বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ছিয়াম থাকা অবস্থায় প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করলে ছিয়াম ভঙ্গ হয় না। কেননা এতে খুবই যৎসামান্য রক্ত নেয়া হয়ে থাকে, যার ফলে শরীরে কোন প্রভাব পড়ে না। আর এটি হিজামার অন্তর্ভুক্ত নয়। পক্ষান্তরে অধিক মাত্রায় রক্ত নেয়া হলে ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে। যেমন কাউকে রক্তদান করার উদ্দেশ্যে, কেননা এটি হিজামাহ বা কাপিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। সেজন্য ছিয়াম থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় রক্তদান করা জায়েয নয়। কেননা এর ফলে ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়। তবে হ্যাঁ, যদি রোগীর অবস্থা খুবই বিপদজনক হয়, আর সে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ধৈর্যধারণ করতে না পারে এবং ডাক্তারেরা সিদ্ধান্ত নেয় যে, ছিয়াম পালনকারী ব্যক্তির রক্ত পেলে রোগী উপকৃত হবে এবং তার প্রয়োজন পূরণ হবে, সেক্ষেত্রে রক্তদান করা জায়েয। পরে অবশ্যই এই দিনের ক্বাযা আদায় করে নেবে (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৭৪ পৃ.; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৪৭৮; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৫০৪০৬)।

শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ), সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি, শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ), শায়খ উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও হাম্বালী মাযহাবের আলিমগণ বলেন, ছিয়াম থাকা অবস্থায় হিজামাহ বা কাপিং করলে ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া লিইবনি তাইমিয়্যাহ, ২০/৫২৮ ও ২৫/২৫২ পৃ.; ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমাহ, ৯/১৭৯ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৭১-২৭২; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছায়মীন, ২০/১৪৫ পৃ.; আশ-শারহুল মুমতি, ৬/৩৫১; আল-ইনছাফ, ৩/২১৪ পৃ.; আশ-শারহুল কাবীর, ৩/৪০ পৃ.)। ছাওবান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ও শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُوْمُ ‘রক্তমোক্ষণকারী এবং যার রক্তমোক্ষণ করানো হয়েছে, তাদের উভয়ের ছিয়াম নষ্ট হয়েছে গেছে’ (আবূ দাঊদ, হা/২৩৬৭-২৩৭০; ইবনু মাজাহ, হা/১৬৮০-১৬৮১, সনদ ছহীহ)।


প্রশ্নকারী : নাযীফ, নেত্রকোনা।





প্রশ্ন (২) : জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীকে তার বাড়ীর মানুষ তাকে কবিরাজের কাছে নিয়ে যেতে চায়। যে কবিরাজ চুন দিয়ে জন্ডিসের ঝাড়ফুঁক করে এবং তিনটি ডাব পড়ে দেয়। এটা কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : জনৈক বক্তা বলেন, হাদীছে এসেছে, যে ব্যক্তি ১০ মুহাররম আশূরার দিন গোসল করবে, সারা বছর তার কোন রোগ হবে না। উক্ত বক্তব্য সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ‘আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকেই আনন্দময় করে তুলতে পারি’, এরূপ বলা কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কিছু আতর আছে, যা অনেক দামী। প্রশ্ন হল- দামী আতর কিনলে কি তা অপচয় হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : ঘুমানোর পূর্বে করণীয় ও তার ফযীলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ‘কুযা’ কাকে বলে? কিছু কিছু যুবক তাদের মাথার সাইডের চুলগুলো কেটে মাঝখানের চুলগুলো রেখে দেয়। প্রশ্ন হল- শরী‘আতের দৃষ্টিতে পুরুষের মাথার চুল কাটার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ফজরের ছালাতে ২য় রাক‘আতে ইমাম ৩টা সিজদা দেন। মুছল্লীদের কেউ লোকমা দেননি। এভাবে ছালাত শেষ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিভিন্ন কবি সাহিত্যিকদের বাণী বা তাদের লেখা সংগ্রহ করে যদি পিডিএফ তৈরি করা হয় এবং  অনুমতি ছাড়া যদি ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করা হয় তাহলে বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া ছেলে বিবাহ করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : শরী‘আত কাকে বলে? হাদীছ কি শরী‘আতের দলীল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : মুমিন ও‌ মুসলিমের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রাসূল (ﷺ) কি তার সকল বক্তব্যের ক্ষেত্রেই দাঁড়িয়ে এবং হাতে লাঠি নিয়ে বক্তব্য দিতেন? এখন যারা মাহফিল, তা‘লীমী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, তাদের কি দাঁড়িয়ে এবং হাতে লাঠি নিয়ে বক্তব্য রাখা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ