বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছালাত পরিত্যাগকারীর জন্য মহান আল্লাহ ও রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তাদের পর আসল অপদার্থ পরবর্তীরা। তারা ছালাত নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করল। সুতরাং তারা অচিরেই ধ্বংসে (জাহান্নামের গভীরে) পতিত হবে’ (সূরা মারইয়াম : ৫৯)। অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন, ‘অপরাধীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের কিসে সাক্বার নামক জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছে? তারা বলবে, আমরা ছালাত আদায়কারী ছিলাম না’ (সূরা আল-মুদ্দাছ্ছির : ৪১-৪৩)।

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মুসলিম হিসাবে আগামী কাল আল্লাহ্র সাথে মুলাক্বাত করে আনন্দিত হতে চায় সে যেন পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত যথাযথভাবে আদায় করে। যেখানেই উক্ত ছালাতের আযান দেয়া হোক’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৬৫৪, ১/২৩২ পৃ,, (ইফাব হা/১৩৬১); মিশকাত, হা/১০৭২, পৃ. ৯৭)। অন্য হাদীছে আরো কঠিন বক্তব্য এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ ‘নিশ্চয় কোন ব্যক্তি আর মুশরিক ও কাফেরের মাঝে পার্থক্য হল, ছালাত পরিত্যাগ করা’ (ছহীহ মুসলিম হা/৮২, ১/৬১ পৃ., (ইফাবা হা/১৪৯ ও ১৫০))।

অন্যত্র তিনি বলেছেন, اَلْعَهْدُ الَّذِيْ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ الصَّلَاةُ فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ ‘আমাদের ও তাদের (কাফের, মুশরিক ও মুনাফিক) মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা হল ছালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি ছালাত ছেড়ে দিবে, সে কুফুরী করবে’ (তিরমিযী, হা/২৬২১, ২/৯০ পৃ.; মিশকাত, হা/৫৭৪, সনদ ছহীহ)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ছালাত ছেড়ে দিবে সে শিরক করবে’ (ইবনু মাজাহ, হা/১০৮০, সনদ ছহীহ)।

অতএব যে ব্যক্তি ছালাত আদায় করবে না, সে নিঃসন্দেহে কুফুরী করবে। অলসতা ও অবহেলায় কোন মুসলিম নামধারী যদি ছালাত আদায় না করে তাহলে উক্ত অপরাধের কারণে জাহান্নামে যাবে। শাস্তি ভোগ করার পর আল্লাহ্র দয়ায় কালেমা ত্বাইয়েবার বরকতে মুক্তি পাবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে (ইবনু মাজাহ হা/৬০, পৃ. ৭, সনদ ছহীহ)। কিন্তু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত ছেড়ে দিলে বা অস্বীকার করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে (শায়খ আলবানী, হুকমু তারিকিছ ছালাহ, পৃৃ. ৬)।


প্রশ্নকারী : জহুরুল ইসলাম, পাবনা।




প্রশ্ন (২৭) : জনৈক মুফতি বলেন, যে নিছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক তার উপর কুরবানী ওয়াজিব। অন্যথা কুরবানী করা লাগবে না। এর অর্থ হল, তার কাছে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা তার সমপরিমাণ জমানো টাকা থাকা লাগবে। এই ফৎওয়া অনুযায়ী অনেকেই তো কুরবানী করা থেকে বঞ্চিত হবে। উক্ত ফৎওয়া কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : ইসলামে চুরি করার বিধান এবং শাস্তি কি? কি পরিমাণ সম্পদ চুরির জন্য কেমন শাস্তি হবে? শাস্তি দেওয়ার দায়িত্ব কার? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঘরে সূরা আল-বাক্বারাহ তেলাওয়াত করলে শয়তান বিতাড়িত হয়। এ কথা কি ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমানিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : কুরবানীর পশুর গলায় লাল ফিতা বেঁধে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৯) : ছিয়াম অবস্থায় ওযূ করার পর স্ত্রীকে স্পর্শ করলে ছিয়াম ও ওযূ ভঙ্গ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সুর দিয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : নবী-রাসূলদেরকে মু‘জিযা দান করার কারণ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : প্রতি বছর ‘আরাফার দিন (৯ যিলহজ্জ) ছিয়াম রাখা সুন্নাত। কিন্তু বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী সাধারণত ৮ কিংবা ৭ যিলহজ্জ তারিখে ‘আরাফাহ হয়। এক্ষণে উক্ত ছিয়াম তারিখের সাথে মিলিয়ে রাখবে না আরাফার সাথে মিলিয়ে রাখবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন তোমাদের নিকট দিয়ে কোন ইহুদী বা খ্রিস্টান বা মুসলিমের লাশ অতিক্রম করবে, তখন তোমরা তার জন্য দাঁড়াবে। এটা তার সম্মানে নয়, তোমরা মূলত ফেরেশতাদের সম্মানার্থে দাঁড়াও’ (মুসনাদে আহমাদ হা/১৯৫০৯) মর্মে বর্ণিত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : মাহরাম ছাড়া কোন মহিলা হজ্জ করতে যেতে পারবে কি? বুদ্ধিমান বালক কি মাহরাম হতে পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কুরআন তেলাওয়াতের সময় সিজদার আয়াত আসলে কিভাবে সিজদা দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : দোকানের ভাড়া বাবদ ভাড়াটিয়ার নিকট অনেক টাকা পাওয়া যাবে। সে তার বিভিন্ন সমস্যার কারণে দিতে পারছে না। এমতাবস্থায় যদি তাকে দোকান ছাড়তে বলা হয় এবং তাতে যদি সে কষ্ট পায়, তাহলে কি দোকানের মালিকের গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ