বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : অধিকাংশ মানুষ এই রোগের শিকার। অথচ প্রত্যেক মুসলিমকে ইবাদতে একাগ্রতা আনয়ন করা ওয়াজিব (ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমুঊল ফাতাওয়া, ২২তম খণ্ড, পৃ. ৫৫৩)। আর মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি মানুষ ও জিনকে সৃষ্টি করেছি কেবল আমার ইবাদতের জন্য’ (সূরা আল-যারিয়াত : ৫৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, أَنْ تَعْبُدَ اللهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ ‘তুমি এমনভাবে ইবাদত কর, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ। যদি এমনটি না হয়, তাহলে অন্তত এটা মনে কর যে, আল্লাহ তোমাকে দেখছে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫০; ছহীহ মুসলিম, হা/৮; মিশকাত, হা/২)। সুতরাং ইবাদত হতে হবে একাগ্রতা ও বিনয়-নম্রতার সাথে। ইবাদতে মন না বসার কিছু কারণ রয়েছে। যেমন (ক) লোক দেখানো বা জনশ্রুতির জন্য ইবাদত করা। এক কথায় খুলূছিয়্যাতের ত্রুটি (সূরা আল-কাহ্ফ ১১০; সূরা আল-বাইয়েনাহ : ৫; ছহীহ মুসলিম হা/২৫৬৪, ২/৩১৭ পৃ.)। (খ) ইবাদত রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পদ্ধতিতে না হওয়া (ছহীহ বুখারী, হা/৬৩১; মিশকাত, হা/৬৮৩; তাফসীর ইবনু কাছীর, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৩০৮)। (গ) হারাম রুযী ভক্ষণ করা (ছহীহ মুসলিম হা/১০১৫, ১/৩২৬ পৃ.; মিশকাত হা/২৭৬০, পৃ. ২৪১)। তবে নিম্নোক্ত পন্থাগুলো অনুসরণ করলে ইবাদতে মনোযোগ সৃষ্টি হতে পারে ইনশাআল্লাহ। যেমন, (১) পঠিতব্য দু‘আ বা যিকিরগুলো অর্থ বুঝে ধীরস্থিরভাবে পাঠ করা। (২) যেকোন মূল্যে প্রতিদিন কুরআন তেলাওয়াত করা। (৩) অধিকহারে মৃত্যুকে স্মরণ করা। (৪) প্রত্যেক ইবাদতকেই ইবাদত হিসাবে মূল্যায়ন করা। (৫) পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করা। (৬) কোনভাবেই রাগ না করা। (৭) সর্বদা সৎ মানুষের সাথে অবস্থান করা। (৮) বেশী বেশী ইস্তেগফার করা। (৯) রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি দরূদ পড়া এবং (১০) স্বজ্ঞানে যেকোন গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।


প্রশ্নকারী : আলী আলম, সিরাজগঞ্জ।




প্রশ্ন (১৬) : আমি আল্লাহর কাছে ওয়াদা করেছিলাম যে, আমার পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে আর মোবাইল দেখবো না, তবে যদি দেখি তাহলে আর মুসলিম থাকব না। প্রশ্ন হল- এই ওয়াদা ভঙ্গ করার পরিণাম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : পেশাব করে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং ৪০ কদম হাঁটা বা উঠাবসা করার কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (০৭) : ইমামের সাথে শত্রুতার কারণে কেউ যদি তার পিছনে ছালাত না পড়ে জামা‘আতের আগে কিংবা পরে পড়ে, তাহলে তার ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে আছ? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেয়া ভাল (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘দাবা খেলা, পাশা খেলা এবং এ জাতীয় খেলাগুলোতে কোন কল্যাণ নেই’। উপরিউক্ত দলীলের আলোকে লুডু, তাস, ক্যারাম ইত্যাদি খেলাকেও হারাম বলা হয়। প্রশ্ন হল, ছাহাবী বা তাবেঈ কি কোন জিনিস হারাম করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ইমাম নাভীর নিচে বা নাভী বরাবর হাত বাঁধে, সিজদায় দুই হাত কুকুরের মত বিছিয়ে রাখে, সশব্দে আমীন বলে না, রফঊল ইয়াদায়েন করে না, সম্মিলিত মুনাজাত করে ইত্যাদি। এমন ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মসজিদে সুতরা দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : সূদী ব্যাংকে চাকুরী করে সেই টাকা দিয়ে ইফতারী খাওয়ানো এবং কাউকে গিফট দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : মুসলিম হয়েও যারা মসজিদ ভাঙ্গে কিংবা পুড়িয়ে দেয়, তাদের জন্য বদ-দু‘আ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : আল্লাহ তা‘আলার আরশ বহনকারী ফেরেশতার সংখ্যা কত? তাদের আকৃতি কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক খতীব ‘তাযকিরাতুল কুরআনে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ্র আরশে একটি দু‘আ লিখা আছে যার নাম ‘গঞ্জুল আরশ’। উক্ত দু‘আ চারজন ফেরেশতা পাঠ করার পর আল্লাহর আরশ বহন করতে সক্ষম হন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মেয়েদের ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন ভাই ও ছেলেদেরে ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন বোন কি মাহরাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জনৈক আলেম বলেন, আরাফার দিন ছিয়াম রাখলে ১০০০ ছিয়ামের সময় নেকী পাওয়া যাবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ