বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২১ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ বলেন, নেককাজ ও তাক্বওয়ায় তোমরা পরস্পরের সাহায্য কর এবং পাপ ও সীমালংঘনে একে অন্যের সাহায্য করবে না। আর আল্লাহর তাক্বওয়া অবলম্বন কর (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত কর্মগুলোই হারাম। তাই আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কোন প্রকারের সাহায্য বা সহযোগিতা করা যাবে না। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গোচরীভূত হয় বা লজ্জাস্থান বিকশিত হয় এমন পোশাক পরিধান করা নাজায়েয। যেমন কিছু ট্রাউজার, জিম বা সুইমিংয়ের পোশাক ইত্যাদি (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩/৪৩০, ২৪/৪০ পৃ.)। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন সংকীর্ণ পোশাক যার ফলে সৃষ্টির অবয়ব প্রকাশিত হয় বা এমন ফিনফিনে পোশাক যার দ্বারা চামড়া আবৃত হয় না তা পরিধান করা নিষেধ। কেননা মহিলাদেরকে এ জাতীয় পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। অভিভাবকদের (বাবা ও স্বামীর) উচিত তাদের এধরনের পোশাক পরতে নিষেধ করা’ (ফাতাওয়াউল কুবরা, ৫/৩৫৩ পৃ.)। অন্য হাদীছে এসেছে, যে সমস্ত মহিলা পোশাক পরেও উলঙ্গ হয়ে থাকে তারা জাহান্নামে যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/২১২৮)। উম্মু সালামাহ র বলেন, এক রাতে নবী (ﷺ) নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়ে বলেন, সুবহানাল্লাহ! এ রাতে কতই না বিপদাপদ নেমে আসছে এবং কতই না ধনভাণ্ডার উন্মুক্ত করা হচ্ছে। অন্য সব ঘরের নারীদেরকেও সচেতন করে দাও, ‘বহু মহিলা যারা দুনিয়ায় পোশাক পরিহিতা, কিন্তু তারা আখিরাতে হবে বিবস্ত্রা’ (ছহীহ বুখারী, হা/১১৫, ১১২৬,, ৫৮৪৪, ৬২১৮, ৭০৬৯)।

আর সন্দেহযুক্ত কাজকে বর্জন করাই ইসলামের দাবী (ছহীহ বুখারী, হা/৫২)। আর এক্ষেত্রে মূলনীতি হল, إذا اجتَمَع الحلالُ والحرامُ غُلِّبَ الحرامُ ‘যখন কোন বিষয়ে হালাল ও হারামের মাসআলা একত্রিত হয়, তখন হারামের মাসআলা প্রাধান্য পাবে’। অর্থাৎ সেটাকে হারাম বলে গণ্য করতে হবে। অতএব ইসলামের নীতি হল, ‘দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের আগে ধর্মীয় ক্ষতি থেকে বাঁচতে হবে’।


প্রশ্নকারী : খায়রুন আবেদীন, মীরপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৪) : আমরা দুই ভাই এক বোন। বড় ভাই এক ছেলে সন্তান রেখে বাবার আগেই মারা গেছেন। পরে বাবাও মারা যান। বাবার মারা যাওয়ার পর বাবার অছিয়ত অনুযায়ী ভাতিজাকে বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ থেকে আমার সমপরিমাণ অংশ দিয়েছি। আমার কোন ছেলে সন্তান নেই, দুই মেয়ে। এখন আমার ভাতিজা কি আমার মৃত্যুর পর আমার সম্পদের অংশ পাবে? পেলে কত অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রতারণা করে টাকা নিয়ে ঐ টাকা গরীব অসহায় মানুষকে দান করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কতজন ছাহাবী বিবাহ করেননি বা সংসার করেননি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : যে সব প্রতিষ্ঠানে নিজেকে সূদের হিসাব করতে হয়, সে সব প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে উপার্জিত অর্থ হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ছালাতে সিজদা থেকে দাঁড়িয়ে একটি সিজদা হয়েছে, না-কি দুটি সিজদা হয়েছে- এরূপ সন্দেহ হলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : প্রচলিত আছে যে, ‘জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বলেছেন, পৃথিবীতে বৃষ্টি হলে কত ফোটা পানি পড়ে, আমি তা গুণতে পারি, কিন্তু যৌবনের ইবাদতের ছওয়াব গুণে শেষ করতে পারি না’। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’-এটি কি ছহীহ হাদীছ? দলীল জানালে উপকৃত হব। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : খিযির (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হানাফী মাযহাবের আলেমরা বলে থাকেন যে, একটি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে সে নিজে নিজে বিবাহ করতে পারবে। অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। তারা দলীল হিসাবে পেশ করে নিম্নের হাদীছটি। একদা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে এক মেয়ে বলল, আমাকে বিয়ে করুন। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার প্রয়োজন নেই। তখন এক ছাহাবী দাঁড়িয়ে বলেন, আপনার প্রয়োজন না হলে আমার প্রয়োজন আছে। তখন রাসূল (ﷺ) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দেন (বুখারী, হা/২৩১০; মুসলিম, হা/১৪২৫)।। তাদের দাবী কি সঠিক? কোন মেয়ে অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ‘ছালাতুর রাগায়েব’ পড়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : অসাবধানতাবসত পেশাবের ফোঁটা শরীরে বা কাপড়ে লেগে গেলে করণীয় কী? আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে ক্ষমা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যদি অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিকে মাফ করে দেয় বা কিছু হালকা করে দেয়, তাহলে আল্লাহ তাকে এর বিনিময়ে জান্নাত দান করবেন। এমন কোন হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ