বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছালাত পরিত্যাগকারীর জন্য মহান আল্লাহ ও রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তাদের পর আসল অপদার্থ পরবর্তীরা। তারা ছালাত নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করল। সুতরাং তারা অচিরেই ধ্বংসে (জাহান্নামের গভীরে) পতিত হবে’ (সূরা মারইয়াম : ৫৯)। অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন, ‘অপরাধীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের কিসে সাক্বার নামক জাহান্নামে নিক্ষেপ করেছে? তারা বলবে, আমরা ছালাত আদায়কারী ছিলাম না’ (সূরা আল-মুদ্দাছ্ছির : ৪১-৪৩)।

রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মুসলিম হিসাবে আগামী কাল আল্লাহ্র সাথে মুলাক্বাত করে আনন্দিত হতে চায় সে যেন পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত যথাযথভাবে আদায় করে। যেখানেই উক্ত ছালাতের আযান দেয়া হোক’ (ছহীহ মুসলিম, হা/৬৫৪, ১/২৩২ পৃ,, (ইফাব হা/১৩৬১); মিশকাত, হা/১০৭২, পৃ. ৯৭)। অন্য হাদীছে আরো কঠিন বক্তব্য এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ ‘নিশ্চয় কোন ব্যক্তি আর মুশরিক ও কাফেরের মাঝে পার্থক্য হল, ছালাত পরিত্যাগ করা’ (ছহীহ মুসলিম হা/৮২, ১/৬১ পৃ., (ইফাবা হা/১৪৯ ও ১৫০))।

অন্যত্র তিনি বলেছেন, اَلْعَهْدُ الَّذِيْ بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمْ الصَّلَاةُ فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ ‘আমাদের ও তাদের (কাফের, মুশরিক ও মুনাফিক) মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা হল ছালাত। সুতরাং যে ব্যক্তি ছালাত ছেড়ে দিবে, সে কুফুরী করবে’ (তিরমিযী, হা/২৬২১, ২/৯০ পৃ.; মিশকাত, হা/৫৭৪, সনদ ছহীহ)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ছালাত ছেড়ে দিবে সে শিরক করবে’ (ইবনু মাজাহ, হা/১০৮০, সনদ ছহীহ)।

অতএব যে ব্যক্তি ছালাত আদায় করবে না, সে নিঃসন্দেহে কুফুরী করবে। অলসতা ও অবহেলায় কোন মুসলিম নামধারী যদি ছালাত আদায় না করে তাহলে উক্ত অপরাধের কারণে জাহান্নামে যাবে। শাস্তি ভোগ করার পর আল্লাহ্র দয়ায় কালেমা ত্বাইয়েবার বরকতে মুক্তি পাবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করবে (ইবনু মাজাহ হা/৬০, পৃ. ৭, সনদ ছহীহ)। কিন্তু কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত ছেড়ে দিলে বা অস্বীকার করলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নামী হবে (শায়খ আলবানী, হুকমু তারিকিছ ছালাহ, পৃৃ. ৬)।


প্রশ্নকারী : জহুরুল ইসলাম, পাবনা।




প্রশ্ন (৩৪) : কুরবানী করার সময় কোন্ দু‘আ পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ছালাতের ওয়াক্ত হয়ে যাওয়ার পরে মসজিদে আযান দেয়নি। এমতাবস্থায় বলা হয় যে, আযান শুনে ছালাত পড়তে হবে। এ কথা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : পূর্বে ঘুষ খেয়েছে। বুঝার পর ঐ ঘুষদাতা বা তার ওয়ারিছকে খুঁজে পাচ্ছে না। এখন কিভাবে উক্ত ঘুষের টাকা পরিশোধ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪): অমুসলিম ব্যক্তি মুসলিম হতে চাইলে একাকী কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জুমু‘আর দিনে ইমাম মিম্বারে বসেছেন এবং মুওয়াযযিন আযান দিচ্ছেন; এমতাবস্থায় কোন মুছল্লী মসজিদে প্রবেশ করলে তার করণীয় কি? সে দু’ রাকা‘আত ছালাত শুরু করবে নাকি আযানের জবাব দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ইসলামী শরী‘আতের দৃষ্টিতে দেশে প্রচলিত ইসলমী ব্যাংকসমূহে আমানত রাখার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ওযূতে মোজার উপর মাসাহ করতে হবে, না-কি জুতার উপর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : তামাক চাষ করে সেই তামাক বিক্রি করা টাকা দিয়ে কুরবানী করা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০): রামাযানের দিনের বেলায় কোন্ আমলটি উত্তম- কুরআন তেলাওয়াত, না-কি নফল ছালাত আদায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : জনৈক শিক্ষক বলেছেন, চিকিৎসার যত্ন না নেয়ার কারণেই মানুষের মৃত্যু ঘটে। আর মানুষ যদি চিকিৎসা না করে, তাহলে সে মারা যায়। তাহলে চিকিৎসা কি সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? এ ব্যাপারে কুরআন বা হাদীছের বক্তব্য কী? চিকিৎসার সঙ্গে জীবন বা মৃত্যুর কি কোন সম্পর্ক আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : এশার ছালাতের পর দু’রাক‘আত নফল ছালাত দু’শ রাক‘আত ছালাতের ছওয়াবের সমান। কথাটির সত্যতা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : স্বামীর সামনে স্ত্রী ব্রা বা পেন্টি পরিধান করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ