উত্তর : শরী‘আতে চিকিৎসা গ্রহণ এবং বৈধ ঔষধের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করার নির্দেশ এসেছে। নবী করীম (ﷺ) বলেছেন, مَا أَنْزَلَ اللهُ دَاءً إِلَّا أَنْزَلَ لَهُ شِفَاءً ‘আল্লাহ এমন কোন রোগ অবতীর্ণ করেননি, যার জন্য তিনি কোন প্রতিকারও অবতীর্ণ করেননি’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৭৮)। উসামাহ ইবনু শারীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, জনৈক বেদুঈন এসে জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা কি চিকিৎসা গ্রহণ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ করো। নিশ্চয় আল্লাহ এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি, যার জন্য তিনি প্রতিকারও সৃষ্টি করেননি; তবে একটি রোগ ব্যতীত, আর তা হল বার্ধক্য’ (তিরমিযী, হা/২০৩৮, সনদ ছহীহ)।
অতএব রোগ প্রতিরোধের জন্য এবং রোগ দেখা দিলে তা দূর করার জন্য শরী‘আতসম্মত চিকিৎসা বৈধ ও অনুমোদিত। তবে মনে রাখতে হবে, প্রকৃত আরোগ্য ও সুস্থতা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকেই আসে। তাই চিকিৎসার সঙ্গে জীবন ও মৃত্যুর সম্পর্ক উপায় এর সম্পর্ক। অর্থাৎ চিকিৎসা করা একটি বৈধ ও গুরুত্বপূর্ণ কারণ, কিন্তু জীবনদান, মৃত্যু এবং আরোগ্যের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তা‘আলা। মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ করবে, কিন্তু তার ভরসা থাকবে আল্লাহর ওপর; কারণ ঔষধ ও চিকিৎসা কেবল মাধ্যম, আর শিফা দানকারী একমাত্র আল্লাহ (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়েমাহ, ২৪/৩৯৫-৩৯৬ পৃ.)।
প্রশ্নকারী : সামিঊল, কুলপাড়া, রাজশাহী।