রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গোটা দুনিয়ার সকল স্বাস্থ্যবিদের ঐকমত্য হলো, জর্দা ভক্ষণ ও ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে ক্যান্সারসহ ভয়ানক সব রোগের সৃষ্টি হয়। বিড়ি, সিগারেট, গুল-জর্দার মূল উপাদান হলো তামাক। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মাদকতা আছে, এটা সর্বজনস্বীকৃত। কোন বস্তুর মধ্যে মাদকতা থাকলে সেটা সুস্পষ্ট হারাম। জাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, مَا أَسْكَرَ كَثِيْرُهُ فَقَلِيْلُهُ حَرَامٌ ‘যে বস্তুর বেশি পরিমাণ নেশার সৃষ্টি করে, তার অল্প পরিমাণও হারাম’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৬৮১; তিরমিযী, হা/১৮৭১, সনদ হাসান ছহীহ)।

শরীয়তের মূলনীতি হলো, কারো যেমন ক্ষতি করা যাবে না, তেমনি নিজেকেও ক্ষতির সম্মুখীন করা যাবে না। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ  ‘ক্ষতি করাও যাবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াও যাবে না’ (ইবনু মাজাহ, হা/২৩৪১)। এছাড়া আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর ব্যয় কর আল্লাহর পথে, তবে নিজের জীবনকে ধ্বংসের সম্মুখীন করো না। আর মানুষের প্রতি অনুগ্রহ কর। আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালোবাসেন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৯৫)।

যে সকল নীতির মাধ্যমে বিড়ি-সিগারেটকে হারাম করা হয়, তার কিছু নিম্নরূপ: (ক) এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম। (খ) এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম। (গ) বেশি পরিমাণ পান করলে, তাতে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম। (ঘ) এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।


প্রশ্নকারী : আলাউদ্দীন, নাটোর।





প্রশ্ন (২) : খুলা তালাক্ব কাকে বলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ৮ লক্ষ টাকা এডভান্স দিয়ে একটি দোকান মাসিক ৮ হাজার টাকায় ভাড়া দেয়া হয়েছে। ভাড়া গ্রহীতা নিজে ব্যবসা না করে অন্যের নিকট কোন এ্যাডভ্যান্স না নিয়ে মাসিক ১৬ হাজার টাকায় ভাড়া দিতে পারবে কি? অর্থাৎ দোকান ভাড়া নিয়ে অন্যের নিকট ভাড়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মাগরিবের আযানের পর সুন্নাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : ওযূতে মোজার উপর মাসাহ করতে হবে, না-কি জুতার উপর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। প্রশ্ন হল- সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : বিয়ের পরে একজন মহিলা কিভাবে নিজ রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : হাদীছে এসেছে, কোন ব্যক্তি যদি তার বাড়ীতে ‘সূরা আল-বাক্বারাহ’ তেলাওয়াত করে, তাহলে তার ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না। কিন্তু সূরাটি যদি ক্যাসেটে রেকর্ড করে রাখা হয়, তাহলে কি এই ফযীলত হাছিল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : পিতার চাচী কি ছেলের জন্য মাহরাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আল্লাহ তা‘আলা আসমান-যমীনের মধ্যকার সবকিছুরই সৃষ্টিকর্তা, তাহলে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করলেন, এরূপ প্রশ্ন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দ্বন্দ্ব হলে ‘মীমাংসামূলক ছালাত’ নামে ছালাত পড়া হয়। উক্ত ছালাতের কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করা, শুভেচ্ছা জানানো, ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করা এবং তাদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা কি জায়েয। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছালাতের শেষ বৈঠকে দরূদ ও দু‘আ মাসূরা পাঠ করার সময় তাশাহহুদ পাঠ করেছি কি করিনি এরূপ সন্দেহ হলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ