রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : অধিকাংশ মুহাদ্দিছের বক্তব্য হল যঈফ হাদীছ আমলযোগ্য নয়। ইমাম বুখারী (১৯৪-২৫৬ হি.) যঈফ হাদীছকে সম্পূর্ণরূপেই প্রত্যাখ্যান করেছেন তা তাঁর ছহীহ বুখারীর সংকলন, রাবীদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ কঠোরতা অবলম্বন এবং কোন প্রকার যঈফ হাদীছকে প্রশ্রয় না দেয়া থেকেই স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তার সম্পর্কে ড. আব্দুল করীম বিন আব্দুল্লাহ আল-খাযীর বলেন,

اَلظَّاهِرُ مِنْ صَنِيْعِ الْبُخَارِىِّ فِىْ صَحِيْحِهِ وَشِدَّةِ شَرْطِهِ فِىْ الرُّوَاةِ وَعَدَمِ إِخْرَاجِهِ شَيْئًا مِنَ الْأَحَادِيْثِ الضَّعِيْفَةِ أَنَّ مَذْهَبَهُ عَدَمُ الْعَمَلِ بِالْحَدِيْثِ الضَّعِيْفِ.

‘ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছহীহ বুখারীতে হাদীছ সংকলন, রাবীদের ব্যাপারে কঠোর মূলনীতি আরোপ এবং যঈফ হাদীছ সমূহের মধ্য হতে কোন প্রকার হাদীছ বর্ণনা না করাতেই স্পষ্ট হয় যে, তাঁর নীতি ছিল যঈফ হাদীছের প্রতি আমল না করা’ (আল-হাদীছুয যঈফ ওয়া হুকমুল ইহতিজাজু বিহী, পৃ. ১৩০)। যঈফ হাদীছ বর্জন সংক্রান্ত ইমাম মুসলিম (২০৪-২৬১ হি.)-এর বক্তব্য দ্ব্যর্থহীন। তিনি তাঁর ‘ছহীহ মুসলিম’-এর’ ভূমিকাতেই তা আলোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের প্রমাণে হাদীছ উল্লেখ করেছেন এবং ছাহাবী, তাবেঈ ও মুহাদ্দিছগণের মতামত পেশ করেছেন (ছহীহ মুসলিম, ১ম খণ্ড, পৃ. ৬, অনুচ্ছেদ-১, মুক্বাদ্দামাহ দ্র.)। আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

وَهَذَا وَالَّذِىْ أُدَيِّنُ اللهَ بِهِ وَأَدْعُوْ النَّاسَ إِلَيْهِ أَنَّ الْحَدِيْثَ الضَّعِيْفَ لاَ يُعْمَلُ بِهِ مُطْلَقًا لاَفِىْ الْفَضَائِلِ وَالْمُسْتَحَبَّاتِ وَلاَ فِىْ غَيْرِهِمَا.

‘এ জন্যই আমি আল্লাহর দিকে ফিরে যাই এবং মানুষকেও এদিকেই আহ্বান করি যে, যঈফ হাদীছের উপর কোন ক্ষেত্রেই আমল করা যায় না। না ফযীলতের ক্ষেত্রে, না মুস্তাহাবের ক্ষেত্রে। এতদ্ব্যতীত অন্য কোন বিষয়েও না’ (ছহীহুল জামে‘ আছ-ছগীর ওয়া যিয়াদাতুহু, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪৫, ৫০; ভূমিকা দ্র.; বিস্তারিত দ্র. : ‘যঈফ ও জাল হাদীছ বর্জনের মূলনীতি’ শীর্ষক বই)।


প্রশ্নকারী : রাজিবুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা।





প্রশ্ন (১০) : ‘তোমরা হজ্জ ও উমরাহ পরপর একত্রে পালন কর। কেননা এ দু’টি (হজ্জ ও উমরাহ) দারিদ্র্য ও গুনাহসমূহ এমনভাবে দূর করে দেয় যেমন কামারের হাপর লোহা ও সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর হজ্জে মাবরূরের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : জনৈক আলেম বলেন, কেউ যদি মদীনায় মারা যায় তবে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জন্য সুপারিশ করবেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আমরা ‘বায়তুল্লাহর মুসাফির’ নামে একটি হজ্জ ও ওমরা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছি। যারা আলেম, ইমাম বা দাঈ হিসাবে আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন, তাদের মাধ্যমে যদি কেউ হজ্জে যান, তাহলে আমরা তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সম্মাননা, ওমরার সুযোগ বা অর্থ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। এভাবে বলা যায় যে, ‘কেউ যদি আমাদের নির্দিষ্ট সংখ্যক হাজী দেন, তাহলে তাকে ওমরা করানোর ব্যবস্থা করা হবে’। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এভাবে কাজ করাটা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : যে ব্যক্তি জুম‘আর দিনে সূরা কাহ্ফ পাঠ করবে, সে ৮ দিন পর্যন্ত সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকবে, যদিও তার মাঝে দাজ্জাল এসে যায়। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : হজ্জ মানুষের পাপকে ধুয়ে দেয়, যেভাবে পানি ময়লাকে ধুয়ে দেয়। এই হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক বক্তা বলেন, ইসলাম ধর্মে এমন একটি নফল ছালাত আছে যা সফর মাসের শেষ বুধবার পূর্বাহ্নের প্রথম প্রহরে এক সালামে চার রাক‘আত আদায় করা খুবই ফযীলতপূর্ণ। পদ্ধতি হল, প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে ১৭ বার সূরা কাওছার, ৫০ বার সূরাহ ইখলাছ এবং একবার করে সূরা নাস ও ফালাক্ব পাঠ করে। সালাম ফিরানোর পর সূরা ইউসুফের ২১ নং আয়াতের শেষাংশ ৩৬০ বার পাঠ করবে। শেষে সূরা আস-সাফফাতের ১৮০-১৮২ নং আয়াত পাঠ করে শেষ করবে। অতঃপর ফক্বীর মিসকীনদের মাঝে কিছু রুটি ছাদাক্বাহ করবে। এর মাধ্যমে বুধবার নাযিল হওয়া সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তি লাভ করবে। কারণ প্রত্যেক বছর এই দিন ২০ হাজার ৩০০ শত বালা-মুছীবত নাযিল হয়। প্রশ্ন হল, উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : যে ব্যক্তি রাসূলের উপর দরূদ পাঠ করতে ভুলে যাবে, সে জান্নাতের পথ ভুলে যাবে’। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : দৈনিক কোন্ খাতে কত টাকা ব্যয় করেছি, মাসিক হিসাবের সুবিধার্তে সেটা দৈনিক লিপিবদ্ধ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : মদীনা কামারের হাপরের ন্যায়। মদীনা মরিচা (দুষ্ট লোক) বিদূরিত করে এবং ভালকে আরও উজ্জ্বল করে (ছহীহ বুখারী, হা/৬৭৮৫)। উক্ত হাদীছে ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বর্তমানে স্পোর্টসের দোকানগুলোতে এবং যুবকদের মধ্যে ইউরোপীয় জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর নামযুক্ত জার্সি পরার প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ক্লাবের কিছু লোগোতে ক্রস (খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক)ও রয়েছে। যদি এসব জার্সি বিক্রি বন্ধ করি, তাহলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব, এমনকি দোকান বন্ধ করে দিতে হতে পারে। তবে আমরা হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতএব নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর হুকুম শরী‘আতের আলোকে কী হবে? (১) ইউরোপীয় ক্লাবের জার্সি কেনা, বিক্রি করা ও পরিধান করার হুকুম কী? খেলোয়াড়ের নাম লেখা থাকলে তা পরে ছালাত পড়া যাবে কি? (২) যেসব জার্সিতে নাম নেই, কেবল নম্বর আছে, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৩) যেসব জার্সিতে নাম বা নম্বর কিছুই নেই, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৪) যেসব জার্সির লোগো থেকে ক্রস মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলো বিক্রির হুকুম কী? (৫) এটি কি “عمت به البلوى” (সর্বব্যাপী সাধারণ বিপদ) হিসাবে গণ্য হবে? (৬) যদি এসব জার্সি বিক্রি করা বৈধ না হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : গীবত বা বান্দার সাথে সংশ্লিষ্ট গুনাহ মাফ করানোর জন্য কী কী কাজ করা যেতে পারে, যদি সে বান্দাকে না পাওয়া যায়?   - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কুরআন মাজীদে চুমা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ