বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এটি আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ নিদর্শন। যেমন মরার পর মানুষের বৈশিষ্ট্য হল- পচে-গলে মাটির সাথে মিশে যাওয়া। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা ফিরাউনকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত অক্ষত অবস্থায় রাখবেন। এতে ফিরাউনের কোন কৃতিত্ব আছে কি? বরং সবটাই আল্লাহর ক্ষমতা। অনুরূপভাবে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সাজদাহ করা হারাম। অথচ আল্লাহর আদেশেই ফেরেশতারা আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সাজদাহ করেছিলেন। আল্লাহর আদেশে ঘটনাটি ঘটার ফলে এটি শিরক নয়। ঠিক তেমনি আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কেউ-ই স্বেচ্ছায় জান্নাত বা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হতে পারবে না। আর তাদেরকে তো একটা জীবন শেষ করার পর পরবর্তী জীবনে চিরস্থায়ী করা হবে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা প্রথম লগ্ন থেকেই চিরস্থায়ী। আর তাঁর চিরস্থায়ী হওয়ার ব্যাপারে কারোর অনুমতির প্রয়োজন নেই। তিনি নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। তারা কী করে তাঁর সমতুল্য হতে পারে যাদেরকে তিনি নিজে চিরস্থায়ী করেছেন? (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-২২৯২৩৪৫)।

তাই কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ থেকে স্পষ্ট দলীল পাওয়ার পর কোন যুক্তি পেশ করা উচিত নয়। ধারণার বশবর্তী হয়ে কোন কথা বলা জায়েয নয়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

وَ لَا تَقۡفُ مَا لَیۡسَ لَکَ بِہٖ عِلۡمٌ ؕ اِنَّ السَّمۡعَ وَ الۡبَصَرَ وَ الۡفُؤَادَ  کُلُّ  اُولٰٓئِکَ کَانَ  عَنۡہُ  مَسۡـُٔوۡلًا

‘যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়ো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ওদের প্রত্যেকের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৩৬)। কেননা উছূলে ফিক্বহ বা ইসলামী শরী‘আতের স্থিরীকৃত নীতিমালা সমূহের মধ্যে রয়েছে যে, لا اجتهاد مع النص ‘স্পষ্ট দলীল থাকতে ইজতিহাদ বা ক্বিয়াস চলবে না’। তাই এই প্রকারের ক্বিয়াসকে আলেমগণ ভ্রান্ত, অকেজো ও বিকৃত ক্বিয়াস হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৩২৭৮৭ কুয়েতী ফিক্বাহ বিশ্বকোষ, ৪১/২৪৮; আরশীফ মুলতাক্বা আহলিল হাদীছ, ১১২/৪৯৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : কালিমুল্লাহ, গুরুদাসপুর, নাটোর।





প্রশ্ন (১) : আমরা তিন বোন। আমাদের কোন ভাই নেই। ইসলামী শরী‘আহ অনুযায়ী আমার পিতার সকল সম্পদের বণ্টন নীতিমালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : দেওবন্দী মানহাজের লোকেরা বলে থাকে যে, চার ইমামের প্রত্যেকেই ২০ রাক‘আত তারাবীহ আদায় করেছেন এবং অন্যদেরকে পড়তে বলেছেন। প্রশ্ন হল- তাদের দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪): কোন ব্যক্তি আছরের ছালাতে শেষ কাতারে একাকী ছালাত আদায়কালীন ইমামের সালাম ফিরানোর পর তার ছুটে যাওয়া বাকি দুই রাক‘আত আদায় করলে তার জন্য কি তৃতীয় রাক‘আতে বসে আত্তাহিয়্যাতু পড়তে হবে? এছাড়া পরবর্তীতে আগত ৫ জন মুছল্লী মাসবুক্ব ব্যক্তিকে ইমাম হিসাবে অনুসরণ করে জামা‘আত সহকারে ছালাত আদায় করতে পারবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে রামাযানের দু’টি ছিয়াম রাখতে পারেনি। ক্বাযা করারও সময় পায়নি, মারা গেছে। এই ছিয়ামের কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : একদিন স্বামীর সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে প্রচণ্ড রাগের বশবর্তী হয়ে কুরআন হাতে নিয়ে যদি কেউ বলে যে, এই কুরআন ছুয়ে বলছি জীবনে কোনদিন তোমার টাকায় হাত দিব না, তোমার টাকা দিয়ে কিছু করব না, যত টাকা নিয়েছি সব ফেরত দিয়ে দিব। অতঃপর পরবর্তীতে ভুল বুঝতে পারে যে, তার এমন কাজ করা ঠিক হইনি। এমতাবস্থায় করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : নাপাক অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করে তেলাওয়াত যাবে কি? বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল, ভিডিও চিত্রের মাধ্যমেও কুরআন পড়ার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোন ব্যক্তি মসজিদ করে দিলে তার নামে মসজিদের নামকরণ করা যাবে কি? ঐ ব্যক্তিকে মসজিদের মুতাওয়াল্লী নির্বাচন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মসজিদের পশ্চিম দিকে কবর থাকলে ঐ মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আল্লাহর নাম ও গুণাবলী তথা আসমা ওয়াছা ছিফাত জানার গুরুত্ব এবং ফজিলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : কোন্ সময় সত্য গোপন করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কুরআনের আয়াত পড়ে অনেকেই বলে থাকে, اَتِمُّوا الصِّیَامَ اِلَی الَّیۡلِ ‘তোমরা রাত্রি পর্যন্ত ছিয়াম পূর্ণ কর’। তাই রাত্রি না হওয়া পর্যন্ত ইফতার করা যাবে না। অতএব দেরী করাই উত্তম। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আমি এক ছাত্রকে মসজিদের ভিতর গণিত ও পদার্থ পড়ায়। প্রশ্ন হল, মসজিদের ভিতরে এই বিষয়গুলো পড়ানো কি মসজিদের আদবের খেলাপ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ