আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ও আহলুছ ছুফফাহ
- মূল : ফাউযিয়া বিনতে মুহাম্মাদ আল-উক্বাইলী
- অনুবাদ : হাফীযুর রহমান বিন দিলজার হোসাইন*
আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পরিবার পরপর তিন দিন পেট ভরে আহার করতে পারেননি। আল্লাহর কসম! তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। আমি কখনো ক্ষুধার তীব্রতায় পেট মাটির সঙ্গে লাগিয়ে রাখতাম, আবার কখনো ক্ষুধার যন্ত্রণায় পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। একদিন আমি সেই পথে বসেছিলাম, যে পথ দিয়ে ছাহাবীগণ যাতায়াত করতেন। তখন আমি প্রচণ্ড ক্ষুধা ও দুর্বলতায় কষ্টপাচ্ছিলাম। অতঃপর আবূ বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমার পাশ দিয়ে গেলেন। আমি তাঁকে আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। প্রকৃতপক্ষে আমার উদ্দেশ্য ছিল, তিনি আমাকে খাওয়াবেন বা আহার করাবেন। কিন্তু তিনি চলে গেলেন এবং তা করলেন না। এরপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) আমার পাশ দিয়ে গেলেন। তাঁকেও আমি কুরআনের একটি আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল তিনি আমাকে আহার করাবেন। কিন্তু তিনিও চলে গেলেন এবং তা করলেন না। অতঃপর তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলেন এবং ঘরের দরজা বন্ধ করে দিলেন।
আমি কিছুদূর এগোতেই প্রচণ্ড ক্লান্তি ও ক্ষুধার কারণে মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে গেলাম। এরপর আবুল কাসিম মুহাম্মাদ (ﷺ) আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। হঠাৎ দেখি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমার মাথার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি আমাকে দেখে মুচকি হাসলেন এবং আমার অবস্থা, আমার অন্তরের কথা ও আমার চেহারার মধ্যে যা প্রকাশ পাচ্ছিল-সব বুঝে ফেললেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ হির! [আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সংক্ষিপ্ত নাম]। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি উপস্থিত, আপনার ডাকে সাড়া দিলাম এবং আনুগত্যে প্রস্তুত আছি। তিনি বললেন, আমার সঙ্গে চল। তিনি আমার হাত ধরলেন, আমাকে উঠালেন এবং চলতে লাগলেন। তিনি আমাকে তাঁর গৃহের দিকে নিয়ে গেলেন, আর আমি তাঁর অনুসরণ করলাম। তিনি ঘরে প্রবেশ করলেন। আমার জন্য প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। আমাকে অনুমতি দেয়া হলে আমিও তাঁর সঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলাম।
তিনি প্রবেশ করে একটি পাত্রে কিছু দুধ দেখতে পেলেন। তখন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এই দুধ কোথা থেকে এসেছে? ঘরের লোকেরা বলল, ‘অমুক পুরুষ অথবা অমুক মহিলা এটি আপনাকে উপহার হিসেবে পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, হে আবূ হির! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, আহলুছ ছুফফাহর কাছে যাও এবং তাদেরকে আমার কাছে ডেকে নিয়ে এসো। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আহলুছ ছুফফাহ ছিলেন ইসলামের অতিথি। তাদের কোনো পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ বা আশ্রয়দাতা ছিল না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যখন কোনো ছাদাক্বাহ আসত, তখন তিনি তা তাদের কাছে পাঠিয়ে দিতেন এবং নিজে তা থেকে কিছুই গ্রহণ করতেন না। আর যখন কোনো হাদীয়া বা উপহার আসত, তখন তিনি তাদের কাছেও পাঠাতেন, নিজেও তা গ্রহণ করতেন এবং তাদেরকেও তাতে শরীক করতেন। এ কথা শুনে আমার মনে কষ্ট হল। আমি মনে মনে বললাম, এই অল্প দুধের সঙ্গে আবার আহলুছ ছুফফাহর কী সম্পর্ক। এ দুধ থেকে এক চুমুক পান করে শক্তি সঞ্চয় করার অধিকার তো আমারই বেশি ছিল। আমি ভাবলাম, তারা এলে তিনি নিশ্চয়ই আমাকে দুধ পরিবেশন করতে বলবেন। তখন দুধ থেকে আর আমার ভাগে কতটুকুই বা আসবে? তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর আনুগত্য করা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় ছিল না।
অতঃপর আমি আহলুছ ছুফফাহর নিকট গেলাম এবং তাদেরকে ডাকলাম। তারা চলে এলেন। এরপর তারা প্রবেশের অনুমতি চাইলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের অনুমতি দিলেন। তারা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং নিজেদের আসনে বসে গেলেন। তখন তিনি বললেন, হে আবূ হির! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, পাত্রটি নাও এবং তাদেরকে পান করাও। আমি পাত্রটি নিলাম। তারপর একজনের হাতে দিতাম, তিনি পান করতেন, এমনকি সম্পূর্ণ তৃপ্ত হয়ে যেতেন। এরপর তিনি পাত্রটি আমার নিকট ফিরিয়ে দিতেন। এভাবে একে একে সকলকে পান করাতে করাতে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছলাম। ততক্ষণে সকলেই পরিতৃপ্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাত্রটি হাতে নিলেন, নিজের হাতের উপর রাখলেন এবং আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ হির! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি উপস্থিত। তিনি বললেন, এখন শুধু আমি এবং তুমি বাকি আছি। আমি বললাম, আপনি সত্যই বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! তিনি বললেন, বসো এবং পান করো। আমি বসলাম এবং পান করলাম। এরপর তিনি বললেন, হে আবূ হুরায়রা! আবার পান করো। আমি আবার পান করলাম। তারপর তিনি আবার বললেন, আরো পান করো। আমি পুনরায় পান করলাম। তিনি বারবার বলতে থাকলেন, পান করো। আমি বারবার পান করতে থাকলাম, এমনকি আমার পেট সম্পূর্ণ ভরে গেল এবং পাত্রের মতো টানটান হয়ে গেল। অবশেষে আমি বললাম, ‘না, সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন! এখন এর জন্য আর কোনো জায়গা খুঁজে পাচ্ছি না। তিনি বললেন, তাহলে পাত্রটি আমাকে দাও। তখন আমি পাত্রটি তাঁর হাতে দিলাম। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন, ‘বিসমিল্লাহ’ বললেন এবং অবশিষ্ট দুধ পান করলেন’।[১]
এরপর ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হলো। আমি তাঁকে আমার ঘটনাটি বললাম এবং বললাম, হে ওমর! এ কাজটি এমন একজন করেছেন, যিনি আপনার চেয়ে এর অধিক উপযুক্ত ছিলেন। আল্লাহর কসম! আমি আপনাকে যে আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, সে আয়াত আমি আপনার চেয়ে বেশি জানতাম। ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, আল্লাহর কসম! যদি আমি তোমাকে আমার ঘরে নিয়ে যেতে পারতাম, তবে তা আমার নিকট লাল উটের বিশাল সম্পদের মালিক হওয়ার চেয়েও অধিক প্রিয় হত।
শিক্ষনীয় বিষয়
১. আমাদের উচিত নবী করীম (ﷺ) ও তাঁর ছাহাবীগণ (রাযিয়াল্লাহু আনহুম)-এর জীবনযাপন কেমন ছিল তা সর্বদা স্মরণ রাখা। তাঁরা কত কষ্টকর ও অভাবের জীবন যাপন করতেন, তা আমাদের অন্তরে জীবন্ত রাখা উচিত। তারা নানা দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেছেন, তবুও ধৈর্য ধারণ করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি তাদের বিরুদ্ধে একত্রিত হলেও তাঁরা নিজেদের আদর্শ পরিবর্তন করেননি এবং দ্বীনের ওপর অটল থেকেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চাইলে রাজাদের মতো বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে পারতেন এবং পৃথিবীর ধন-সম্পদ তাঁর নিকটে এসে জমা হতে পারত। কিন্তু তিনি সেসব পরিহার করে সাদাসিধা ও দুনিয়াবিমুখ জীবনকে বেছে নিয়েছিলেন।
২. মানুষের উচিত তার আশেপাশের মানুষের প্রয়োজন ও অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং তাদের চেহারা ও অবস্থা লক্ষ্য করা। এর প্রমাণ হলো আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর এই বক্তব্য, فَعَرَفَ مَا فِيْ وَجْهِي وَمَا فِي نَفْسِيْ ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার চেহারা ও অন্তরের অবস্থা বুঝে ফেললেন’। এটি এমন এক দূরদৃষ্টি, যা মানুষকে তার আশেপাশের লোকদের অবস্থা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে শেখায়, যাতে তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে জানতে পারে।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ছাহাবীদের অবস্থা সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে দেখামাত্রই তিনি তাঁর চেহারায় ক্ষুধার চিহ্ন বুঝতে পেরেছিলেন এবং উপলব্ধি করেছিলেন যে, তিনি এমন কিছুর প্রয়োজন অনুভব করেছেন, যা তাঁর ক্ষুধা নিবারণ করবে।
৩. এই হাদীছ থেকে ছাহাবীগণের রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি আনুগত্য এবং তাঁর নির্দেশ পালনের অসাধারণ দৃষ্টান্ত প্রকাশ পায়। নিজের প্রবল প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তাঁরা নিজেদের স্বার্থের ওপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আদেশকে অগ্রাধিকার দিতেন।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা আদেশ করেছেন বা যা থেকে নিষেধ করেছেন, সে ব্যাপারে তাঁদের আনুগত্য ছিল অতুলনীয়; অতীতে বা পরবর্তীতে এর সমতুল্য উদাহরণ খুবই বিরল। মানবস্বভাবের জন্য কঠিন হলেও তাঁরা কোনো বিলম্ব বা গড়িমসি না করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশ মেনে নিতেন এবং মানুষ সাধারণত যেসব দায়িত্ব বা কষ্টকর কাজ থেকে নানা কৌশলে বাঁচতে চায়, ছাহাবীগণ সেগুলো থেকেও পিছু হটতেন না; বরং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশ মেনে নিতেন।
৪. আহলুছ ছুফফাহর মর্যাদা ও ফযীলতও এই হাদীছ থেকে স্পষ্ট হয়। তাঁরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাহায্যের জন্য নিজেদের পরিবার-পরিজন ও বাসস্থান ত্যাগ করেছিলেন। আহলুছ ছুফফাহ ছিলেন ইসলামে অতিথি। তারা ছিলেন দরিদ্র মুসলিম, যারা বিভিন্ন গোত্র থেকে মদীনায় এসে বসবাস করতেন। তাদের নিকট কোন ধন-সম্পদ ছিল না, পরিবার-পরিজন ছিল না এবং আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো স্থানও ছিল না। কোনো ব্যক্তি মদীনায় এসে যদি তার কোনো আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত লোক থাকত, তবে সে তাদের কাছেই অবস্থান করত। আর যদি তার এম কেউ না থাকত, তবে সে আহলুছ ছুফফাহর সঙ্গে অবস্থান করত। আহলুছ ছুফফাহ ছিলেন দরিদ্র মানুষ। তাদের নিজস্ব কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। তারা মসজিদেই রাত্রিযাপন করতেন; মসজিদ ছাড়া তাদের অন্য কোনো আশ্রয়স্থল ছিল না।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যখন ছাদাক্বাহ আসত, তখন তিনি তা বিশেষভাবে আহলুছ ছুফফাহর জন্য বরাদ্দ করতেন। আর যখন কোন হাদীয়া বা উপহার আসত, তখন তাদেরও তাতে অংশীদার করতেন। আবূ নু‘আইম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, আহলুছ ছুফফাহর সংখ্যা পরিস্থিতি অনুযায়ী কম-বেশী হতো। কখনো তারা একত্রিত হলে সংখ্যা বেড়ে যেত, আবার কখনো জিহাদে অংশগ্রহণ, সফরে বের হওয়া বা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের সংখ্যা কমে যেত।
৫. এই হাদীছে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একটি সুস্পষ্ট মু‘জিযার প্রমাণ রয়েছে। তাঁর বরকতে অল্প খাদ্য ও পানীয় বহু মানুষের জন্য যথেষ্ট হয়ে গিয়েছিল।
৬. এই হাদীছ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উত্তম চরিত্র ও অসাধারণ দানশীলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তুলে ধরে। তিনি প্রথমে আহলুছ ছুফফাহকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, তারপর আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে নিজের ওপর প্রাধান্য দিয়েছেন। সবার শেষে নিজে পান করেছেন, অথচ তিনিও ক্ষুধার্ত ছিলেন।
৭. মানুষের সঙ্গে আচরণে ‘ঈমান’ (নিজের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দেওয়া) সর্বোচ্চ স্তরের একটি গুণ। এটি সমাজকে নিরাপত্তা, সম্প্রীতি ও শান্তির সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করে। কারণ এ সমাজের মানুষ নিজেদের পার্থিব স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে যায় এবং প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের ভাইকে নিজের ওপর প্রাধান্য দেয়। এভাবেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ছাহাবীদের সমাজ মর্যাদা ও মহত্ত্বে উন্নীত হয়েছিল। তারা এই মহৎ চরিত্রের এমন অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, যা মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় আদর্শ হয়ে আছে।
৮. আল্লাহর মহান নে‘মতের জন্য তাঁর প্রশংসা করা উচিত। যখনই তুমি কোনো নে‘মত লাভ করবে, তখন বলবে- الْحَمْدُ لِلهِ ‘যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য’। আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, إِنَّ اللهَ لَيَرْضَى عَنِ الْعَبْدِ أَنْ يَأْكُلَ الْأَكْلَةَ فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا أَوْ يَشْرَبَ الشَّرْبَةَ فَيَحْمَدَهُ عَلَيْهَا ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই বান্দার প্রতি সন্তুষ্ট হন, যে কোনো খাবার খাওয়ার পর আল্লাহর প্রশংসা করে এবং কোনো পানীয় পান করার পরও আল্লাহর প্রশংসা করে’।[২]
* পরিচালক: দারুস সালাম ইসলামী কমপ্লেক্স, পিরুজালী ময়তাপাড়া, গাযীপুর।
তথ্যসূত্র :
[১]. ছহীহ বুখারী, হা/৬৪৫২।
[২]. ছহীহ মুসলিম, হা/২৭৩৪; মিশকাত, হা/৪২০০।