শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
উত্তর : অধিকাংশ মুহাদ্দিছের বক্তব্য হল যঈফ হাদীছ আমলযোগ্য নয়। ইমাম বুখারী (১৯৪-২৫৬ হি.) যঈফ হাদীছকে সম্পূর্ণরূপেই প্রত্যাখ্যান করেছেন তা তাঁর ছহীহ বুখারীর সংকলন, রাবীদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ কঠোরতা অবলম্বন এবং কোন প্রকার যঈফ হাদীছকে প্রশ্রয় না দেয়া থেকেই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তার সম্পর্কে ড. আব্দুল করীম বিন আব্দুল্লাহ আল-খাযীর বলেন,

اَلظَّاهِرُ مِنْ صَنِيْعِ الْبُخَارِىِّ فِىْ صَحِيْحِهِ وَشِدَّةِ شَرْطِهِ فِىْ الرُّوَاةِ وَعَدَمِ إِخْرَاجِهِ شَيْئًا مِنَ الْأَحَادِيْثِ الضَّعِيْفَةِ أَنَّ مَذْهَبَهُ عَدَمُ الْعَمَلِ بِالْحَدِيْثِ الضَّعِيْفِ.

‘ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছহীহ বুখারীতে হাদীছ সংকলন, রাবীদের ব্যাপারে কঠোর মূলনীতি আরোপ এবং যঈফ হাদীছ সমূহের মধ্য হতে কোন প্রকার হাদীছ বর্ণনা না করাতেই স্পষ্ট হয় যে, তাঁর নীতি ছিল যঈফ হাদীছের প্রতি আমল না করা’ (আল-হাদীছুয যঈফ ওয়া হুকমুল ইহতিজাজু বিহী, পৃ. ১৩০)। যঈফ হাদীছ বর্জন সংক্রান্ত ইমাম মুসলিম (২০৪-২৬১ হি.)-এর বক্তব্য দ্ব্যর্থহীন। তিনি তাঁর ‘ছহীহ মুসলিম’-এর’ ভূমিকাতেই তা আলোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের প্রমাণে হাদীছ উল্লেখ করেছেন এবং ছাহাবী, তাবেঈ ও মুহাদ্দিছগণের মতামত পেশ করেছেন (ছহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড, পৃ. ৬, অনুচ্ছেদ-১, মুক্বাদ্দামাহ দ্র.)। আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

وَهَذَا وَالَّذِىْ أُدَيِّنُ اللهَ بِهِ وَأَدْعُوْ النَّاسَ إِلَيْهِ أَنَّ الْحَدِيْثَ الضَّعِيْفَ لاَ يُعْمَلُ بِهِ مُطْلَقًا لاَفِىْ الْفَضَائِلِ وَالْمُسْتَحَبَّاتِ وَلاَ فِىْ غَيْرِهِمَا.

‘এ জন্যই আমি আল্লাহর দিকে ফিরে যাই এবং মানুষকেও এদিকেই আহ্বান করি যে, যঈফ হাদীছের উপর কোন ক্ষেত্রেই আমল করা যায় না। না ফযীলতের ক্ষেত্রে, না মুস্তাহাবের ক্ষেত্রে। এতদ্ব্যতীত অন্য কোন বিষয়েও না’ (ছহীহুল জামে‘ আছ-ছগীর ওয়া যিয়াদাতুহু, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪৫, ৫০; ভূমিকা দ্র.; বিস্তারিত দ্র. : ‘যঈফ ও জাল হাদীছ বর্জনের মূলনীতি’ শীর্ষক বই)।


প্রশ্নকারী : রাজিবুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা।





প্রশ্ন (২০) : আব্দুল্লাহ ইবনু শাকীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের হৃদয়ে আছে দু’টি কুঠরী, একটিতে থাকে ফেরেশতা, অপরটিতে থাকে শয়তান। মানুষ যখন আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়, তখন শয়তান পিছনে সরে যায়। আর যখন মানুষ যিকির থেকে উদাসীন থাকে, তখন সে তার ঠোঁট দিয়ে হৃদয়ে ঠোকর মারতে থাকে। হৃদয়ে প্রক্ষেপ করে প্ররোচনা’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : প্রচলিত আছে যে, কেউ যদি জুমু‘আহ বা অন্য কোন ছালাতের আযান দেয়, তাহলে ঐ ব্যক্তি আর ছালাতের ইমামতি করতে পারবে না। এটা কি হাদীছসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : বিকাশ-এর মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : এক তাশাহ্হুদ বিশিষ্ট ছালাত তথা এক বা দুই রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের সময় কিভাবে বসতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : প্রচলিত রয়েছে যে, শু‘আইব (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর শ্বশুর ছিলেন। কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : দেওবন্দী মানহাজের লোকেরা বলে থাকে যে, চার ইমামের প্রত্যেকেই ২০ রাক‘আত তারাবীহ আদায় করেছেন এবং অন্যদেরকে পড়তে বলেছেন। প্রশ্ন হল- তাদের দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : আরবী নতুন বছর বা মাস শুরু হলে কোনো দু‘আ পড়তে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বন্ধক রাখার ছহীহ পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মক্কার হারাম এলাকার সীমানা কতটুকু? গোটা মক্কা কি হারামের অন্তর্ভুক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য মহিলা চোখের ভ্রƒ উঠাতে ও কাটতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : যদি কারো মা তার দেবরের সামনে শরী‘আহ মোতাবেক পর্দা না করে এবং ছেলের বাবা তাকে কিছু না বলে, তাহলে ছেলে কি দাইয়ূছ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ