রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ বলেন, নেককাজ ও তাক্বওয়ায় তোমরা পরস্পরের সাহায্য কর এবং পাপ ও সীমালংঘনে একে অন্যের সাহায্য করবে না। আর আল্লাহর তাক্বওয়া অবলম্বন কর (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত কর্মগুলোই হারাম। তাই আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কোন প্রকারের সাহায্য বা সহযোগিতা করা যাবে না। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি বলেন, ‘দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গোচরীভূত হয় বা লজ্জাস্থান বিকশিত হয় এমন পোশাক পরিধান করা নাজায়েয। যেমন কিছু ট্রাউজার, জিম বা সুইমিংয়ের পোশাক ইত্যাদি (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৩/৪৩০, ২৪/৪০ পৃ.)। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এমন সংকীর্ণ পোশাক যার ফলে সৃষ্টির অবয়ব প্রকাশিত হয় বা এমন ফিনফিনে পোশাক যার দ্বারা চামড়া আবৃত হয় না তা পরিধান করা নিষেধ। কেননা মহিলাদেরকে এ জাতীয় পোশাক পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। অভিভাবকদের (বাবা ও স্বামীর) উচিত তাদের এধরনের পোশাক পরতে নিষেধ করা’ (ফাতাওয়াউল কুবরা, ৫/৩৫৩ পৃ.)। অন্য হাদীছে এসেছে, যে সমস্ত মহিলা পোশাক পরেও উলঙ্গ হয়ে থাকে তারা জাহান্নামে যাবে (ছহীহ মুসলিম, হা/২১২৮)। উম্মু সালামাহ র বলেন, এক রাতে নবী (ﷺ) নিদ্রা হতে জাগ্রত হয়ে বলেন, সুবহানাল্লাহ! এ রাতে কতই না বিপদাপদ নেমে আসছে এবং কতই না ধনভাণ্ডার উন্মুক্ত করা হচ্ছে। অন্য সব ঘরের নারীদেরকেও সচেতন করে দাও, ‘বহু মহিলা যারা দুনিয়ায় পোশাক পরিহিতা, কিন্তু তারা আখিরাতে হবে বিবস্ত্রা’ (ছহীহ বুখারী, হা/১১৫, ১১২৬,, ৫৮৪৪, ৬২১৮, ৭০৬৯)।

আর সন্দেহযুক্ত কাজকে বর্জন করাই ইসলামের দাবী (ছহীহ বুখারী, হা/৫২)। আর এক্ষেত্রে মূলনীতি হল, إذا اجتَمَع الحلالُ والحرامُ غُلِّبَ الحرامُ ‘যখন কোন বিষয়ে হালাল ও হারামের মাসআলা একত্রিত হয়, তখন হারামের মাসআলা প্রাধান্য পাবে’। অর্থাৎ সেটাকে হারাম বলে গণ্য করতে হবে। অতএব ইসলামের নীতি হল, ‘দুনিয়াবী স্বার্থ হাসিলের আগে ধর্মীয় ক্ষতি থেকে বাঁচতে হবে’।


প্রশ্নকারী : খায়রুন আবেদীন, মীরপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৮) : কেউ যদি কবিরাজ দ্বারা টাকার বিনিময়ে জাদু করায়, তাহলে সে কি কাফির হয়ে যায়? শরী‘আতে জাদুর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : আমাদের মসজিদে লক্ষ্য করা যায় যে, প্রতিদিনই অনেক লোক ফজরের ছালাত চলাকালীন সুন্নাত ছালাত আদায় করতে থাকে। তাদের ধারণা হল- ফরজের আগেই সুন্নাত ছালাত পড়তে হবে। পরে পড়া যাবে না। উক্ত ধারণা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কতিপয় মানুষ রাসূল (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠের জন্য اللهم صل على نبينا محمد طب القلوب ودواء العافية এটা পড়ে থাকে। এটা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : অনেক মহিলারা ডান হাতের নখ রাখে। কারণ তারা তা না রাখলে নাকি কাজ করতে পারে না। এখন কেউ যদি বড় নখ রাখে তাহলে তার পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলামী শরী‘আতে চুল কাটার বিধান ও পদ্ধতি কীরূপ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : দু‘আ কুনূত পড়ার সময় হাত তুলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : যে ব্যক্তি রামাযান মাসের শেষ জুমু‘আয় দিনে রাতে পাঁচ ওয়াক্ত ফরয ছালাত আদায় করবে তার ঐ বছরের ছুটে যাওয়া ছালাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যেসব মুসলিম দাবীদারদের আক্বীদাগত বিরাট ভুল-ভ্রান্তি আছে। ক্বিয়ামতের দিন তাদের পাপপুণ্যের ওযন করা হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : অনেক স্থানে ছালাতে সূরা আল-ফাতিহা শেষ করে তিনবার আমীন বলার প্রচলন দেখা যায়। উক্ত প্রথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কোন ইবাদতেই মন বসে না। এখন করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ফজরের ওয়াক্ত পুরো সময় বায়ু বের হয় এমনকি মাঝে মধ্যে ওযূতেও বায়ু বের হয়। অন্য ওয়াক্তে মাঝে মাঝে এমনটি হয়। এখন উক্ত ব্যক্তি কি মা‘যূর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : জনৈক আলেম বলেন, কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তিগণ কুরবানীর খালেছ নিয়তে যিলহজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর নখ ও চুল না কাটলে সে আল্লাহর নিকটে তা পূর্ণাঙ্গ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে। তিনি দলীল হিসাবে মিশকাত হা/১৪৭৯ পেশ করেছেন। সেই সাথে এটাও বলেছেন যে, শু‘আইব আরনাঊত্ব (রাহিমাহুল্লাহ) অত্র হাদীছটিকে হাসান বলেছেন। তবে শায়খ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) অত্র হাদীছটিকে যঈফ বলেছেন। এখন আমরা দুই শায়খের মধ্যে কার তাহক্বীক্বকে প্রাধান্য দিব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ