস্বীকারকারী সাব্যস্ত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক মাযহাবী ভাই বলেছে যে, দুই রাক‘আত ছালাত মাযহাবের অনুসরণ ব্যতীত আদায় করা সম্ভব নয়। যেমন, ‘রুকূতে যাওয়ার সময় ইমামের জোরে তাকবীর আর মুছল্লীর আস্তে তাকবীর দেয়া’ মাসয়ালটি মাযহাবের সাহায্য ছাড়া সমাধান করা সম্ভব নয়। কেননা উক্ত মাসয়ালা কুরআন ও হাদীছে কোথায় নেই। প্রশ্ন হল- তার উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকুরি করার কারণে অনেক সময় হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান ধর্মের প্রশ্নপত্র টাইপ করতে হয়। এমন কাজ করলে কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : অনেকেই মনে করে কা‘বার গিলাফে বরকত আছে। তাই গিলাফ ধরে দু‘আ বা কান্নাকাটি করা জায়েয। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : হতাশা থেকে মুক্তির উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : বহু বছর ধরে লাশ কফিনে পড়ে আছে। এদের আযাব কিংবা নাজাত কি কফিনে হবে, না-কি কবরে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ফজরের আযানের পর মসজিদে গিয়ে সময় থাকলে মসজিদে প্রবেশের ২ রাক‘আত পড়া যাবে কি, না সরাসরি ২ রাক‘আত সুন্নাত পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ