বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ইসলাম ও মুসলিমের সঙ্গে শত্রুতায় লিপ্ত নয় এমন সেক্যুলারদের সঙ্গে স্বাভাবিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখার অনুমতি ইসলামী শরী‘আত দিয়েছে। যেমন, সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকা, দুর্দিনে সহযোগিতা করা ইত্যাদি। আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, এক ইহুদি বালক নবী (ﷺ)-এর খিদমত করত। সে একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে নবী (ﷺ) তাকে দেখতে এলেন। তিনি তার মাথার কাছে বসে তাকে বললেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ করো। সে তখন তার পিতার দিকে তাকাল। তিনি তার নিকটেই ছিলেন। পিতা বললেন, আবুল কাসেমের কথা মেনে নাও। অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করল। নবী (ﷺ) সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় বললেন, যাবতীয় প্রশংসা সে আল্লাহর, যিনি তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিলেন (ছহীহ বুখারী, হা/১৩৫৬)। উল্লিখিত হাদীছের আলোকে আলেমগণ বলেন, অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কের ভিত্তি দ্বীনি কল্যাণ হওয়া উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা করেননি; বরং বহু ক্ষেত্রে তিনি ধৈর্য, শালীনতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। শরী‘আতের গণ্ডির মধ্যে থেকে অমুসলিমদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করার অনুমতিও দিয়েছে ইসলাম। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একজন ইহুদীর কাছ থেকে বাকিতে খাবার কিনেছিলেন এবং লোহার বর্ম তার কাছে বন্ধক রেখেছিলেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/২২৫১)।

রাসূল (ﷺ) স্বয়ং অমুসলিমদের সাথেও সম্পর্ক ভালো রেখেছেন। চলাফেরা, লেনদেন করেছেন। এমনকি ছাহাবায়ে কেরামও লেনদেন, চলাফেরা করেছেন। তবে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে গিয়ে যদি দ্বীনের ক্ষতি হয়, তাহলে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না। তাহলে মুসলিমদের সাথে মুসলিমকে তো অবশ্যই ভালো সম্পর্ক রাখতে হবে। মুসলিম দেশে থেকেও যে সমস্ত মুসলিমরা সেক্যুলার রাজনীতির সমর্থন করে, তাদের সাথে চলাফেরা করে- আহলুল হাদীছ মুসলিমগণ মুসলিম ভাই হিসাবে তাদের সাথে সাথে চলাফেরা করবে। রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘একজন মুসলিম আরেকজন মুসলিমের ভাই’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪২; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮০)। সেই হিসাবে সেক্যুলার রাজনীতির সমর্থক বা তাদের সাথে চলাফেরা করে এমন মুসলিম ভাইদেরকে আমরা সঠিক বিষয়টি বুঝাবো। তাদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝটা তাবলীগ করবো। তাদের সাথে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন মুসলিমের যতটুকু অধিকার থাকে ততটুকুই তাদেরকে দিতে হবে। যদি প্রতিবেশী হয় তাহলে প্রতিবেশীর যে হক আছে সেটা দিতে হবে। তাদের ভুলগুলো সংশোধনের নছীহত করতে হবে।


প্রশ্নকারী : সাপায়েত, মিরপুর-২, ঢাকা।





প্রশ্ন (১৭) : স্ত্রীর স্বর্ণালংকার আছে ৩ ভরি। যদি স্ত্রীর স্বর্ণালংকারের যাকাত স্ত্রীর উপর হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে সেক্ষেত্রে তো মহিলার নিছাব পূর্ণ হচ্ছে না। অন্যদিকে স্বামীর ৫০,০০০-৬০,০০০/- টাকা আছে, তাহলে কি স্বামীকে স্ত্রীর স্বর্ণালংকার সহ হিসাব করে যাকাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ইমাম মসজিদের মেহরাবের কোথায় দাঁড়াবে? মেহরাবের ভিতরে, না-কি বাইরে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : মেয়েদের ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন ভাই ও ছেলেদেরে ক্ষেত্রে আপন দাদার আপন বোন কি মাহরাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জান্নাতের রক্ষক ‘রিযওয়ান’ কি বিশুদ্ধ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (০৭) : ইমামের সাথে শত্রুতার কারণে কেউ যদি তার পিছনে ছালাত না পড়ে জামা‘আতের আগে কিংবা পরে পড়ে, তাহলে তার ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সহশিক্ষা আছে এমন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা এবং শিক্ষা গ্রহণ করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জুম‘আর দিন আছর ছালাতের পর উক্ত স্থানে বসে ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি‘আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যিল উম্মী ওয়া ‘আলা আলিহী ওয়া সাল্লিম তাসলীমা’ এ দরূদটি ৮০ বার পাঠ করলে আল্লাহ ৮০ বছরের ছগীরা গোনাহ মাফ করে দেন এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের নফল ইবাদতের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : যাদের ঈমান নেই তারাতো চিরকাল জাহান্নামে থাকবে আবার যারা জান্নাতে থাকবে তারাও চিরকাল থাকবে। জাহান্নামের শাস্তিতো অসহনীয় তাহলে জাহান্নামিরা এই শাস্তি অনন্তকাল কীভাবে ভোগ করবে? আল্লাহতো চিরস্থায়ী সত্তা তাহলে জান্নাত-জাহান্নামও চিরস্থায়ী হলে আল্লাহর বিশেষত্ব কোথায়? না-কি এমন হতে পারে অনেক দীর্ঘকাল পরে জান্নাত-জাহান্নামও ধ্বংস হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মৃত ব্যক্তির নামে খাওয়ানো, চার দিন পর দু‘আ অনুষ্ঠান, চল্লিশা উৎযাপন, মৃত্যু বার্ষিকী উৎযাপন ইত্যাদির মাধ্যমে কি মৃত ব্যক্তি শাস্তিপ্রাপ্ত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরআন মাজীদ পড়ার সুন্নাতী আদবগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অপবিত্র কাপড় পরিধান অবস্থায় ওযূ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জাহান্নামীদের পানীয় হিসাবে প্রদত্ত مَاءٌ صَدِيْدٌ وَغِسْلِيْنٌ বলতে কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ