রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
উত্তর : সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়ার কোন দলীল পাওয়া যায় না। অনেকে ফরয ছালাতের পর নিয়মিত সূরা ইখলাছ সহ সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে বা বুক পকেটে ফুঁ দিতে দেখা যায়। অথচ উক্ত আমলের ছহীহ কোন দলীল নেই (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২৭৬৪৪০)। তবে সেটা যদি যাদু-টোনা থেকে মুক্তির জন্য ঝাড়ফুঁক করার সময় হয়, সেক্ষেত্রে বুকে ফুঁ দেয়া জায়েয (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ দারব ইবনে বায, ৬/২৮৮ পৃ.)। ‘ইসলাম ওয়েব’-এর আলেমগণ বলেন, ‘সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে ফুঁ দেয়ার বিষয়টি রাসূল (ﷺ) থেকে ছহীহ সূত্রে দুই জায়গায় প্রমাণিত।

নবী (ﷺ) ঘুমানোর পূর্বে হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীরে মাসাহ করতেন, ছালাতের পরে নয়। যেমন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন বিছানায় আসতেন, তখন তিনি তাঁর দু’হাতের তালুতে সূরা ইখলাছ, সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর উভয় তালু দ্বারা স্বীয় মুখমণ্ডল এবং দু’হাত শরীরের যতদুর পৌঁছায় মাসাহ‌ করতেন। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, এরপর রাসূল (ﷺ) যখন অসুস্থ হন, তখন তিনি আমাকে ঐ রকম করার নির্দেশ দিতেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৪৮)। নবী (ﷺ) শারঈ ঝাড়ফুঁক করার সময় হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীরে মাসাহ্ করতেন। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, নবী (ﷺ) যে রোগে মৃত্যুবরণ করেন, সেই রোগের সময়ে তিনি নিজ দেহে ‘নাস ও ফালাক্ব’ পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর যখন রোগের তীব্রতা বেড়ে গেল, তখন আমি সেগুলো পড়ে ফুঁক দিতাম। আর আমি তাঁর নিজের হাত তাঁর দেহের উপর বুলিয়ে দিতাম। কেননা, তাঁর হাতে বরকত ছিল। রাবী বলেন, আমি যুহরীকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কীভাবে ফুঁক দিতেন? তিনি বললেন, তিনি তাঁর দু’হাতের উপর ফুঁক দিতেন, অতঃপর সেই দু’হাত দিয়ে আপন মুখমণ্ডল বুলিয়ে নিতেন (ছহীহ বুখারী, হা/৫৭৩৫, ৫৭৫১, ৫০১৬)। এছাড়া অন্য কোন সময়ে ফুঁক দেয়ার কথা প্রমাণিত নয় (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-১৬২৬৫৯)।


প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ পারভেজ, রাজশাহী।





প্রশ্ন (৮) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, আব্দুল কাদের জিলানীর কারণে বাগদাদ শহরের সব কবরের আযাব মাফ হয়ে গেছে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আমার এলাকার বাসিন্দারা মাযহাবের অনুসারী এবং তারা খুবই কট্টরপন্থী। বাপ-দাদার আমলকেই তারা ইসলাম মনে করে। কুরআন-হাদীছ অনুযায়ী আমল করার কথা বললে তারা ফিতনা মনে করে। তারা বুঝে না বুঝতেও চায় না; বরং হাসি-ঠাট্টা, গালাগালি করে এবং নানা যুক্তি দেখিয়ে ছহীহ হাদীছ অস্বীকার করে। এক্ষণে গ্রামবাসীকে কিভাবে বুঝানো যাবে? এভাবে শরী‘আতকে অস্বীকার করলে তার বিধান কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : একটি সূদী প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর নিজ খরচে কিছু কর্মচারীকে হজ্জে পাঠায়। উক্ত হজ্জ কি কবুল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : আমি একটি দোকানে চাকরি করি। কিন্তু দোকানের মালিক সূদের সাথে জড়িত। আমাকের ব্যাংকের কিস্তি দিতে হয়, ব্যাংকের সাথে লেনদেন করতে হয়। এখানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন ব্যক্তি যদি একটি বা দু’টি মাস’আলার কারণে মাযহাব ত্যাগ করে ছহীহ আক্বীদা গ্রহণ করে, তাহলে কি সে মুশরিক হয়ে যাবে? তার উপর কি জান্নাত হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭): আমি একটি কোম্পানিতে চাকুরি করি যারা বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে। সেলস ম্যানেজার আমাকে বলেছেন: এই পণ্যটি আমি এক হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারি। কিন্তু আমার কিছু ক্রেতা আছে যারা ১৫০০ টাকা দিয়ে এই পণ্য কিনবে। আমি কি এটি বিক্রি করে কোম্পানিকে ১০০০ টাকা দিয়ে বাকিটুকু নিজে রেখে দিতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭): ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে কথা বলা এবং তার দিকে তাকানো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬): সমাজে বহুলভাবে প্রচলিত আছে এবং বিভিন্ন ডাক্তারও বলে থাকেন যে, স্বামী ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ যদি এক হয়, তাহলে তাদের বাচ্চা বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধী হয়। এ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) :  ছালাতুল ইসতিখারা, ছালাতুল ইসতিসকা, ছালাতুল হাজাত, ছালাতুত তাওবাহ, সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের ছালাত, ইশরাক ও চাশতের ছালাত, ছালাতুয যোহা ইত্যাদি ছালাতগুলো সুন্নাতে মুওয়াক্কাদা, সুন্নাতে গায়ের মুওয়াক্কাদা, না-কি নফল ছালাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ওয়াহদাতুল উজূদ কাদের বিশ্বাস? ওলী বলতে কি শুধু পীরদের বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ইমামের কুরআন তেলওয়াত শুদ্ধ না হলে, মুক্তাদির ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ