রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
উত্তর : ইসলাম ও মুসলিমের সঙ্গে শত্রুতায় লিপ্ত নয় এমন সেক্যুলারদের সঙ্গে স্বাভাবিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখার অনুমতি ইসলামী শরী‘আত দিয়েছে। যেমন, সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকা, দুর্দিনে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এক ইহুদি বালক নবী (ﷺ)-এর খিদমত করত। সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (ﷺ) তাকে দেখতে এলেন। তিনি তার মাথার কাছে বসে তাকে বললেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ করো। সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল। তিনি তার নিকটেই ছিলেন। পিতা বললেন, আবুল কাসেমের কথা মেনে নাও। অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (ﷺ) সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় বললেন, যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৫৬)। উল্লিখিত হাদীছের আলোকে আলেমগণ বলেন, অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কের ভিত্তি দ্বীনি কল্যাণ হওয়া উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা করেননি; বরং বহু ক্ষেত্রে তিনি ধৈর্য, শালীনতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। শরী‘আতের গণ্ডির মধ্যে থেকে অমুসলিমদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার অনুমতিও দিয়েছে ইসলাম। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একজন ইহুদীর কাছ থেকে বাকিতে খাবার কিনেছিলেন এবং লোহার বর্ম তার কাছে বন্ধক রেখেছিলেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/২২৫১)।

রাসূল (ﷺ) স্বয়ং অমুসলিমদের সাথেও সম্পর্ক ভালো রেখেছেন। চলাফেরা, লেনদেন করেছেন। এমনকি ছাহাবায়ে কেরামও লেনদেন, চলাফেরা করেছেন। তবে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে গিয়ে যদি দ্বীনের ক্ষতি হয়, তাহলে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না। তাহলে মুসলিমদের সাথে মুসলিমকে তো অবশ্যই ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। মুসলিম দেশে থেকেও যে সমস্ত মুসলিমরা সেক্যুলার রাজনীতির সমর্থন করে, তাদের সাথে চলাফেরা করে- আহলুল হাদীছ মুসলিমগণ মুসলিম ভাই হিসাবে তাদের সাথে সাথে চলাফেরা করবে। রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘একজন মুসলিম আরেকজন মুসলিমের ভাই’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪২; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮০)। সেই হিসাবে সেক্যুলার রাজনীতির সমর্থক বা তাদের সাথে চলাফেরা করে এমন মুসলিম ভাইদেরকে আমরা সঠিক বিষয়টি বুঝাবো। তাদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝটা তাবলীগ করবো। তাদের সাথে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন মুসলিমের যতটুকু অধিকার থাকে ততটুকুই তাদেরকে দিতে হবে। যদি প্রতিবেশী হয় তাহলে প্রতিবেশীর যে হক আছে সেটা দিতে হবে। তাদের ভুলগুলো সংশোধনের নছীহত করতে হবে।


প্রশ্নকারী : সাপায়েত, মিরপুর-২, ঢাকা।





প্রশ্ন (৯) : কারো স্বামী যদি ফেসবুক, ইমু, মেসেঞ্জারে অন্য মেয়েদের সাথে চ্যাট করে, প্রেমালাপ করে তবে স্বামীকে ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য স্ত্রী কী করতে পারে? স্বামীর মনে স্ত্রীর প্রতি প্রচ- ভালোবাসা সৃষ্টির জন্য বিশেষ কোন আমল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : প্রচলিত তাবলীগ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরআন মাজীদের পাতা ছিড়ে গেলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জেনে শুনে জর্দা খাওয়া ইমামের পেছনে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : মসজিদে বা মসজিদের আঙ্গিনায় ফুটবল, ক্রিকেট, বলিবল ইত্যাদি খেলা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি আমার এক বন্ধুকে ব্যবসা করার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়েছি। শর্ত হল- এই টাকা দিয়ে সে ব্যবসা করবে, তার ব্যবসার মোট মূলধন ১০ লক্ষ এবং আমার ৫ লক্ষ মোট ১৫ লক্ষ টাকা। শর্ত হল- ব্যবসায়ে মাসে যা ইনকাম হবে তার তিন ভাগের দুই ভাগ পরিচালনা খরচ অর্থাৎ কর্মচারীর বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ কর্তন হবে। বাকি তিন ভাগের এক ভাগ ১৫ লক্ষ টাকার আনুপাতিক হারে আমার ৫ লক্ষ টাকার মুনাফা পাব। যেমন মাসের লাভ হল ৪৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পরিচালনা খাত অর্থাৎ বেতন, ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাবদ। বাকি ১৫০০০ টাকার ভাগ হবে, তাহলে আমি পাব ৫০০০ টাকা। যেহেতু আমার মূলধন ৫ লক্ষ আর সে পাবে ১০০০০। যেহেতু তার মূলধন ১০ লক্ষ, প্রশ্ন হল- উক্ত পদ্ধতিতে ব্যবসা করা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ইসলামে বান্দার হক্ব তথা হাক্বুল ইবাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এখন কেউ যদি ঘুষ খায়, তাহলে তো বান্দার হক্ব সরাসরি বিনষ্ট হল। আর বান্দার হক্ব নষ্ট করলে, তা সেই বান্দার নিকট গিয়ে ক্ষমা চাইতে হয়। এখন ঘুষ খেলে তো পুরো দেশবাসীর নিকটই ক্ষমা চাইতে হবে! এমতাবস্থায় সে ব্যক্তির ব্যাপারে ক্বুরআন ও হাদীছের ফায়সালা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আযানের সময় কোন ওয়ায বা কথা বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : পাত্রীর পরিবারে কারো কারো সন্তান হচ্ছে না, বিয়ের প্রস্তাবকারী ছেলেকে এ কথা অবহিত করা কি আবশ্যক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : তাকবীরে তাহরিমার সময় আঙ্গুলগুলো বাঁকা থাকবে, না-কি সোজা থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : শরী‘আতে মুমিন নারী এবং পুরুষকে তাদের দৃষ্টি হেফাযত করতে বলা হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত চোখ পরে যাওয়া গুনাহ নয়; তাহলে অনলাইনে আলেমগণের গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক লেকচার শোনার সময়, অনেক সময় এমন হয় যে, এক দৃষ্টিতে আলেমদের মুখের দিকে তাকিয়ে লেকচার শুনতে হয়। তখন শুধু তারা কী বলছেন সেদিকেই মনোযোগ থাকে। এখন জিজ্ঞাসা হলো, এতে কি একজন নারীর গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : বর্তমানে অনেক মহিলা শাড়ি পরে ছালাত আদায় করে থাকে। প্রশ্ন হল- শাড়ি পরে মহিলারা ছালাত আদায় করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ