বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : উক্ত দাবী ভিত্তিহীন। সেই সাথে উক্ত হাদীছ পেশ করে যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর। সালাফী বিদ্বানগণ কেউ এ ধরনের ব্যাখ্যা করেননি। মূলত উক্ত হাদীছের অর্থ হল, মুসলিম খলীফার কাছে বায়‘আত না করা এবং জামা‘আত থেকে বেরিয়ে যাওয়া। যেমন ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ (৬৬১-৭২৮ হিঃ) বলেন,

فَقَدْ ذَكَرَ ﷺ الْبُغَاةَ الْخَارِجِينَ عَنْ طَاعَةِ السُّلْطَانِ وَعَنْ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ

‘রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উক্ত হাদীছে ঐ সমস্ত বিদ্রোহীদের বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, যারা (মুসলিম) শাসকের আনুগত্য ও মুসলিম জামা‘আত থেকে বেরিয়ে গেছে’ (ফাতাওয়া ইবনে তায়মিয়াহ ২৮/৪৮৭ ও ৩৫/১৩ পৃঃ)। ইমাম আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) উক্ত হাদীছ উল্লেখ করে বলেন,  

واعلم أن الوعيد المذكور إنما هو لمن لم يبايع خليفة المسلمين وخرج عنهم وليس كما يتوهم البعض أن يبايع كل شعب أو حزب رئيسه بل هذا هو التفرق المنهي عنه في القرآن الكريم

‘জেনে নিন যে, উক্ত শাস্তি কেবল তার জন্য, যে ব্যক্তি মুসলিমদের খলীফার কাছে বায়‘আত করেনি এবং তাদের থেকে বের হয়ে গেছে। আর এর অর্থ সেটা নয়, যা কিছু লোক ধারণা করেছে যে, প্রত্যেক গোত্রের লোক বা দলের অনুসারীরা তার নেতার কাছে বায়‘আত করবে; বরং এটা ফের্কাবাজি, যা কুরআনুল কারীমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে’ (সিলসিলা ছহীহাহ (সংক্ষিপ্ত) হা/৯৮৪-এর ব্যাখ্যা দ্রঃ)। এ বিষয়ে শায়খ বিন বায (রাহিমাহুল্লাহ)-কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,

هذه البيعة باطلة ولا يجوز فعلها لأنها تفضي إلى شق العصا ووجود الفتن الكثيرة

‘এই বায়‘আত বাতিল। এটা করা জায়েয নয়। কারণ এটা ঐক্য বিনষ্ট করার পথ প্রশস্ত করবে এবং অধিক ফেৎনা সৃষ্টি করবে’ (শায়খ বিন বায, মাজমূউ ফাতাওয়া ২৮/২৫১ পৃঃ)।  


প্রশ্নকারী : আতীকুর রহমান, খুলনা।





প্রশ্ন (১৬) : অশ্লীল গান শোনা হারাম। কিন্তু ধর্মীয় ও দেশাত্মবোধক গান, শিশুদের গান এবং জন্মদিনের গান শোনা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, যুবতী মেয়ে রেখে হজ্জে গেলে হজ্জ কবুল হবে না। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : এক মুসলিম অপর মুসলিমের মাঝে কোন পার্থক্য আছে কি? কেউ ছালাত আদায় না করলে ইসলামে তার হুকুম কী? ছালাত কি জান্নাতের চাবি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কাফের দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৭) : ফরয কিংবা নফল ছালাতে যে সমস্ত জায়গায় দু‘আ করা হয়, সে সব জায়গায় কুরআনের দু‘আমূলক আয়াত পরা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : ইলম অর্জনের পর তদনুযায়ী আমল না করলে কেমন শাস্তি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ‘তোমরা হজ্জ কর, কারণ হজ্জ গুনাহকে ধুয়ে ফেলে যেরূপ পানি ময়লা ধুয়ে ফেলে’ (ত্বাবারাণী-আল-মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/৪৯৯৭)। বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : টমেটো মূলত সবজি। বর্তমানে এটি বাণিজ্যিক পণ্য হিসাবে চাষ করা হচ্ছে। এর যাকাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জনৈক ব্যক্তি স্ত্রীর প্রতি রাগান্বিত হয়ে স্ত্রীর সামনে স্ত্রীর নাম উল্লেখ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আল্লাহ তুমি স্বাক্ষী থাক, আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আমি তোমার সাথে (স্ত্রী) আর কখনো মিলন করব না’। এরূপ কসমের জন্য করণীয় কী? এজন্য কি বিবাহ বিচ্ছিদ ঘটবে, না-কি কসমের কাফ্ফারা স্বরূপ তিনটি ছিয়াম রাখলেই যথেষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ভালো কথা না শুনলে কিংবা ছালাত আদায় না করলে নিজের আপন বোনকে ত্যাজ্য বোন করা যাবে কি? শরী‘আতে বোনকে ভাই কর্তৃক এবং ভাইকে বোন কর্তৃক ত্যাজ্য করার কোন বিধান আছে কি? পিতা-মাতা কি তাদের সন্তানকে ত্যাজ্য করতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): একজন তরুণী মহিলা ডাক্তার। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের নিকট এমন বিষয় ব্যাখ্যা করেন, যার কারণে তিনি এমন কিছু নড়াচড়া করে থাকেন, যা ছাত্রদের সামনে করা উচিত নয়। প্রশ্ন হল- তার দিকে তাকানোর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ