বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : সূদভিত্তিক ব্যাংকে চাকরি করা হারাম এবং যে ব্যক্তি এ কাজে লিপ্ত হয়, সে আল্লাহ তা‘আলার অবাধ্যতাকারী (গুনাহগার)। তবে তার ইমামতিতে ছালাত শুদ্ধ হবে। কারণ সে মুসলিম এবং যদি তার ছালাতের শর্তাবলি ও ফরযসমূহ পূর্ণ হয়, তাহলে তার নিজের ছালাতও ছহীহ হবে। এটাই আলিমদের দু’টি মতের মধ্যে অধিক বিশুদ্ধ মত। তবে যদি সম্ভব হয়, তাহলে দ্বীনদার, সৎ ও তাক্বওয়াবান ব্যক্তির পেছনে ছালাত আদায় করাই উত্তম। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত (ফাতাওয়া আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ, ৭/৩৭৬-৩৮০ পৃ.)।

শাইখ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘তার ছালাত শুদ্ধ হবে এবং তার ছিয়ামও ছহীহ। তবে তার বেতনের বিধান সম্পর্কে স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির একটি ফাতাওয়া রয়েছে, যা নিম্নরূপ: বর্তমান অধিকাংশ ব্যাংকিং লেনদেন সূদের (রিবা) সাথে সম্পৃক্ত, আর সূদ কুরআন, সুন্নাহ এবং উম্মাতের ইজমার দ্বারা হারাম। রাসূল (ﷺ) ঘোষণা করেছেন, যে ব্যক্তি সূদখোরকে বা সূদদাতাকে সহযোগিতা করে, যেমন সূদের চুক্তি লিখে দেয়, সাক্ষ্য দেয় বা এ ধরনের অন্য কোন সহায়তা করে, সে সূদগ্রহীতা ও সূদদাতার সঙ্গে গুনাহ ও অভিশাপে অংশীদার হবে (ছহীহ মুসলিম, হা/১৫৯৭-১৫৯৮)।

অতএব, যদি তুমি শরী‘আতের বিধান না জেনে এই চাকরি করে থাকো, তাহলে ইতিপূর্বে যে বেতন গ্রহণ করেছ তা তোমার জন্য বৈধ হবে। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সূদকে হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে উপদেশ পৌঁছল এবং সে বিরত হল, তার জন্য পূর্বে যা হয়েছে তা তারই থাকবে এবং তার বিষয় আল্লাহর নিকট ন্যস্ত থাকবে’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৭৫-২৭৬)। কিন্তু যদি তুমি জেনে-শুনে এমন কাজ করে থাকো, যা তোমার জন্য বৈধ নয়, তাহলে যে বেতন গ্রহণ করেছ তার সমপরিমাণ অর্থ জনকল্যাণমূলক কাজে এবং দরিদ্রদের সাহায্যে ব্যয় করবে। পাশাপাশি আল্লাহর নিকট আন্তরিক তাওবা করবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা করে, আল্লাহ তার তাওবা ক্ববুল করেন এবং তার গুনাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা কর। আশা করা যায় তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার তলদেশে নদী প্রবাহিত...’ (সূরা আত-তাহরীম : ৮)। অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা সবাই আল্লাহর কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার’ (সূরা আন-নূর : ৩১; মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া মাক্বালাত, ১৯/৩৬৭ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : আহমাদুল্লাহ, ঢাকা।





প্রশ্ন (৯) : আমার বাড়ির কাছাকাছি কোন আহলেহাদীছ মসজিদ নেই। পার্শ্ববর্তী হানাফী মসজিদে ছালাত আদায় করতে গেলে তারা আমাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। এমতাবস্থায় আমি বাড়িতে ছালাত আদায় করতে পারব কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : মহিলাদের দ্বারা একটি ইয়াতীম বালিকা মাদরাাসা পরিচালিত হয়। যেখানে ৪৫/৫০ জন বাচ্চা আছে। যাদের বয়স ৭ বৎসর থেকে ১৫/১৬ বৎসর পর্যন্ত। তাদের ঘরের বাইরে খেলাধূলা করার কোনো সুযোগ নেই।  এমতাবস্থায়  তারা কি ঘরের মধ্যে লুডু, ক্যারাম বোর্ড ও দাবা, খেলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মাগরিবের সময় দরজা বন্ধ না রাখলে ঘরে জিন ও শয়তান প্রবেশ করে। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : কুরবানীর গোশত কয় ভাগ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : সকাল ও বিকালে যে ১০০ বার সুবহানাল্লা-হিল আযীম ওয়াবিহামদিহী পাঠ করবে তাকে আল্লাহর সৃষ্টিকুলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দেয়া হবে’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : চুক্তিতে ৩ বছর মেয়াদে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে লিচু বা আম বাগান ক্রয় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : জনৈক আলেম বলেন, মসজিদে এমন কোন বস্তু রাখা যাবে না, যা মুছল্লীকে আকৃষ্ট করে। তাই কা‘বার ছবি, নববীর ছবি, মিনারের ছবি ইত্যাদি রাখা যাবে না। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : একই পশুতে কুরবানী ও আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : একজন মেয়ে বিয়ে হওয়ার পরে তার স্বামীর হুকুম মানবে, না পিতার হুমুক মানবে? যদি পিতার অবাধ্য হয় তাহলে কি সে গুনাহগার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ইসলামে ছাগল বা অন্যান্য হালাল পশু খাসি (Castrate) করা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : সেলুনে কাজ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মীম, জীম, ইয়াসীন, জান্নাত ইত্যাদি নাম রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ