রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
উত্তর : মিহ্‌রাব (مِحْرَابٌ) অর্থ অস্ত্রাগার, ক্বিবলার দিক-নির্দেশক বর্ধিত কুঠরি, মেহরাব, ইবাদতের স্থান, একান্ত কক্ষ ইত্যাদি। বর্তমানে ইমামের ছালাত আদায় করার নির্দিষ্ট জায়গাকে মিহরাব বলে। মসজিদের অংশ হিসাবে ‘মিহরাব’ নির্মাণ করা যাবে কি-না এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেম জায়েয বলেছেন। যদিও কিছু আলেম বিদ‘আত বলেছেন, যা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, রাসূল (ﷺ) এবং খুলাফায়ে রাশিদীনের যুগে এমনকি প্রথম হিজরী শতক পর্যন্ত কোন মসজিদে মিহ‌রাবের (مِحْرَاب) অস্তিত্বই ছিল না। দ্বিতীয় হিজরী শতকের শুরুর দিকে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক সুবিধার্থে এবং বিবিধ কল্যাণের কথা বিবেচনা করে মুসলিমরা মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণের প্রচলন শুরু করে। যেমন মসজিদের পরিচিতি, ক্বিবলাহ নির্ধারণ ইত্যাদি (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৬/২৫২-২৫৩ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৬৮৮২৭)। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রশস্ততা রয়েছে। প্রয়োজনে মসজিদে মিহ‌রাব নির্মাণ করা বৈধ। নির্মাণ করাটাও দোষনীয় নয়, আবার না করাটাও দোষনীয় নয়’ (ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট)। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী মসজিদে মিহরাব নির্মাণ করা মুবাহ অর্থাৎ বৈধ, অনুমোদিত, সকলের জন্য উন্মুক্ত। কেননা এর মধ্যে বিবিধ কল্যাণ নিহিত রয়েছে। যেমন অজ্ঞদের জন্য ক্বিবলার নির্ধারণ ইত্যাদি (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ১২/৩২৬-৩২৭ পৃ.)।

উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে এ কথা দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান হয় যে, যেহেতু মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণ করা বৈধ। সেক্ষেত্রে ইমামের জন্য মিহ‌রাবে ছালাত আদায় করাও বৈধ। আমাদের যে প্রচলিত ধারণা, ‘ইমামকে মিহরাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে’, তা সঠিক নয়। সুতরাং মসজিদের অবস্থান অনুযায়ী মিহ‌রাবের ভিতরে বা বাইরে যে কোন স্থানে ইমাম দাঁড়াতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, পিছনের মুছল্লীগণ যেন ইমামকে দেখতে পায়‌ (মাতালিবু উলিন নূহা, ১/২৯৬, ৬৯৬ পৃ.; আশ-শারহুল মুমতি‘, ২/২৭৫ পৃ.; ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩২২৪৪, ২০৩১)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, সিলেট।





প্রশ্ন (৬) : এক মসজিদের সভাপতি বলেছেন, আমার মসজিদের আশে পাশে সব মানুষ সালাফী নয়। তাই উনি সালাফী, দেওবন্দী, জামা‘আতী সবাইকে দিয়ে খুৎবা দেওয়ান। কেউ দাঁড়িয়ে খুতবাহ দেন, কেউ বসে দেন। সভাপতি বলেন, এটা দাওয়াতের হিকমাহ। এক্ষেত্রে সালাফদের নীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : হায়েয অবস্থায় স্ত্রী তার মৃত স্বামীকে গোসল করাতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : রাজমিস্ত্রি কাজে লেবারদের কাছ থেকে হেড মিস্ত্রি যে কমিশন নেন, সেটা কি হালাল হবে? উল্লেখ্য যে, কাজের সকল যন্ত্রপাতি হেড মিস্ত্রির থাকে এবং কাজ পাওয়ার সকল ভূমিকা তারই থাকে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কোন আলেম যদি তাবীয ব্যবহার করে, তাহলে তার পিছনে ছালাত আদায় করা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কোন মহিলা তার স্বামীর কাছ থেকে খোলা ত্বালাক্ব নিলে বা বিবাহ বিচ্ছিন্ন করলে কতদিন ইদ্দত পালন করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : শী‘আদের ভ্রান্ত আক্বীদাগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় ৯ বছর। প্রথম সন্তান মেয়ে হয়ে মারা গেছে। এটা কি আমার জন্য কোন বিপদ? সন্তান লাভের কোন বিশেষ আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ফুযাইল ইবনু ই‘যায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, لَوْ أَنَّ لُوْطِيًّا اغْتَسَلَ بِكُلِّ قَطْرَةٍ مِّنَ السَّمَاءِ لَقِيَ اللهَ غَيْرَ طَاهِرٍ ‘সমকামী ব্যক্তি যদি আকাশের সমস্ত পানি দিয়ে গোসল করে তারপরও সে অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে’ (যাম্মুল লিওয়াত্ব, দুরী, পৃ. ১৪২; ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-২৪৩৬৭৩)। প্রশ্ন হল- কোন সমকামী ব্যক্তি ভুল বোঝার পরে অনুতপ্ত হয়ে যদি ইখলাছের সাথে তওবাহ করে, তাহলে কি তার সমকামের পাপ ক্ষমা হবে এবং সে কি অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : মানুষের একথা বলা যে, যদি এ কুকুর না থাকত তবে রাত্রে চোর আমাদের ঘরে ঢুকে পড়ত, যদি হাঁস বাড়ীতে না থাকত তবে চুরি হয়ে যেত, কারও একথা বলা যে, যা আল্লাহ চান ও আপনি চান, যদি আল্লাহ না হতেন অমুক না হতো ইত্যাদি জাতীয় কথা বলা কি শিরকের অন্তর্ভুক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : অনেকেই বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া অপসন্দ করেন। বেনামাযীর বাড়ীতে খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : সুন্নাহ এবং হাদীছের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে?       - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : রাসূল (ﷺ) তাঁর মায়ের কবরের পার্শ্বে গিয়ে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে আল্লাহ তাকে জীবিত করে দেন। অতঃপর রাসূল (ﷺ)-এর উপরে ঈমান আনেন মর্মে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? অনুরূপভাবে নবীজীর ‘পিতা-মাতা’ উভয়ের ঈমান আনার যে বর্ণনা প্রচলিত আছে, সেগুলো ছহীহ কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ