বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : মিহ্‌রাব (مِحْرَابٌ) অর্থ অস্ত্রাগার, ক্বিবলার দিক-নির্দেশক বর্ধিত কুঠরি, মেহরাব, ইবাদতের স্থান, একান্ত কক্ষ ইত্যাদি। বর্তমানে ইমামের ছালাত আদায় করার নির্দিষ্ট জায়গাকে মিহরাব বলে। মসজিদের অংশ হিসাবে ‘মিহরাব’ নির্মাণ করা যাবে কি-না এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ আলেম জায়েয বলেছেন। যদিও কিছু আলেম বিদ‘আত বলেছেন, যা সঠিক নয়। সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটির আলেমগণ বলেন, রাসূল (ﷺ) এবং খুলাফায়ে রাশিদীনের যুগে এমনকি প্রথম হিজরী শতক পর্যন্ত কোন মসজিদে মিহ‌রাবের (مِحْرَاب) অস্তিত্বই ছিল না। দ্বিতীয় হিজরী শতকের শুরুর দিকে মুসলিম উম্মাহর সার্বিক সুবিধার্থে এবং বিবিধ কল্যাণের কথা বিবেচনা করে মুসলিমরা মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণের প্রচলন শুরু করে। যেমন মসজিদের পরিচিতি, ক্বিবলাহ নির্ধারণ ইত্যাদি (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ৬/২৫২-২৫৩ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৬৮৮২৭)। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রশস্ততা রয়েছে। প্রয়োজনে মসজিদে মিহ‌রাব নির্মাণ করা বৈধ। নির্মাণ করাটাও দোষনীয় নয়, আবার না করাটাও দোষনীয় নয়’ (ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট)। শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এ ব্যাপারে আলিমদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। তবে প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী মসজিদে মিহরাব নির্মাণ করা মুবাহ অর্থাৎ বৈধ, অনুমোদিত, সকলের জন্য উন্মুক্ত। কেননা এর মধ্যে বিবিধ কল্যাণ নিহিত রয়েছে। যেমন অজ্ঞদের জন্য ক্বিবলার নির্ধারণ ইত্যাদি (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ১২/৩২৬-৩২৭ পৃ.)।

উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে এ কথা দিবালোকের ন্যায় প্রতীয়মান হয় যে, যেহেতু মসজিদে মিহ্রাব নির্মাণ করা বৈধ। সেক্ষেত্রে ইমামের জন্য মিহ‌রাবে ছালাত আদায় করাও বৈধ। আমাদের যে প্রচলিত ধারণা, ‘ইমামকে মিহরাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে’, তা সঠিক নয়। সুতরাং মসজিদের অবস্থান অনুযায়ী মিহ‌রাবের ভিতরে বা বাইরে যে কোন স্থানে ইমাম দাঁড়াতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, পিছনের মুছল্লীগণ যেন ইমামকে দেখতে পায়‌ (মাতালিবু উলিন নূহা, ১/২৯৬, ৬৯৬ পৃ.; আশ-শারহুল মুমতি‘, ২/২৭৫ পৃ.; ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩২২৪৪, ২০৩১)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, সিলেট।





প্রশ্ন (৩০) : নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন দেশে হলেও তোমরা যাও’, হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : হাজারে আসওয়াদ একটি ফেরেশতা ছিল। আল্লাহ তাকে পাথর বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হারাম রিযিক জেনেও কেউ যদি সেই রিযিকের উপর বহাল থাকে, তাহলে সে কি কাফের হয়ে যাবে যেহেতু তার ইবাদত কবুল হচ্ছে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : দীর্ঘ মেয়াদী ঋণী ব্যক্তি কি হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (০৮) : পুরুষের জন্য পরচুলার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : মুমিন ও‌ মুসলিমের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহর কাছে মাছির ডানা সমতুল্য নয়, তাহলে আল্লাহর  শাস্তি এত কঠোর কেন? মাথায় এমন প্রশ্ন আসলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : এশার ছালাতের সঠিক সময় কখন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে আছ? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেয়া ভাল (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘দাবা খেলা, পাশা খেলা এবং এ জাতীয় খেলাগুলোতে কোন কল্যাণ নেই’। উপরিউক্ত দলীলের আলোকে লুডু, তাস, ক্যারাম ইত্যাদি খেলাকেও হারাম বলা হয়। প্রশ্ন হল, ছাহাবী বা তাবেঈ কি কোন জিনিস হারাম করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ অনুমতি দেননি। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : হিজড়ারা জিনের সন্তান। এ দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : যে সমস্ত ব্যক্তি নারী-পুরুষের সাদৃশ্য পোশাক পরিধান করে তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ