রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : মিহ্‌রাব (مِحْرَابٌ) অর্থ অস্ত্রাগার, ক্বিবলার দিক-নির্দেশক বর্ধিত কুঠরি, মেহরাব, ইবাদতের স্থান, একান্ত কক্ষ ইত্যাদি। বর্তমানে ইমামের ছালাত আদায় করার নির্দিষ্ট জায়গাকে মিহরাব বলে। মসজিদের অংশ হিসাবে ‘মিহরাব’ নির্মাণ করা যাবে কি-না এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেম জায়েয বলেছেন। যদিও কিছু আলেম বিদ‘আত বলেছেন, যা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, রাসূল (ﷺ) এবং খুলাফায়ে রাশিদীনের যুগে এমনকি প্রথম হিজরী শতক পর্যন্ত কোন মসজিদে মিহ‌রাবের (مِحْرَاب) অস্তিত্বই ছিল না। দ্বিতীয় হিজরী শতকের শুরুর দিকে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক সুবিধার্থে এবং বিবিধ কল্যাণের কথা বিবেচনা করে মুসলিমরা মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণের প্রচলন শুরু করে। যেমন মসজিদের পরিচিতি, ক্বিবলাহ নির্ধারণ ইত্যাদি (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৬/২৫২-২৫৩ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৬৮৮২৭)। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রশস্ততা রয়েছে। প্রয়োজনে মসজিদে মিহ‌রাব নির্মাণ করা বৈধ। নির্মাণ করাটাও দোষনীয় নয়, আবার না করাটাও দোষনীয় নয়’ (ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট)। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী মসজিদে মিহরাব নির্মাণ করা মুবাহ অর্থাৎ বৈধ, অনুমোদিত, সকলের জন্য উন্মুক্ত। কেননা এর মধ্যে বিবিধ কল্যাণ নিহিত রয়েছে। যেমন অজ্ঞদের জন্য ক্বিবলার নির্ধারণ ইত্যাদি (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ১২/৩২৬-৩২৭ পৃ.)।

উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে এ কথা দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান হয় যে, যেহেতু মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণ করা বৈধ। সেক্ষেত্রে ইমামের জন্য মিহ‌রাবে ছালাত আদায় করাও বৈধ। আমাদের যে প্রচলিত ধারণা, ‘ইমামকে মিহরাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে’, তা সঠিক নয়। সুতরাং মসজিদের অবস্থান অনুযায়ী মিহ‌রাবের ভিতরে বা বাইরে যে কোন স্থানে ইমাম দাঁড়াতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, পিছনের মুছল্লীগণ যেন ইমামকে দেখতে পায়‌ (মাতালিবু উলিন নূহা, ১/২৯৬, ৬৯৬ পৃ.; আশ-শারহুল মুমতি‘, ২/২৭৫ পৃ.; ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩২২৪৪, ২০৩১)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, সিলেট।





প্রশ্ন (৭) : কোন ব্যক্তি নেশাদার দ্রব্য পান করলে কি সরাসরি মুশরিক হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : কারো সন্তান মারা গেলে কোন্ দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : তাকবীরে তাহরিমা ও রাফ‘উল ইয়াদাইন করার সময় হাতের আঙ্গুল খোলা খোলা থাকবে, না-কি পরস্পরের সাথে মিলানো থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : অনেকেই হাতের আঙ্গুলে চুমু দিয়ে বা ফুঁ দিয়ে চোখ স্পর্শ করে থাকে। এটা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : অন্যান্য ধর্মের পূজা, মন্দির বা গির্জা দেখার জন্য যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : বাবার অনুমতি ব্যতীত ছেলে ও মেয়ে প্রেম করে বিয়ে করে। বিবাহের অনুষ্ঠানে মেয়ের বড় বোন ও বাগিনা উপস্থিত ছিল। এমনকি বিবাহের পর তারা পালিয়েও যায়নি বরং নিজ নিজ বাড়ি চলে যায়। পরবর্তীতে উভয়ের পিতা-মাতার সম্মতি ও আত্মীয়-স্বজন নিয়ে মেয়ের বাড়ি থেকে মেয়েকে অনুষ্ঠান করে আনা হয় এবং পরের দিন ওয়ালীমা করা হয়। প্রশ্ন হল- তাদের এই বিবাহ কি বৈধ হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ছালাতে ক্বিরাআত ভুলে গেলে সাহু সিজাদহ দিতে হবে কি? সাহু সিজদাহ দেয়ার সঠিক নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ‘ক্বিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে, তবে মসজিদগুলো ধ্বংস হবে না। সেগুলো একটি আরেকটির সাথে যুক্ত হবে এবং কা‘বার সাথে গিয়ে মিলিত হবে’। এ মর্মে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক বক্তা বলেন, হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি ১০ মুহাররম আশূরার দিন গোসল করবে, সারা বছর তার কোন রোগ হবে না। উক্ত বক্তব্য সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদ, ওয়ায মাহফিলের সভাপতি ও প্রধান অতিথি হওয়ার শর্তে দান করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আমার মেয়ের জন্মের সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করেছি। কিন্তু নামটা ইসলামী বা সুন্দর অর্থবোধক নয়। এমতাবস্থায় আবার আক্বীক্বা করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ কবুল হয়। এক্ষণে আযান ও ইকামতের মাঝে দু‘আ করার সময় হামদ ও দরুদ পাঠ করতে হবে কি, আর দুই হাত তুলে দু‘আ করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ