বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছিয়াম রাখার জন্য একজন বিশ্বস্ত, ন্যায়পরায়ণ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির চাঁদ দেখার সাক্ষ্যই যথেষ্ট হবে। ইবনু উমার (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘লোকেরা রামাযানের চাঁদ অন্বেষণ করছিল। আমি রাসূল (ﷺ)-কে জানালাম যে, আমি চাঁদ দেখেছি। অতঃপর তিনি নিজেও ছিয়াম রাখলেন এবং লোকদেরকেও রামাযানের ছিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’ (আবূ দাঊদ, হা/২৩৪২; সনদ ছহীহ, সহীহুল মুসনাদ, হা/৭৫৬)। উল্লেখ্য যে, যার সততা প্রসিদ্ধ এবং প্রশ্নবিদ্ধ নয়, বুদ্ধিমত্তায় কোন দুর্বলতার ইঙ্গিত নেই এবং যার মধ্যে ব্যক্তিস্বার্থের কোন লেশমাত্র নেই, এমন একজন মুসলিম ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, مِنْ رِّجَالِكُمْ ‘সাক্ষী মুসলিম হতে হবে’। অতঃপর তিনি বলেন, مِمَّنْ تَرْضَوْنَ مِنَ الشُّهَدَاءِ ‘সাক্ষীদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা পসন্দ কর’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৮২)। সাক্ষী নির্ভরযোগ্য, ‘আদিল’ (বিশ্বস্ত), যার দ্বীনদারী ও ন্যায়-নিষ্ঠার ব্যাপারে তোমরা পূর্ণ আস্থাবান হবে। যার কথার উপর আস্থা রাখা যায় অর্থাৎ ফাসিক ও ফাজির অর্থাৎ পাপাচারী হলে চলবে না।


প্রশ্নকারী : আল-আমীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।





প্রশ্ন (৪) : বর্তমান চলমান সংকটের (করোনা ভাইরাসের) কারণে অনেকেই ‘সময় বা যুগকে’ গালি দিচ্ছে, এভাবে সময় বা যুগকে গালি দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : রংধনু অংকিত পাঞ্জাবী কিংবা শার্ট পড়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি কিংবা এরূপ জামা গায় দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ফরয ছালাতের পর বিভিন্ন দু‘আর সাথে সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব, নাস ইত্যাদি পড়ার পর বুকে ফুঁ দিয়ে এবং হাতে ফুঁ দিয়ে গোটা শরীর মাসাহ করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মাকহূল (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, যে লোক ‘লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ওয়ালা মানজায়া মিনাল্লাহি ইল্লা ইলাইহি’ পাঠ করে, আল্লাহ তা‘আলা তার হতে সত্তর প্রকারের অনিষ্ট অপসারণ করেন এবং এগুলোর মাঝে সাধারণ বা ক্ষুদ্র বিপদ হল দরিদ্রতা। হাদীছটি কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : সমাজে শরী‘আতের নামে একটি কথা চালু আছে যে, মুহাররমের ১ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত ছিয়াম পালন করলে ৫০ বছরের নফল ছিয়ামের নেকী লেখা হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী হা/২৪৯৮; মিশকাত হা/২১৮১; ফাযায়েলে আমল, পৃঃ ২৭৫)। উক্ত বর্ণনা সনদ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : হজ্জের সময় নারীরা ঋতুবতী হয়ে পড়লে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ছালাতে সিজদায় বাংলাতে দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : হজ্জ বা উমরাহ পালনোত্তর নারীদের চুল কাটার পদ্ধতি কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আযান চলাকালীন ভুলবশত হারাম কাজে লিপ্ত থাকলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ছিয়াম পালনকারীর শ্বাসকষ্ট উপশমকারী স্প্রে (ইনহেইলার বা পাফার) ব্যববারের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সফরে গমনকালে বাড়ীতেই যোহর ও আছর ছালাত একসাথে জমা করে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ