বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : এটি আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ নিদর্শন। যেমন মরার পর মানুষের বৈশিষ্ট্য হল- পচে-গলে মাটির সাথে মিশে যাওয়া। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা ফিরাউনকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত অক্ষত অবস্থায় রাখবেন। এতে ফিরাউনের কোন কৃতিত্ব আছে কি? বরং সবটাই আল্লাহর ক্ষমতা। অনুরূপভাবে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সাজদাহ করা হারাম। অথচ আল্লাহর আদেশেই ফেরেশতারা আদম (আলাইহিস সালাম)-কে সাজদাহ করেছিলেন। আল্লাহর আদেশে ঘটনাটি ঘটার ফলে এটি শিরক নয়। ঠিক তেমনি আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত কেউ-ই স্বেচ্ছায় জান্নাত বা জাহান্নামে চিরস্থায়ী হতে পারবে না। আর তাদেরকে তো একটা জীবন শেষ করার পর পরবর্তী জীবনে চিরস্থায়ী করা হবে। অথচ আল্লাহ তা‘আলা প্রথম লগ্ন থেকেই চিরস্থায়ী। আর তাঁর চিরস্থায়ী হওয়ার ব্যাপারে কারোর অনুমতির প্রয়োজন নেই। তিনি নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। তারা কী করে তাঁর সমতুল্য হতে পারে যাদেরকে তিনি নিজে চিরস্থায়ী করেছেন? (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-২২৯২৩৪৫)।

তাই কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহ থেকে স্পষ্ট দলীল পাওয়ার পর কোন যুক্তি পেশ করা উচিত নয়। ধারণার বশবর্তী হয়ে কোন কথা বলা জায়েয নয়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

وَ لَا تَقۡفُ مَا لَیۡسَ لَکَ بِہٖ عِلۡمٌ ؕ اِنَّ السَّمۡعَ وَ الۡبَصَرَ وَ الۡفُؤَادَ  کُلُّ  اُولٰٓئِکَ کَانَ  عَنۡہُ  مَسۡـُٔوۡلًا

‘যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হয়ো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ওদের প্রত্যেকের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে’ (সূরা বানী ইসরাঈল : ৩৬)। কেননা উছূলে ফিক্বহ বা ইসলামী শরী‘আতের স্থিরীকৃত নীতিমালা সমূহের মধ্যে রয়েছে যে, لا اجتهاد مع النص ‘স্পষ্ট দলীল থাকতে ইজতিহাদ বা ক্বিয়াস চলবে না’। তাই এই প্রকারের ক্বিয়াসকে আলেমগণ ভ্রান্ত, অকেজো ও বিকৃত ক্বিয়াস হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৩২৭৮৭ কুয়েতী ফিক্বাহ বিশ্বকোষ, ৪১/২৪৮; আরশীফ মুলতাক্বা আহলিল হাদীছ, ১১২/৪৯৮ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : কালিমুল্লাহ, গুরুদাসপুর, নাটোর।





প্রশ্ন (৫) : কেউ ইসরা অস্বীকার করলে কাফির কিন্তু বাইতুল মাক্বদিস থেকে মি‘রাজ বা ঊর্ধ্বগমন অস্বীকার করলে কাফির হবে না বরং বিদ‘আতী হবে। এ ফৎওয়া কতটুকু সঠিক? কুরআন দ্বারা প্রমাণিত বিষয় অস্বীকার করলে কাফির হয়ে যায় কিন্তু হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত বিষয় অস্বীকার করলে কাফির হয় না। এমন আক্বীদা কি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): সেবামূলক হাসপাতালে অথবা শিশু ক্যান্সার হাসপাতালে যাকাতের অর্থ প্রদান করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে সকল দেশে মানবরচিত বিধান দ্বারা বিচার কার্র্য পরিচিালিত হয়, সেখানে বিচারক হওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। প্রশ্ন হল- সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): একজন তরুণী মহিলা ডাক্তার। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের নিকট এমন বিষয় ব্যাখ্যা করেন, যার কারণে তিনি এমন কিছু নড়াচড়া করে থাকেন, যা ছাত্রদের সামনে করা উচিত নয়। প্রশ্ন হল- তার দিকে তাকানোর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : পিতা-মাতার কর্মের কারণে সন্তান পঙ্গু অবস্থায় জন্ম নেয়। এমন বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : সানস্ক্রিন ক্রীম সূর্যের ক্ষতিকর আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং এতে ত্বক ফর্সা হওয়ার লেয়ার থাকে। পুরুষের জন্য এ ধরনের ক্রীম ব্যবহার করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : বাইরে গেলে ওযূ করার সময় মহিলারা হিজাবের উপর মাথা মাসাহ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : খাটে ঘুমানো, দস্তর খানা কিংবা ডাইনিং টেবিলে খাওয়া ও চেয়ারে বসা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশে কেউ হাযারে ২০ টাকা খরচ দিয়ে পাঠালে, টাকা তোলার পর একাউন্টে ২/৩ টাকা থেকে যায়, কোম্পানি পুরো ২০ টাকা কাটে না। এই অবশিষ্ট টাকা গ্রহণ হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : তাক্বদীর সম্পর্কে মনে কু-চিন্তার উদয় হলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫১) : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির বর্তমানে পরিশোধ করার ক্ষমতা নেই। কিন্তু পাওনাদারদের কাছে মিথ্যা কথা বলতে হয়। এমতাবস্থায় ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করে ব্যাংকের নিকট ঋণগ্রস্ত থাকা যাবে কি? যদিও এই লোন সূদ যা হারাম। আবার বান্দার হক্বও আল্লাহ মাফ করবেন না। আল্লাহর কাছে তওবা করে কি ব্যাংক থেকে লোন নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ