বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : রামাযান মাসের ক্বাযা ছিয়াম যত দ্রুত সম্ভব আদায় করে নেয়া উচিত। কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা মুমিনদের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, اُولٰٓئِکَ یُسٰرِعُوۡنَ فِی الۡخَیۡرٰتِ وَ ہُمۡ لَہَا سٰبِقُوۡنَ ‘তারাই কল্যাণকর কাজ দ্রুত সম্পাদন করে এবং তারাই তার প্রতি অগ্রগামী হয়’ (সূরা আল-মুমিনূন : ৬১)। তবে আগামী রামাযান আগমনের পূর্বেই অর্থাৎ শা‘বান মাস পর্যন্ত বছরের যে কোন দিনে করা জায়েয (আল-হিদায়াহ, ১/১২৭ পৃ.; বাদায়িউছ ছানায়ী, ২/১০৪; ফাৎহুল ক্বাদীর, ২/৩৫৫; আহকামুল কুরআন, ১/১৪৭; আল-মাজমূঊ, ৬/৩৬৫; আল-ইনছাফ, ৩/৩৩৪ পৃ.)।

ইমাম বুখারী (রাহিমাহুল্লাহ) ছিয়াম অধ্যায়ে, (بَاب مَتَى يُقْضَى قَضَاءُ رَمَضَانَ) রামাযানের ক্বাযা কখন আদায় করতে হবে? নামে একটি অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন (৩০/৪০)। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত হাদীছটি বর্ণনা করেন। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন,

كَانَ يَكُوْنُ عَلَيَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَ إِلَّا فِيْ شَعْبَانَ قَالَ يَحْيَى الشُّغْلُ مِنْ النَّبِيِّ أَوْ بِالنَّبِيِّ ﷺ

‘আমার উপর রামাযানের যে ক্বাযা ছিয়াম থাকতো তা পরবর্তী শা‘বান ব্যতীত আমি আদায় করার সুযোগ পেতাম না। ইয়াহ্ইয়া (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, নবী (ﷺ)-এর ব্যস্ততার কারণে অথবা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে ব্যস্ত থাকার কারণে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, আমাদের কেউ (ঋতুস্রাব, প্রসবোত্তর স্রাব ইত্যাদি কারণে) রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করতে পারত না, অতঃপর তার ঐ ক্বাযা আদায় করার সুযোগ পাওয়ার পূর্বেই শা‘বান মাস এসে যেত’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৯৫০; ছহীহ মুসলিম, হা/১১৪৬; নাসাঈ, হা/২১৭৮, ২৩১৯; আবূ দাঊদ, হা/২৩৯৯; তিরমিযী, হা/৭৮৩; ইবনু মাজাহ, হা/১৬৬৯)।

শায়খ আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর বাহ্যিক উক্তি থেকে এ কথাই পরিস্ফুটিত হয় যে, তাঁর ব্যস্ততা না থাকলে ছুটে যাওয়া ছিয়াম সত্বরই ক্বাযা করতেন। এ থেকে বুঝা যায় যে, যার কোন সমস্যা-অসুবিধা নেই, তার জন্য দেরী না করে তাড়াতাড়ি ক্বাযা আদায় করে নেয়াই অধিক উত্তম’ (তামামুল মিন্নাহ, পৃ. ৪২২)।

প্রশ্নকারী : আশরাফ, যশোর।





প্রশ্ন (৩) : মৃত ব্যক্তিকে ক্ববর দেয়ার কয়েক মাস পর ধসে নিচু হয়ে গেছে। তাতে বিভিন্ন ধরনের জীবজন্তু বসবাস করে। প্রশ্ন হল, এখন সেই নিচু ক্ববরগুলোকে ভরাট করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মানুষ রাতে ঘুমালে শয়তান তার গ্রীবাদেশে তিনটি গিরা দেয়। শয়তানের এই তিনটি গিরা খোলার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৫) : ঈদের মাঠ আলোকসজ্জা করা, আগরবাতী জ্বালানো এবং ঈদের দিন পটকা ফোটানো, বাঁশি বাজানো, মেলায় যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জমি বন্ধক রাখা কি জায়েয? উভয়ের সম্মতি অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা দিয়ে একবিঘা জমি নিলাম। যতদিন টাকা আমাকে ফেরত না দিবে ততদিন জমি ভোগ করব। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪): উটপাখির গোশত খাওয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ছাদাক্বাহ অর্থ কী? তা কত প্রকার এবং ছাদাক্বাহ পাওয়ার হক্বদার কে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : হাদীছে ‘উসফুর’ (কুসুম)-এ রঞ্জিত কাপড় দ্বারা উদ্দেশ্য কী? সবুজ অথবা ধূসরাভ হলুদ রঙের পোশাক কি পরা যাবে, না-কি এগুলো পরা মাকরূহ হওয়ার ব্যাপারে কোন প্রমাণ আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : টিকটিকির লালা কি নাপাক? উক্ত লালা কোন কাপড়ে লেগে গেলে তা-কি নাপাক হয়ে যায় এবং নাপাক কাপড় পরে অন্য কোন নাপাক কাপড় ধরলে কি ঐ কাপড়ও নাপাক হয়ে যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ওযূ করার পর ছালাত চলাকালীন যদি জানতে পারি যে, আমার দাঁতে সামান্য খাবার অবশিষ্ট আছে। এখন উক্ত ছালাত কি ওযূ করে আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : নিম্নের দু‘আটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ‘তোমরা তিনটি কারণে আরবকে ভালবাসবে। প্রথমত, আমি হলাম আরবী, দ্বিতীয়ত, কুরআন মাজীদের ভাষা হল আরবী এবং তৃতীয়ত, জান্নাতীদের ভাষাও হবে আরবী। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : হিন্দুদের শাখা ধোয়া পানি খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ