বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৪১ অপরাহ্ন
উত্তর : শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) ও শায়খ আল-উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘রামাযান মাসে দিনের বেলায় ইনহেলার বা পাফার ব্যবহার করলে ছিয়াম ভঙ্গ হবে না। কুয়েতের ফিক্বহশাস্ত্রবিদরা এই মতটিকেই গ্রহণ করেছেন (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৬৫ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২০৯ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৭৬৫০)।

প্রথমতঃ এ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে যে স্প্রে ব্যবহার করা হয়, তা মূলত হাওয়া বা বায়ু, এর সীমানা হল ফুসফুস এবং এর কাজ হল ঐ ধমনী ও শ্বাসনালীকে প্রসারিত করা, যেগুলো হাঁপানি দ্বারা সংকুচিত হয়। তাছাড়া এই স্প্রে পাকস্থলীতে পৌঁছায় না এবং রোগীর জন্য খাদ্য বা পানীর প্রয়োজনও পূরণ করে না (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২১১ পৃ.; ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, পৃ. ৪৭৫; মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৬৪১ পৃ.)। দ্বিতীয়তঃ স্প্রে খাওয়া বা পানের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এটি রোগীর জন্য পুষ্টিও সরবরাহ করে না (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ১৫/২৬৫ পৃ.; মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি উছাইমীন, ১৯/২১১ পৃ.)।

তৃতীয়তঃ শ্বাসকষ্ট উপশমকারী একটি স্প্রের বোতলে সব মিলিয়ে ১০ মিলিমিটার তরল ঔষুধ থাকে, যা দিয়ে ২০০ বার স্প্রে করা যায়। দেখা যাচ্ছে, প্রত্যেক বার স্প্রেতে এক ফোঁটারও কম তরল পদার্থ থাকে। এই এক ফোঁটারও কম তরল পদার্থ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ভাগটি প্রবেশ করে শ্বাসনালীতে, ছোট ভাগটি থেকে যায় গলনালীতে এবং খুবই সামান্য পরিমাণ পাকস্থলীতে প্রবেশ করতে পারে। এই পরিমাণটি এতই যৎসামান্য যে, তা হিসাবে আসে না। যেমনিভাবে কুলি ও নাকের সামান্য অংশ পানি হিসাবে আসে না, বরং কুলি করলে ও নাকি পানি দিলে যে পরিমাণ পানি ভেতরে প্রবেশ করে, তার পরিমাণ স্প্রের চেয়ে বেশি (মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৭৫৯ পৃ.)।

চতুর্থতঃ দাঁতন ব্যবহারের উপর ক্বিয়াস করে এটিকে জায়েয করা হয়েছে। ডাক্তারগণ বলে থাকেন, আরাক গাছের মিসওয়াকে আট প্রকার রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা দাঁত ও মাঢ়িকে রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। পদার্থগুলো লালার সাথে মিশে গলনালীতে প্রবেশ করে। সঊদী আরবের ফাতাওয়া বোর্ডের স্থায়ী কমিটি এই মতটিই গ্রহণ করেছেন (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ, ১/১৩০ পৃ.; মাজাল্লাহ, মাজমাঊল ফিক্বহিল ইসলামী, ১০/৬৫৫ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : আব্দুর রাযযাক, চারঘাট, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২২) : পূর্বে ঘুষ খেয়েছে। বুঝার পর ঐ ঘুষদাতা বা তার ওয়ারিছকে খুঁজে পাচ্ছে না। এখন কিভাবে উক্ত ঘুষের টাকা পরিশোধ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) :  যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার তাওহীদে বিশ্বাস করে, কিন্তু কিছু দায়িত্ব পালনে অলসতা পোষণ করে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ) সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসাহ করতেন। কিন্তু অনেকে বুকে ফুঁ দেয়। প্রশ্ন হল- সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়ে বুকে ফুঁ দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মানুষ মারা গেলে মাইকিং করে শোক সংবাদ প্রচার করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : অনেকে বলেন, বিদ‘আত দুই প্রকার, এর দলীল হিসাবে আলেমের (ইমাম নববী রহ.) উক্তি দেন। বিদ‘আত কি আসলেই দু প্রকার? কোন সাহাবী তাবেঈ কি এরূপ ভাগ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছাদাক্বাহ করার ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, দান সম্পদকে হ্রাস করে না। আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমার মাধ্যমে বান্দার সম্মান বৃদ্ধি করেন এবং যে আল্লাহর জন্য বিনয় প্রকাশ করে আল্লাহ তাকে উন্নত করেন। এ বর্ণনাটি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০): এক মহিলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। সে একটা হাসপাতালে চাকরি করে আর পর্দা করে হাসপাতালে যায়। সে চাকরি করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলেম বা সম্মানী ব্যক্তিদের হাতে চুম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কেউ সূদী ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে মারা গেলে তার পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত কি তার কবরে শাস্তি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা আল-ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/২৪৯৮; মিশকাত, হা/২১৮১)। বর্ণনাটির তাহক্বীক্ব জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : বৌদ্ধ ধর্মের কি কোন বই আছে? ইসলাম ও বৌদ্ধ ধর্মের মাঝে পার্থক্য কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : অমুসলিমদের টাকা দিয়ে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ